মৌলভী সাহেব ও তার রহস্যময় পরী স্ত্রীর কাহিনী!

M
এটা সেই সময়ের ঘটনা যখন বেশিরভাগ জায়গায় বিদ্যুৎ ছিল না মানুষজন বাতির আলোয় নিজের কাজকর্ম চালিয়ে নিত কাহিনীটা এমন একটি গ্রামের সেখানে 18 থেকে 20 টি ঘর ছিল  গ্রাম একটি মসজিদ এবং একটি মাদ্রাসা ছিল গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে একটা খুব ছিল যার পানি অনেক সুস্বাদু এবং ঠাণ্ডা ছিল যতই করুক না কেন ওই কূপের পানি সবসময় ঠান্ডা থাকতো গ্রামের মানুষজন অনেক ভালো ছিল একজনের বিপদে সবাই এগিয়ে আসত গ্রাম থেকে কিছুটা দূরে একটা ছোট জঙ্গল ছিল জঙ্গলটা বড় বড় গাছি পরিপূর্ণ ছিল গ্রামটা উঁচু জায়গায় হওয়ার কারণে এখানে খুব বেশি পানি যন্ত্রনা এই ঘটনাটি সেই গ্রামে বসবাসকারী একজন মৌলভী সাহেবের তার বয়স খুব বেশি ছিল না দেখতে অনেক সুন্দর ছিলেন মৌলভী সাহেব ছিলেন অবিবাহিত তিনি গ্রামের মেয়েদের খুব সম্মান করতেন তাই গ্রামের সবাই তাকে অনেক ভালোবাসতো এবং সম্মান করতো তিনি গ্রামের ছেলে মেয়েদের কুরআন শিক্ষা দিতেন গ্রামের মানুষকে তিনি বিভিন্ন জরিবুটি চিকিৎসা করতেন তার নাম ছিল জামিল তিনি খুব সকাল সকাল ফজরের আযানের জন্য মসজিদে চলে যেতেন গ্রামের সব মানুষেরাই নামাজ পড়তো ভন্ড পীর সাহেবের পাচ্ছিল সকালবেলা মসজিদে গিয়ে ছাড় দেওয়া 

এবং এরপর আজান দিয়ে নামাজ পড়ানো ফজরের নামাজ শেষে তিনি মাদ্রাসার বাচ্চাদের কোরআনের তালিম দেবে সন্ধার সময় তিনি জঙ্গলে গিয়ে কোরআন তেলাওয়াত করতে সবাই এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলতেন এই সময়টায় এই জায়গায় কুরআন তেলাওয়াত করলে আমি হৃদয়ের প্রশান্তি পারি একদিন তিনি সন্ধ্যার সময় জঙ্গলে গিয়ে কোরআন তেলাওয়াত করার সময় কিছু একটা শব্দ পান প্রথম দিকে তিনি খুব একটা গুরুত্ব দেননি কিন্তু যখন আওয়াজটা বারবার আসতে থাকলো তখন তিনি জঙ্গলের ভেতরে গিয়ে দেখে একটা হরিণ আহত হয়ে জঙ্গলের মধ্যে পড়ে আছে মৌলভী সাহেব সঙ্গে সঙ্গে জঙ্গলের লতাপাতা হরিণের শিং ক্ষত জায়গায় লাগিয়ে তার এতে হরিণটা খুব আরাম পায় আর কোন আওয়াজ করছিল না মৌলভী সাহেব তখন আল্লাহতালা শুকরিয়া আদায় কারণ তার কারণে একটা অবলা প্রাণী জীবন বেঁচে গেছে পরক্ষণই তিনি ভাবতে থাকেন এই জঙ্গলে পাখি ছাড়া অন্য কোনো প্রাণী নেই তাহলে এই হরিণ কোথা থেকে আসলো এটা ভাবতে থাকি যে হতে পারে পাশের জঙ্গল থেকে খড়িকা এসে পড়েছে পরের দিন একই সময়ে তিনি ওই জায়গায় এসে কুরআন তেলাওয়াত করতে লাগলে অর্থতত্ত্ব ঘটনা ঘটে আজমিরা এখানে এসে মৌলভী সাহেবের পায়ে চুমু দিতে 

