পর্বঃ১
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে জগৎ বিঞ্জানী গ্যালিলিওর অজানা আবিস্কার নিয়ে গল্প লিখবো।আপনারা যারা আমার প্রতিটা গল্প পড়েন। তারা ইতিমধ্যেই হয়তো যেনে গেছেন আমি বিঞ্জান সম্পর্কিত গল্প লিখতে পছন্দ করি।যত টুকু জানি আমি ঠিক তত টুকুই আপনাদের জানানোর চেষ্টা করি।বিঞ্জানের উন্নতির ফলেই আজকে আমরা আজকে এত উন্নত জাতিতে পরিণত হয়েছি।আজকের পুরো গল্পটা পড়বেন আশা করি অনেক কিছু শিখতে পারবেন।
বিঞ্জানী গ্যালীলিও
জগৎ বিখ্যাত বিঞ্জানী গ্যালীলিও জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ইতালিতে।ইউরোপ এর আলোড়ন যুগে জন্মগ্রহণ করে বিঞ্জানী গ্যালীলিও।তখন ছাপা খানা তৈরি হওয়ায় সস্তায় বই পত্র বিক্রি শুরু হয়েছে।প্রকৃতির নানা বৈচিত্র্য আবিস্কার এর নেশা পেয়ে বসেছে মানুষ কে।গ্যালিলিও এর জীবনেও লেগেছিল এই আলোড়ণ এর ছোয়া।ছোটবেলা থেকেই নানা দিকে নানান কিছু আবিস্কার এর উৎসাহ লক্ষ্য করা গেল তার মধ্যে।তিনি পেশায় একজন ডাক্তার ছিলেন।একদিন তিনি গ্রীর্জায় গিয়েছিল,এদিক ওদিক তাকাতে তার চোখ পড়লো সুন্দর এক ঝার বাতির দিকে।ঝার বাতিটি হওয়ায় দুলছিল।দুলতে দুলতে কখোনো সে সেটা সরে যাচ্ছিল বেশ খানিকটা দূরে কখোনো বা অল্প কিছু দূরে।গ্যালিলিও এর মনে হলে ঝার বাতি দোলা কম হোক বা বেশি হোক প্রত্যেক টা দোলা একই সময় লাগলে।ডাক্তারী পড়তে গিয়ে তিনি শিখে ছিলেন স্বাভাবিক অবস্থায় আমাদের নাড়ির স্পন্দন।
গ্যালিলিও নিজের নাড়ি টিপে ধরে,ঝার বাতির এক একটা দোলা নিজের স্পন্দন এর কত সময় নিচ্ছে তা মাপতে শুরু করলেন।আর আশ্চর্য হয়ে দেখলেন দোলা যত ছোট বা বড় হোক না কেন প্রতি দোলায় একই সময় নিচ্ছে।এমনি করে গ্যালিলিও প্যান্ডলামের নিয়ম আবিস্কার করে ফেললেন।নিখুঁত ভাবে সময় মাপার এক নিয়ম জানা গেল।ডাক্তারী পড়ার এত আগ্রহ ছিল না তার। আর এই পড়া শেষ করার মতো প্রচুর টাকাও ছিল না তার।তাই তিনি ডাক্তারী পড়া বাদ দিয়ে গণিত পড়তে শুরু করলেন।তিনি আর কিছু বছরের ব্যবধানে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত এর অধ্যাপক হলেন।সেকালে গণিত পড়ানোর মানে ছিল শুধু কাগজে কলমে আঁক কসা কিন্তু গ্যালিলিও এর ঝোঁক ছিল সব হাতে কলমে পরীক্ষা করা।গণিতের সূত্র তিনি যাচাই করতে চাইতেন নানা ধরনের পরীক্ষা করে।আজকের পর্ব এখানেই শেষ করতে হচ্ছে।পুরো পর্বটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ।

