মানুষ খেকো ইঁদুরের গল্প,রহস্যময় ট্রেন

M
mdraza

পর্বঃ৩

বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের রহস্যময় একটা ট্রেন যাত্রার গল্প শেয়ার করবো।আপনারা প্রথম দুইটি পর্ব যারা পড়েছেন তারা বুঝতে পারছেন,গল্পটি কর্মেই ভয়ংকর হয়ে উঠেছে।গল্পটি প্রতিটি লাইনে বিপদে ভরপর।রহস্যের পর্দা উন্মেচন করার জন্য পুরো পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

 

 

দ্বিতীয় পর্বের পর থেকে শুরু হচ্ছে,সেনাবাহিনীর সৈনিকরা ওই লোকের কাছে যাওয়া মাত্র লোকটিকে মৃত অবস্থায় দেখা গেল।তখন ওই মানুষের শরীর থেকে সকল ইঁদুর সৈনিকদের শরীরে গিয়ে পড়ে।মৃত লোকটির শরীর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ইঁদুর বের হতে শুরু করে।সেখানকার বস্তা থেকেও ঝাঁকে ঝাঁকে ইঁদুর বের হতে শুরু করে। ইঁদুর আক্রমন করার সৈন্যরা মৃত্যু বরন করে।ওই বন্ধী লোকটি কোন মতে মেঝে তে পড়ে থাকা চাবি দিয়ে তার হাতের সিকল খুলে সেখানকার দরজা বন্ধ করে পালিয়ে আসে।এদিকে সেনাবাহিনীর কমপাটমেন্ট এ দুজন সাধারণ দম্পতি ছিল,সেখানকার স্ত্রী তার স্বামী কে বলেন দেখো উপড়ে সিলিং এর উপর কিসের কিচির মিচির শব্দ শোনা যায়।স্ত্রী তার স্বামীকে বলে এই দেখ তো আমার মনে হয় ইঁদুর।স্বামী স্ত্রী কে বলে এই বয়সে এসে আমার ইঁদুর মারতে হবে তাও ট্রেনের ভেতরে তা আমি পারবো না।কিন্তু স্ত্রী নাছোর বান্ধ্যা হয়ে থাকে যদি তুমি না দেখো তাহলে আমি তোমার সাথে কোনো কথা বলবো না ভিতু কোথাকার।স্বামী একটি লাঠি নিয়ে সিলিং এর বিভিন্ন জায়গায় গুতো দিতে শুরু করে।সেই গুতো খেয়ে একজায়গায় ভেঙে গিয়ে সেখান থেকে শত শত ইঁদুর এসে একজন মানুষের ওপর পড়তে থাকে।সেই কামড়ার সকলে ভয় পেয়ে যায়।

 

 

 ইঁদুর গুলো কোনো সাধারণ ইঁদুর ছিল না।ইঁদুর গুলো একের পর এক মানুষ কে আক্রমণ করতে শুরু করে।অবস্থা খারাপ দেখে মেজর মানুষ গুলোকে পাশের কামড়ার মধ্যে জাইতে বলে। বন্ধী লোকটি যখন নিজের কামড়ায় যাওয়ার জন্য আসে তখন এসে দেখে তার কামড়ায় যাওয়ার রাস্তায় হাজার হাজার ইঁদুর মানুষ খাচ্ছে।আজকের পর্ব এই পর্যন্তই।পুরে পর্বটি পড়ার জন্য সকলকেই ধন্যবাদ।

Comments