বহির্জাগতিক প্রাণ ও আমরা মহাকাশে আমরা কি একা?

M
mdraza

পর্বঃ৪

 

বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আমাদের সৌরজগতের মানুষ কতটা সাফল্য অর্জন করছে তার সম্পর্কে আলোচনা করবো।আমাদের সৌরজগত সম্পর্কে খুবই কম ধারণা রয়েছে।আমরা এখনো সৌরজগত সম্পর্কে সঠিক ঞ্জান পাই নাই।আপনাদের কে জানানোর জন্য আমি যত টুকু পারি আপনাদের কে জানাতে চেষ্টা করবো।সোরজগত সম্পর্কে সকল তথ্য জানতে হলে সব গুলো পর্ব মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

 

সৌরজগতের অজানা তথ্য

 

তৃতীয় পর্বের পর থেকে শুরু করা হচ্ছে,চিলির এটাকেমা মরুভুমিতে কিছু কিছু মাইক্রো অর্গানিজম যেমন জন্ম নেয় মাকড়শার জালের এক কোণায় এসব অর্গানিজমের পানির কোন প্রয়োজন পড়ে না। এরা পানির বদলে মাকড়শার জালের উপর সকালে যে ঘনীভূত অতিক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র শিশিরের আস্তরণ পড়ে সেটাকেই গ্রহণ করে টিকে থাকে। বিভিন্ন নামের ব্যাকটেরিয়া সচরাচর যে লবণাক্ততা দেখা যায় তার চেয়েও প্রায় দশ গুন বেশি লবনাক্ততা সইতে পারে। এক্সট্রিমোফিল ও পলিএক্সট্রিমোফিল গোত্রের বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া অনেক বেশী তাপ ও চাপ সহ্য করতে পারে।

Image Source

এছাড়াও এর কথা আমরা অনেকেই জানি। এই অদ্ভুত প্রাণিটি অবিশ্বাস্যভাবে পরম শুন্য তাপমাত্রায়, পানির স্ফুটনাঙ্কে,সমুদ্রের তলদেশ এমনকি ভ্যাকুয়ামের মত প্রতিকূল পরিবেশেও বেচে থাকে। মানুষের চেয়ে প্রায় দশ গুন বেশী মাত্রার তেজস্ক্রীয়তা সহ্য করতে পারে প্রাণীটি। আর এ সব উদাহারণ চরম প্রতিকুল পরিবেশেও প্রাণের অস্তিত্বের স্বপক্ষে রায় দেয়।যদিও এখনো পর্যন্ত আমরা পৃথিবীর বাইরের প্রানের অস্তিত্বকে প্রমাণ করতে পারিনি তবে এই সম্পর্কিত বেশ কিছু ধারণা প্রতিষ্ঠা করা গেছে । যেমন ফার্মির প্যারাডক্স বা ফার্মির হেঁয়ালি । এটি আসলে একধরণের অসামঞ্জস্যতাকে নির্দেশ করে।

 

মহাবিশ্বের আকার এবং বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে বহু সংখ্যক উন্নত বহির্জাগতিক প্রাণের সম্ভাব্য উপস্থিতি।কিন্তু এই ধারণা অযুক্তিযুক্ত প্রতীয়মান হয়, কারণ পর্যবেক্ষণগত ফলাফল তা সমর্থন করে না।এর পরেই বলা যেতে পারে বিজ্ঞানী ফ্রাঙ্ক ড্রেকের কথা। তিনি একটি সমীকরণ দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছিলেন ফার্মির প্যারাডক্সের বিপরীতে। তিনি তার সমীকরণে তারকা সৃষ্টির হার, গ্রহ সংবলিত তারকা সৃষ্টির হার, বাসযোগ্য গ্রহ সৃষ্টির হারের মত বিভিন্ন জটিল গাণিতিক হিসাবকে একত্রিভূত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তার সমীকরণটি যতটা না গাণিতিক তার চেয়ে অনেকটাই অনুমান আর সম্ভাব্যতাকেন্দ্রিক। ড্রেক ,কার্ল সেগানদের মত বিজ্ঞানিদের হাত ধরেই গড়ে উঠে মহাকাশে বুদ্ধিমান প্রাণী খোজার সংস্থা সার্চ ফর এক্সট্রাটেরিস্ট্রিয়েল ইন্টেলিজেন্স বা সেটি’র।এই সংস্থা নিরন্তরভাবে মহাকাশ পর্যালোচনা করে যাচ্ছে,খুজে চলেছে উন্নত কোন সভ্যতার।পুরো গল্পটা পড়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ।

Comments