থাকে আশা ভালোবাসা দৃষ্টিতে নবী সাহেবের দিকে দেখছিল যতক্ষণ পর্যন্ত বলবি সাহেব কোরআন তেলাওয়াত করলে ততক্ষণ পর্যন্ত পড়া তার কাছে বসে ছিল মোলবি সাহেব কোরআন তেলাওয়াত করা শেষ করে উঠে যেতে পর্যন্ত চলে গেল এই ঘটনার প্রতিদিন করতে থাকলো মৌলভী সাহেব যখনই জঙ্গলে গিয়ে কোরআন তেলাওয়াত করতেন তখন ইন্টার কাছে আসতো মৌলভী সাহেব প্রথমে কোনটা খেতে দেওয়ার জন্য কিছু একটা নিয়ে যেতেন মৌলভী সাহেব হরিণটিকে দেখতে পেলেন না কিন্তু সুবোধ উপরের একটা মেয়ের হাসির আওয়াজ মৌলভী সাহেব এদিক-ওদিক তাকিয়ে কাউকে না দেখতে পেয়ে গ্রামে চলে আসলেন জুবায়ের নামের একজন এই গ্রামে বসবাস করত একদিন অনেক ভালো অবস্থায় মৌলভী সাহেবের কাছে আসলো মৌলভী সাহেব আমার ছেলেকে বাঁচান মৌলভী সাহেব অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলে আপনার ছেলের কিন্তু দুবার কিছুই বলতে পারলোনা মৌলভী সাহেব তার সঙ্গে কিছু জরিবুটি নিজের বাড়িতে চলে গেলেন তার 11 বছরের ছেলে একটা খাটে শুয়ে ছিল কিন্তু তার গায়ে রঙিন হয়ে যাচ্ছিল তখন বলল গ্রামের ছেলেদের সঙ্গে খেলতে খেলতে হঠাৎ করে আমার ছেলেটা দৌড়ে বাড়িতে চলে এসেছে ওর সম্পুর্ন শরীর অনেক জ্বলছে মৌলভী সাহেব বললে অবশ্যই কোন বিষাক্ত প্রাণীর 

কামড়ে দিয়েছে মনে সবকিছু জরিবুটি শিক্ষত জায়গায় লাগিয়ে দিলেন কিন্তু এতে কোন কাজ হলোনা চিন্তিত হয়ে পড়লেন তিনি সবাইকে বাইরে যেতে বলে আর কুরআন তেলাওয়াত করতে থাকলেন এরপর তিনি আল্লাহর দরবারে হাত তুলে বললেন আল্লাহ তুমি রক্ষা করো তখনই হঠাৎ করে তিনি শেষ গন্ধটা পেলে যাকে না তিনি জঙ্গলে পেয়েছিলেন এরপর হঠাৎ করে ছেলেটি চোখ খুললো এটা দেখে মৌলভী সাহেবের চোখ দিয়ে পানি পড়তে থাকলো আল্লাহর অনেক শুকরিয়া আদায় করলেন সন্ধ্যাবেলায় মৌলভী সাহেবের কোরআন তেলাওয়াত করার সময়ে আবারো সেই সুগন্ধ পেলেন তিনি দুই একটা ছায়া দেখতে পেলেন যা কিনা দেখতে আকাশের দিকে চলে গেল পরেরদিন ফজরের সময় মৌলভী সাহেব মসজিদে গিয়ে দেখতে তো আগে থেকেই বাতি জ্বালিয়ে দাও ছিল এবং সম্পূর্ণ মসজিদ পরিষ্কার করে রাখা হয়েছিল তিনি আশেপাশে তাকিয়ে কাউকে দেখতে পেলেন না একদম হতবাক হয়ে গেলেন বাচ্চাদের কোরআনের তালিম দিয়ে তিনি বাড়িতে এসে একই সুগন্ধ পেটে থাকলে দেখতে পেলেন টেবিলের উপরে গরম গরম রুটি এবং হালুয়া রাখা রয়েছে মানুষের সঙ্গে সঙ্গে কোরআন তেলাওয়াত করতে শুরু করলেন এরপর তিনি বললেন এখানে যেই থাক না কেন আমার সামনে এসো তখন একটা সাদা আলো 

