বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে কিস্টোফার কলম্বাস সম্পর্কে কিছু কথা বলবো।আপনারা সকলেি হয়তো কিস্টোফার কলম্বাস এর নাম শুনেছেন।তিনি একজন সমুদ্র ভ্রমণ যাত্রী ছিলেন।সমুদ্রে ভ্রমনে তার ছোট বেলা থেকেই আলাদা আগ্রহ ছিল।সেরি প্লাটফর্মের যারা আমার পোস্ট পড়েন,তারা অবগত আছেন যে, আমি কিছু দিন যাবত সেরি প্লাটফর্ম এ একটিভ ছিলাম না।এখন আবার আগের মতো একটিভ আছি,আশা করি সবাই আমাকে আগের মতো সার্পোট করবেন।আর সবাইকেই পুরো গল্পটা মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
কিস্টোফার কলম্বাস এর সমুদ্র অভিজান
একবার স্পেনের রাজার অনুরোধে পৃথিবী গোলাকার নাকি সে সম্পর্কে মত বিরোধ দূর করার জন্য সমুদ্র অভিজানে নেমে পড়ে সে।সমুদ্র অভিজান শুরুর কিছু সময় পরই নাবিক দের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়।নাবিকরা উদ্দেশ্যহীন ভাবে তার সাথে চলতে আপত্তি জানায়।একসময় তারা বিদ্রোহ করার ও চেষ্টা চালায়।এতে হতাশ না হয়ে তাদের সবাই কে সাহস জোগান কলম্বাস।কলম্বাস তাদের বলেন,শীর্ঘই ডানার সন্ধান মিলমে,তার কিছু দিন পর ই সকাল বেলায় সমুদ্রের মধ্যে ডানার সন্ধান পেল তারা।ইকটু পরেই তিনটি জাহাজের ক্যাপ্টেন বন্ধুকের গুলি জানান দিল মাটি দেখা গিয়েছে।
এভাবে আমেরিকার মহাদেশের মাটিতে প্রথম পা রাখেন কলম্বাস।আবিষ্কার করেন নতুন এক অধ্যায়। তবে এসময় তার সঙ্গীরা মনে করেন তারা ভারতের কোনো দ্বীপে পৌছেছেন।প্রকৃতপক্ষে তারা পৌছেছিলেন বাহামাতে।আজও পর্যন্ত এই অঞ্চলের দ্বীপগুলোকে বলা হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ। আমেরিকা মহাদেশের আদি বাসিন্দাদের রেড ইন্ডিয়ান বলা হতো।প্রথম অভিজানের পর একটি জাহাজ পরিত্যাগ করা হয়।পরে ওইটা ওকানে ডুবে যায়।কলম্বাবাস স্পেন থেকে মোট চার বার আমেরিকা মহাদেশে অভিজান চালিয়েছে।এর পর তিনি মহাদেশের ভূখন্ডেও পৌছান।কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি বুঝতে পারেন নি নতুন এক মহাদেশে পৌছেছে।এত কিছুর পরও শেষ জীবনটি খুব খারাপ কেটেছে কিস্টোফোর কলম্বাস এর।দেশের জন্য প্রচুর সম্পদ বয়প আনার পরেও রাজার রোসানলে পড় তাকে কারাবরণ করতে হয়।শেষ জীবনটাও কাটে দারিদ্র্যের কোসাঘাতে।তবে বিতর্ক যাক হোক না কেন আমেরিকা মহাদেশ আবিস্কার শুধু তার জন্যই হয়েছে।তাই তাকে বলা হয় নতুন পৃথিবীর পথপ্রদর্শক। সকলকে অনেক ধন্যবাদ মনোযোগ সহকারে পুরো গল্পটা পড়ার জন্য।

