পর্বঃ২
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে বিঞ্জানী লুইস পাস্ত্তর সম্পর্কে অজানা গল্প আলোচনা করবো।যারা আমার গল্পের প্রথম পর্ব পড়েছেন তারা হয়তো অনেক কিছুই জেনেছেন এই লুইস পাস্ত্তর সম্পর্কে। যিনি পৃথিবীর প্রথম ব্যক্তি হিসেবে চিকিৎসা বিঞ্জানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।এজন্য তাকে চিকিৎসা বিঞ্জানের জনক ও বলা হয়।আজকের পর্বেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন লুইস পাস্ত্তর সম্পর্কে। সকলেই মনোযোগ সহকারে পুরো গল্পটা পড়ার চেষ্টা করবেন।
লুইস পাস্ত্তর
প্রথম পর্বের পর থেকে শুরু করতেছি,তিনি চিন্তা করতে লাগলেন কিভাবে মদের গুনগত মান পরিবর্তন না করে মদের ভিতরে উৎপন্ন ব্যাকটেরিয়া কে মারা যায়।বিঞ্জানী লুইস পাস্ত্তর মদকে বিভিন্ন উৎতাপে গরম করতে লাগলেন।অবশেষে লক্ষ্য করেন ৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট বা ১৩১ ডিগ্রি ফারেনহাইট এ মদের কোনো ক্ষতি হয় না।কিন্তু ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নষ্ট হয়।তার এই আবিস্কৃত তথ্য পুরো পৃথিবী জুরে পাস্তুরাইজেশন নামে পরিচিত।বর্তমানে এই পদ্ধতিতে শুধু মদ না বিভিন্ন ধরনের খাবার সংরক্ষণ করা হয়।যার সুফল আমরা ব্যবহার করছি।কিন্তু খুব কম মানুষ ই জানে এই পাস্তুরাইজেশন এর কথা।
বিঞ্জানী লুইস পাস্ত্তর এর সময়ে তার দেশে অন্যতম শিল্প ছিল রেশম শিল্প।কিন্তু এক অজানা রোগে হাজার হাজার রেশম গুটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল।বিঞ্জানীরা অনেক চেষ্টা করেও সেই রোগের প্রতিরোধ মূলক ঔষধ তৈরি করতে পারছিল না।অবশেষে এই কাজের দায়িত্ব পেল বিঞ্জানী লুইস পাস্ত্তর। তিন বছর এর অক্লান্ত পরিশ্রমের পর তিনি গুটি নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে ঔষুধ আবিষ্কার করলেন।তিনি বললেন অসুস্থ গুটি পোকাকে বাদ দিতে হবে, কারণ তার ডিম থেকে যে গুটি পোকার জন্ম হয়, সে গুটি পোকাও দূর্বল ও অসুস্থ।এত দিন যে সমস্ত ব্যবাসায়ী খারাপ ঔষুধ বিক্রি করতো, তারা বিঞ্জানী লুইস পাস্ত্তর এর এমন কথায় তাদের বিক্রি কমে গেল।এজন্য তারা লুইস পাস্ত্তর এর সম্পর্কে নানা ধরনের গুজোব ছড়াতে লাগলো।লুইস পাস্ত্তর সবাই কে শান্ত হতে বললেন।ওই বছর ফলন অনেক ভালো হয়েছিল ফান্সে।আজকের পর্ব এখানেই শেষ করা হচ্ছে। বাকি পর্ব গুলো পড়ার জন্য আমাকে ফলো করে রাখুন।এত সময় দিয়ে আমার লেখা বাস্তব গল্পটা পড়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ।

