পর্বঃ৬
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের রহস্যময় একটা ট্রেন যাত্রার গল্প শেয়ার করবো।রহস্য ও ভয়ংকর সব কাহিনীতে ভরপুর পুরো গল্পটি।গল্পটি রহস্যময় হওয়ার পাশাপাশি ভয়ংকর গল্প ও বটে।যারা দূর্বল হ্রদয়ের মানুষ তাদের এই গল্প পড়া থেকে বিরত থাকা উচিত।আর যারা রহস্যের পর্দা ভেদ করতে চা।তারা সকলেই গল্প টি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।
পঞ্চম পর্বের পর থেকে শুরু হচ্ছে,মেয়েটি ডাক্তার দলের ওই সদস্যদের ঘা দেখে বললো।এটা একটা ছোয়াছে রোগ।আমাদের মধ্যে যাদেরকে ইঁদুর কামড়েছে তাদেরকে কোয়ারান্টাইন এ নিতে হবে।না হলে একে একে সকলের এই রোগ হবে সবাই অসুস্থ হয়ে মারা যাবে।তখন ট্রেনের সকলেই নিজেদের শরীর চেক করা শুরু করে।কাদের কাদের ইঁদুর এ কামড়াছে।তখন মেডিকেল এর মেয়েটিও দেখতে পারে তার ছোট ভাইয়ের গায়ে ইঁদুর এ কামড় এর দাগ রয়েছে।ট্রেন সবাই আতক্ষে চিৎকার করতে থাকে।তখন লোকটি চিৎকার করে বলে কেউ ভয় পাবেন না এর ঔষধ আমি জানি।সে বলে সে এই প্রদেশের হেল্প ডিপার্টমেন্ট এ চাকরি করে।গত মাসে ইংল্যান্ড থেকে এই রোগের কিছু ঔষধ ওডার করেছিলাম।সেগুলো আমাদের সামনের স্টেশন এর হাসপাতালেই থাকার কথা।
এই কথা শুনে ডাকাত দলের সবাই সহ আনন্দ করতে থাকে। এই কথা শুনে আর্মির প্রধান ফাঁকা একটা গুলি ছুড়ে বলে ট্রেন এখানে থামবে না। যেই স্টেশনে থামার কথা বলছেন।সেই স্টেশনটি পুরোপুরি বিদ্ধস্ত।সেখানে থামলে আমাদের সকলের জীবনের সংকা থাকবে।ডাকাত দলের একজন যেহেতু অসুস্থ তাই তারা বিদ্রোহ করে বসে।তারাও তাদের বন্ধুক বের করে আর্মি প্রদান করে জিম্মি করে ফেলে।ডাকাত দলের সর্দার ট্রেন থামাতে বাধ্য করে এবং বলে যেহেতু আমরা এখন ও ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হই নি আমরা পাশের কামড়াই চলে যাই।আর যারা আক্রান্ত হয়েছি তারা এখানেই থাকি না হলে এই ভাইরাস তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়বে।আজকের পর্ব এই পর্যন্ত। পুরো গল্পটা পড়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ।

