source
তাহলে বোঝাই যাচ্ছে শুধুমাত্র সিরিজ জয় এবং রেটিংয়ে এগিয়ে থাকার জন্যই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড টেকনিকে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড করার ছক কষেছে। সামনেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিকল্পনা কি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রস্তুতি কেমন কারণ দীর্ঘদিন পিসি অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ধীর গতির মিস করবে না। তার মানে এটাই দাড়াচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল মোটেও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত অথবা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ভালো পারফর্ম করার মতো যথেষ্ট ফ্রম বাংলাদেশ যে কোন ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অনেক পিছিয়ে আছে।
source
কয়েক বছর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথ চলা শুরু করা আফগানিস্তান ক্রিকেট দল যেখানে টি-টোয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপের জন্য অটো সিলেক্টেড দল হয়ে বুক চিতিয়ে আছে। সেখানে আমাদের বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলতে হলে শুরুতেই বাছাইপর্ব খেলতে হবে ।আফগানিস্তানের সাথে তুলনা করলে এটা আমাদের জন্য চরম লজ্জার একটা বিষয়। তা ছাড়াও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়ে নানা রকম ঝামেলা খবরমাহমুদুল্লাহ রিয়াদের সাথে ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবালের মনোমালিন্যের বিষয়টি অন্তর্কোন্দল এবং মনোমালিন্যের জের ধরেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়িয়েছে তামিম ইকবাল। বেস্ট অপেনের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ওপেনিং সামলানোর মত দক্ষ এবং অভিজ্ঞ কোনো ব্যাটসম্যানই নেই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ক্রিকেট বোর্ড ঘোষণা করেছে তা নিতান্তই সাদামাটা।
source
ওপেনিংয়ে থাকে লিটন দাস এবং মহাম্মদ নাইম কতটুকু সফল সেটা হিসেব-নিকেশ এই বলে দিচ্ছে ।সর্বশেষ 10 টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের লিটন দাসের ব্যাট থেকে এসেছে 13.5 এভারেজের মাত্র একশো পঁয়ত্রিশ এর মধ্যে ছয় ম্যাচে তিনি বের হতে পারেনি শূন্য রানে আউট হয়েছেন দুইবার টি-টোয়েন্টির পারফরম্যান্স বিবেচনা করলে লিটন দাসকে বিশ্বকাপের স্কোর দেখার যুক্তি খুঁজে পাওয়া যাবে না। অন্যদিকে আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম টি-টোয়েন্টির সর্বশেষ দশটি ম্যাচে 19.6 এভারেজে করেছেন 196 ডান্স পারফরম্যান্স না হলেও লিটন দাস এর তুলনায় মোটামুটি ভালো আছে, তবে 19.6 বিশ্বকাপের মতো একটা মঞ্চে যুদ্ধ করতে নামলেও ভুগতে হবে গোটা দলকে। এই জন্য 10 দিনের ক্রিকেটার তামিম ইকবালের প্রয়োজন।
অবশ্যই ওপেনিং এর জন্য দরকার ছিল করতেন আর এক ব্যর্থ পার্সোনাল সমস্যার কারণে বারবার নিজেকে হারিয়ে খুঁজি হাজার ভিতর সর্বশেষ 10 টি টোয়েন্টিতে 16.8 সৌম্য সরকারের সংগ্রহ মাত্র 168 রান। একজন ফুলটাইম ব্যাটসম্যানের এইরকম হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পরেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় আসলে তাকে নিয়ে যুদ্ধ নাম্বারটা নিতান্তই ছেলেমানুষি। আর খেলার আগেই হেরে যাওয়ার প্রিপারেশন ছাড়া আর কিছুই নয়। ওপেনিং এবং ওয়ান্ডারল্যান্ড তিন ব্যাটসম্যান এর পারফর্মেন্স এরকম বাজে হলে খুব স্বাভাবিক চাপে পড়বে দেশ ।সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম এবং অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ একদিকে তারা অন্যদিকে উইকেট ধরে থাকার লড়াই। সবমিলিয়ে ওপেনিং এবং মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান দের ভালো কিছু না হলে। সাকিব-মুশফিক এবং রিয়াজ নবীন বাঘের মত প্রতিপক্ষ শিবিরের সাথে চাইলে দলের কন্দিশনের জন্য জোরেশোরে থাবা দেয়া হবে না। তাদের তাই বলা যায় টি-টোয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপের যুদ্ধ করার প্রস্তুতি আশাব্যঞ্জক নয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ক্রিকেটারদের কনফিডেন্স দেশের ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান বলেই দিয়েছেন টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সুযোগ থাকে মোমেন্টাম যদি আমরা প্রথমের নিতে পারি তাহলে অবশ্যই আমাদের দলে অনেকেই রয়েছেন যারা ভালো করতে পারবেন। তার মানে তার কথাতেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ শুধুমাত্র সুযোগের অপেক্ষায় থাকবেন। এছাড়া বিশ্বকাপের বোলিং সেকশন কে সামাল দিবে মোস্তাফিজুর রহমান সাকিব-আল-হাসান। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড সিরিজে ভালো পারফর্ম করা নাসুম আহমেদ এবং মেহেদী হাসান থাকবে। তারা দুজন বেটার পারফর্ম করলেও দুবাইয়ের ব্যাটিং বান্ধবীকে তাদের বোলিং অ্যাটাক খুব বেশি কার্যকর হওয়ার কথা নয়। দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বালার রুবেল হোসেনকে সাইড বেঞ্চে রাখা হয়েছে যা নিতান্তই হাস্যকর। সব মিলে 2021 এর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অনেকটা তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে নির্বাচক প্যানেল। তারপরে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য বিশ্বকাপের আগাম শুভেচ্ছা থাকবে আমাদের মত। সাধারন হতদরিদ্র বেশি আবেগী দর্শকদের পক্ষ থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের নিয়ে আপনি কতটুকু আশাবাদী। সেটা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না আজ এই পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

