পর যে সময়টাতে ইনস্টিটিউট ছানাগুলো করত ওই সময়টাতে বিছানা গুলোর জন্য আহার সংগ্রহ করতে যেত আরে কিভাবে ইস্ত্রি পাখিটি আর সংগ্রহ করার জন্য গেলে পুরুষ পাখিটি ছানাগুলো উড়তে করত এভাবেই ছানাগুলো যখন 10 থেকে 15 দিন হয়ে যায় তখন ধীরে ধীরে তাদের খাবারের চাহিদা বাড়তে থাকে তাই ছানাগুলো খাবারের চাহিদা মেটাতে প্রায় সন্ধ্যা পর্যন্ত দম্পতি ছাড়া গুলোর জন্য খাবার সংগ্রহ করতে ব্যস্ত থাকতো এভাবেই খুব সুখের চার সন্তানকে নিয়ে তাদের সংসার কাটছিল এরইমধ্যে পাকিস্তানি মরু অঞ্চলে প্রবেশ করেছে কিছু গাড়িবহর একদিন যখন পুরুষ পাখিটি তার সন্তানের জন্য খাবার সংগ্রহ করতে বের হয় তখন আচমকা একটি চিল এসে তাকে হামলা করে বসে আসে নিজেকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করে চলে আহত হয়ে যখন সে নিজেকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে পড়ে ঠিক তখনই একদম সাদা পাঞ্জাবি পরা মানুষের কাছে তার হার মানতে হয় সাদা পাঞ্জাবি পরা মানুষটি চিলের মুখ থেকে পাখিটিকে নিয়ে সে তার গাড়িতে রেখে দেয় আর অন্যদিকে ইস্ত্রি পাখিটির সাথে সাথে তার সন্তানরা অপেক্ষা করতে থাকে তাদের বাবার জন্য কখন তাদের জন্য খাবার নিয়ে আসবে তাদের বাবা কিন্তু দেখতে দেখতে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার
source
পরও তাদের বাবা তাদের জন্য খাবার নিয়ে ফিরেনি এর পরের দিন নিরুপায় হয়ে ইস্ত্রি পাখিটি থানা গুলোর জন্য খাবার সংগ্রহ করতে বের হয় কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেও সাদা পাঞ্জাবি পরা মানুষ রুপী পশু শিকার হয় আর এদিকে ছোট্ট ছানাগুলো তাদের মা-বাবার জন্য অপেক্ষা করতে করতে একটা সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে এভাবে মানুষ রুপী পশু গুলো একটি নিরীহ পাখির সংসার ভেঙে তছনছ করে দেয় এখন প্রশ্ন হলো কি কারনে মানুষগুলো এই পাখিগুলোর শিকার করছে যে সাদা পাঞ্জাবি পরা মানুষগুলোকে তারা হল শহীদ আরবের যুবরাজ তারা প্রত্যেক বছরই শীতের মৌসুমে এভাবে পাকিস্তানি এসে বিলুপ্তপ্রায় বাস্টার্ড পাখিগুলোকে স্বীকার করে নিয়ে যায় এতে তাদের সহযোগিতা করে পাকিস্তানের সরকার প্রতিবছরই কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে তারা সৌদি যুবরাজের এই পাখিগুলোর শিকার করার অনুমতি দিয়ে থাকে আর সৌদির যুবরাজ ওরা পাখিগুলোকে স্বীকার করতে তাদের পোষ মানানো কিছু চিল পাখি ব্যবহার করে থাকে যারা তাদের খুব একটা বাস্টার্ড পাখি শিকার করতে সহযোগিতা করে থাকে তারা এমনটা করার কারণ হলো তারা বিশ্বাস করে এই পাখিগুলোর মাংস খেলে তাদের আয়ু বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে তাদের
যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এভাবেই পাকিস্তানি সরকার সামান্য কিছু অর্থের বিনিময়ে বিলুপ্তপ্রায় হুমায়রা বাস্টার্ড পাখিগুলোকে শিকার করার অনুমতি দিয়ে থাকে সৌদি যুবরাজদেরবন্ধুরা।

