পর্বঃ১
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের কাছে বিঞ্জানী মাদাম কুরী সম্পর্কে আলোচনা করবো।যার নাম আমরা মেরি কুরী নামে জানি। আপনারা যারা প্রতিনিয়ত আমার লেখা গল্প গুলো পড়েন। তারা হয়তো সকলেই জানেন আমি বিঞ্জান সম্পর্কিত গল্প লিখতে বেশি পছন্দ করি।যারা তাদের ঞ্জানের পরিধি আরো বৃদ্ধি করতে চান তাদের জন্য আমার এই লেখা।দয়া করে সকলেই পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়বেন।
বিঞ্জানী মাদাম কুরীর অজানা গল্প
তিনিই প্রথম মহিলা বিঞ্জানী হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।এই ফরাসী মহিলা বিঞ্জানী তেজস্ক্রিয়তার জন্য সর্ব প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।তিনিই ছিলেন প্রথম মহিলা বিঞ্জানী যিনি তেজস্ক্রিয়তার বিঞ্জানের দুইটা শাখায় আলাদা দুইটা নোবেল পুরস্কার লাভ করে।তিনি প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ছিলেন প্রথম মহিলা যার অসামান্য মেধার জন্য তাকে প্যারিসে সমাধিস্থ করা হয়। কুড়ি প্রথম পোল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। তখন সেটি রাশিয়ান সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। মেরি কুরি পোল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়ন করেছিলেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় তিনি তার ব্যবহারিক গবেষণা শুরু করেছিলেন। তিনি তার জীবনে ২৪ বছর বয়সে তার বড় বোন কে অনুসরণ করে প্যারিসে পড়তে যান। আর সেখানেই তিনি পরবর্তী বৈজ্ঞানিক কাজ পরিচালনা করেছিলেন। তিনিই প্রথম মহিলা ব্যক্তি যিনি তার স্বামীর সাথে যৌথ নোবেল পুরস্কার লাভ করে। তিনি হাজার ১৯১১ সালে এককভাবেও নোবেল পুরস্কার লাভ করেন রসায়নের জন্য।
তিনি প্রথম পদার্থে নোবেল পান তেজস্ক্রিয় তার জন্য এবং রসায়নে নোবেল পান রেডিয়াম পৃথক করার জন্য। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় হাসপাতালগুলোতে এক্স এর সরঞ্জাম এর ঘাটতি ছিল। যুদ্ধরত সৈনিকদের এক্সরে সঠিকভাবে করার জন্য তিনি তহবিল করেছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি অসুস্থ শরীর নিয়ে দুইশো বিশটি রেডিও স্টেশন গড়ে তোলেন। চিকিৎসা সরঞ্জাম এর জন্য তিনি ভ্রাম্যমাণ স্টেশনগুলো গড়ে তুলেছিলেন আর এই ভ্রাম্যমাণ স্টেশনগুলো গড়ে তুলেছিলেন তার নিকট আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে ধার নিয়ে।নিজেও বিভিন্ন স্টেশনে এক্সরে করতে সাহায্য করতেন। আজকের গল্পের পর্বটি এখানে শেষ করা হচ্ছে গল্পটা আকর্ষণীয় করার জন্য কয়েকটি পর্বে লেখা হতে পারে। পুরো গল্পটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

