বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আশা করি সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের বিঞ্জানী টমাস আলভা এডিসন এর জীবনের মজার কিছু কাহিনী নিয়ে লিখেবো।আপনারা হয়তো সকলেই চিনেন বিঞ্জানী এডিসন কে।তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে ধ্বনী বিঞ্জানী ছিলেন।তার আবিস্কারের সংখ্যাও অন্যান্য বিঞ্জানীর থেকে অনেক বেশি।সবাই মনোযোগ সহকারে পুরো গল্পটা পড়বেন। আশাকরি গল্পটা সকলের ভালো লাগবে।
বিঞ্জানী টমাস আলভা এডিসন
বিঞ্জানী এডিসন এর জীবন ছিল খুবই পরিশ্রমী।জীবনে হকারই থেকে শুরু করে, কারখানার কর্মী ও পড়ে ম্যানেজার সহ বিভিন্ন পদে চাকুরি করেছেন।একদিন টেলিগ্রাফের জন্য আধুনিক যন্ত্র তৈরি করে একটি কোম্পানির মালিকের কাছে গেলেন।মালিক বিঞ্জানী এডিসন এর কাছে দাম জানতে চাইলো। কিন্তু তিনি কিছু বললেন না শুধু মুচকি হাসি দিলেন।কোম্পানির মালিক তাঁকে চল্লিশ হাজার ডলার দিয়ে দিলেন।
তাঁর মায়ের মৃত্যুর অনেক দিন পর একদিন পুরোনো কাগজ নাড়াচারা করছিল এডিসন।ভাজ করা চিঠিতে লেখা ছিল।আপনার সন্তান স্থুলবুদ্ধি সম্পন্ন,সে এই স্কুলের উপযুক্ত নয়,তাকে কোনো ভাবেই আর আমাদের স্কুল এ আসতে দিতে পারি না।এডিসন রা সাত ভাই বোন ছিলেন।এডিসন সবার ছোট ছিলেন।
এডিসন নিয়ে একটা প্রচলিত কথা আছে, সফল ভাবে বৈদ্যুতিক বাতি তৈরি করতে ১০ হাজার বার ব্যর্থ হয়েছিলেন তিনি।তবে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,আমি অনেক গর্বিত কারণ আমি এমন কোনো কিছুই আবিস্কার করিনও,যা দিয়ে মানুষকে খুন করা যায়।
টমাস আলভা এডিসন এর মৃত্যু এর পর নিউইয়র্ক প্রত্রিকায় ছাপা হয়েছিল মানব সভ্যতার ইতিহাসে টমাস আলভা এডিসন এর মাথার দাম সবচেয়ে বেশি।কারণ এমন সৃজনশীল মেধা আর কোনো মানুষের মধ্যে কখোনো দেখা যায় নি।তার নিঃশ্বাস সংরক্ষণ করা হয়েছে একটা টেস্টটিউব এ সেটা সংরক্ষণ করা হয়েছে একটি জাদুঘর এ।তার নামে একটি শহর, তিনটি কলেজ,কয়েকটি উচ্চ বিদ্যালয়,তিনটি সেতু এবং একটি হোটেল রয়েছে নিউইয়র্কে এ।
এডিসন তার ডায়রিতে লিখেছিলেম,টমাস আলভা এডিসন একজন স্থূলবুদ্ধীসম্পন্ন শিশু ছিলেন।একজন অাদর্শ বান মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি শতাব্দীর সেরা মেধাবী হয়ে উঠেন।আশা করি টমাস আলভা এডিসন এর জীবন থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পেরেছি।অধম্য ইচ্ছা শক্তির দ্বারা মানুষ যে কোনে অসাধ্য কাজ কে সাধন করতে পারে।আজকের গল্প এই পর্যন্তই।

