পর্বঃ১
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে বিঞ্জানী লুইস পাস্ত্তর সম্পর্কে অজানা গল্প আলোচনা করবো।আপনার হয়তো বিঞ্জানী লুইস পাস্ত্তর এর নাম অনেকেই শুনছেন।কিন্তু প্রকৃত অর্থে বিঞ্জানী লুইস পাস্ত্তর ছিলেন একজন চিকিৎসা বিঞ্জানী।তিনি চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিপল্বের জন্য নোবেল পুরস্কার ও পেয়েছেন।তার নাম জনমুখে শোনা না গেলেও তিনি আমাদের এমন একটা জিনিস আবিস্কার করে গেছে যেটার জন্য মানুষ খুব সহজেই একটা ভয়ংকর রোগ থেকে মুক্তি পায়।আজকে তার সম্পর্কে এ ধরনের আরো অনেক অজানা কিছু বললো।গল্পটি আকর্ষনীয় করে তোলার জন্য কয়েকটি পর্বে বিভক্ত করে লেখার চেষ্টা করবো।আপনারা পড়ে অবশ্যই নতুন কিছু জানতে পারবেন। সকলকে পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য জানাচ্ছি।
বিঞ্জানী লুইস পাস্ত্তর
চিকিৎসা বিঞ্জানী লুইস পাস্ত্তর এর জন্ম ফান্সে জন্ম গ্রহণ করেন।তার বাবা ছিলেন একজন চামড়া ব্যবসায়ী।তার বাবার ইচ্ছা ছিল সে ভালো শিক্ষিত হয়ে উঠোক।এজন্য তাকে উচ্চ শিক্ষার জন্য শহরে পাঠানো হয়।গ্রামের মুক্ত বাতাসে বেড়ে ওটা লুইস কিছুতেই শহরের দম বন্ধ করা পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারছিল না।মাঝে মাঝে সে অসুস্থ পড়েছে।তার শিক্ষা জীবনীর সব পড়াশোনা খুবই দ্রুত শেষ করেন।ফান্সে তখন প্রচুর মত তৈরির কারখানা ছিল। আর এই মত থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব পেত সরকার।
একদিন বিঞ্জানী লুইস পাস্ত্তর একটা মদের কারখানায় গেলেন,তিন ভালো মদ ও খারাপ দুই মদই ভালো করে পরীক্ষা করলেন।দুই মদ পরীক্ষা করার পর সে জানতে পারলো।ভালো মদের মধ্যে গোল ক্ষুদ্র একধরনের পদার্থ আছে,আর খারাপ মদের মধ্যে লম্বা ক্ষুদ্র পদার্থ আছে।বিঞ্জানী লুইস পাস্ত্তর আবিস্কার করলেন যে কোনো পারপার্শ্বিক কারণে গোলাকৃতি পদার্থটি লম্বাকার ধারণ করছে,এর ফলে মদ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।দীর্ঘ দশ বছর গবেষণার মাধ্যমে সে জানতে পারলো বতাসের মধ্যে রয়েছে অদৃশ্য জীবাণুর দল,যারা ভালো মদের সংস্পর্শে এসে তার মধ্যে পচন সৃষ্টি করছে।এত দিন ধারণা ছিল এই সমস্ত জিনিসের জন্ম আপনা থেকে কিংবা অন্য অজৈব পদার্থ থেকে।তিনি এই প্রচলিত ধারণা ভেঙে নতুন ধারণার জন্ম দিলেন।আজকের পর্ব এখানেই শেষ করতে হচ্ছে বাকি গল্পটা জানার জন্য আপনাদেরকে পরবর্তী পর্বে নজর রাখতে হবে।আজকের পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্যক ধন্যবাদ জানচ্ছি।

