বিঞ্জানী টমাস আলভা এডিসন এর স্কুল জীবনের অজানা গল্প

M
mdraza

বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আশা করি সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি ।আজকে আপনাদের সাথে বিঞ্জানী এডিসন সম্পর্কে বলবো।যেটা এখন পর্যন্ত অজানা। বিঞ্জানী এডিসন এর জীবন গল্প লিখে হয়তো শেষ করা যাবে না। তবে আমি যতো টুকু জানি আপনাদের কাছে বলবো।আশা করি আপনাদের সবার এই কাহিনী ভালো লাগবে।

 

টমাস আলভা এডিসন

Caption

Image Source

বিঞ্জানী এডিসন ছোটবেলায় মনে করতেন মুরগি ডিম এর উপর বসে থেকে তা দিলে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়।তাহলে মানুষ ডিম এর উপর বসে থাকলে কেন ডিম ফুটবে না।ছোট বেলায় বিঞ্জানী এডিসন একবার কিছু ডিম একসাথে করে তার উপর বসে ছিল যেন ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়।ঘন্টার পর ঘন্টা চলে গেল কিন্তু বাচ্চা বের হল না।তারপর তার মা এটি দেখতে পেয়ে তাকে সেখান থেকে তুলে আনে।তার এধরনের পাগলি একটি দুইটি না অনেক ছিল।আপনারা হয়তো ভাবছেন এমন বোকা ছেলে বিঞ্জানী হয় কিভাবে?পরবর্তীতে তিনি হয়েছেন বিঞ্জানী তাও ছোট খাটো বিঞ্জানী না।হয়ছেন বিশ্ব সেরা বিঞ্জানীা।তার মোট এক হাজার তিরানব্বই টি আবিস্কারের স্বত্ব বা পেটেন্ট ছিল ওই ছোট বোকা ছেলেটির নামে।তার রেখে যাওয়া সম্পদের মূল্য ১৭০ মিলিয়ন ডলার এর বেশি।আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বৈদুত্যিক বাতি,পাখা,টেলিফোন,ভিডিও ক্যামেরা,সাউন্ড রেকোডার,মাইক্রফোন সহ আরো অনেক কিছুই আবিস্কার করেছেন। বিঞ্জানী এডিসন এর ছোটবেলায় লালজ্বরে আক্রান্ত হয়।যাতে করে তার দুইটা কানই নস্ট হয়ে যায়।তাই সে ভালো করে শুনতে পারে না।তার স্কুল জীবন ছিল মাত্র ১২ সপ্তাহের।তার মূল কারণ পরীক্ষায় উর্তীণ হতে না পারায় চিঠি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে ছিল তাকে।স্কুল কতৃপক্ষের দেওয়া চিঠিতে লেখা ছিল 'আপনারা ছেলে খুব মেধাবী, এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোট এবং এখানে তাকে শেখানোর মতো কোনো প্রশিক্ষন প্রাপ্ত শিক্ষক নেই।আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করোন। 

সেদিনের পর থেকে বিঞ্জানী টমাস আলভা এডিসন আর থামেন নি।মায়ের কাছে শিক্ষা নেওয়া শুরু করলো তিনি।এভাবেই তিনি বড় হয়ে উঠলেন বিশ্ব বিখ্যাত বিঞ্জানী,শিল্পপতি,মার্কেটিং জগেতে সফল উদ্যোগ্তা।তবে তার এই সফল দিন গুলো দেখার আগেই আকাশের তারা হয়ে গেছেন তার মা।আজকের গল্প এখানেই শেষ করতে হচ্ছে। আমি মনে করি আপনারা সকলে গল্পটি পড়ে অনেক কিছুই শিখতে পেরেছেন।

Comments