দেখা গেল যে আমি দেখেছি খুব সুন্দর একটা মেয়ে তে পরিণত হল বেটি লম্বা লম্বা চুল গোলাপি ঠোঁট নীল চোখ এবং মুক্তার মত দাঁত দেখিয়ে তাকে জান্নাতের হুরের মত লাগছিল মৌলি ভীষণ অবাক হয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তুমি আর আমার কাছে কি চাও মে বলল আমি একটা পরী যখন থেকেই আপনাকে দেখেছি তখন থেকেই আমি আপনাকে ভালবাসতে শুরু করেছি যে হরিণকে আপনি বাঁচিয়েছিলেন সেটা আমি ছিলাম আপনার মহানুভবতা দেখে আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি আপনি এটা যেন অবাক হবেন যে আমার বয়স 12 বছর আমি তখন থেকেই আপনাদের বংশের লোক এদের চিনে যখন থেকে আমরা পৃথিবীতে আসতে শুরু করে একটা জাদুকর আমাদের কয়েকজন বোনকে আত্ম ফেলেছিলো তখন আপনার পর দাদা আমাদের মুক্ত করেছিলেন এরপর থেকেই আমি তার খেদমত করতে থাকি আর ধীরে ধীরে আপনাদের বংশের সবার খেদমত করে আসছি আপনি কি দেখার পরই আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি আমি আপনাকে ভালোবেসে ফেলেছি তখন বলবে সবাই বলে কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব আমি একজন মানুষ আর তুমি চুপ করে পরিচিত কোন বলল কেন সম্ভব নয় আল্লাহতায়ালা প্রত্যেকটা মানুষকে তার মধ্যে ভালোবাসা দিয়েছ আমি আপনাকে শুধুমাত্র ভালোই বাসিনি আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই আপনি 

কোন চিন্তা করবেন না শুধুমাত্র আপনি ছাড়া আমি কারো সামনে আসব না আমি সব সময় আপনার পাশেই থাকবো মৌলভী সাহেব কিছুটা পেরেশান হয়ে বললেন আমাকে কিছুটা সময় দাও এসব সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে নেওয়া যায় না আমার তুমি অন্তরে তোমার নাম কি পরিচয় বলল আপনি আমাকে মিলন বলে ডাকতে পারে বলেই পড়েছি গায়েব হয়ে গেল সেই রাতে অনেক ঝড় বৃষ্টি হয়েছিল মোলবি সাহেব নিজের ঘরে শুয়ে থেকে বইটির কথা ভাবছিলেন এখন আমার কি করা উচিত পরিচিতি আমাকে অনেক ভালোবাসে ওর সঙ্গে আমার বিয়ে কিভাবে সম্ভব মৌলভী সাহেব কিছুই ভাবতে পারলেন না তিনি সঙ্গে সঙ্গে উঠে কোরআন তেলাওয়াত করতে থাকেন এরপর তিনি আল্লাহর দরবারে দোয়া করতে থাকলে আল্লাহ তুমি সবসময় আমাকে সাহায্য করেছ এইসময় তুমি আমাকে সাহায্য করো এই দোয়া করতেই মৌলভী সাহেব গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দেখে বৃষ্টি থেমে গেছে এবং আকাশ পরিষ্কার হয়ে গেছে মৌলভী সাহেব মসজিদে গিয়ে দেখলেন গত দিনের মতোই বাতি জ্বলছে এবং সম্পূর্ণ মসজিদ পরিষ্কার করে রাখা হয়েছে এরপর তিনি কোরআন তেলাওয়াত করতে নিলাম তার কাছে এসে দাড়ালো নামাজের ওয়াক্ত হয় মুসলমান মসজিদে আসতেই নিলাম গায়েব হয়ে গেল 

মাদ্রাসা থেকে মৌলভী সাহেব বাড়িতে গিয়ে দেখলেন বৃষ্টির কারণে ঘরের দেওয়াল ভেঙে গেছে আবার যদি বৃষ্টি হয় তাহলে তার ঘরের মধ্যে পানি পড়বে তিনি বুঝতে পারছিলেন না তিনি কীভাবে এ দেওয়ার মেরামত করবেন ঠিক তখনই নিলম্বের সামনে এসে জিজ্ঞাসা করল মোলবি সাহেব আপনি কি সিদ্ধান্ত নিলেন মৌলভী সাহেব বললেন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমি তোমাকে বিয়ে করব একথা শুনেই পরীটির মুখ লজ্জায় লাল হয়ে গেল তাকে অনেক খুশি দেখাচ্ছিলো এ প্রসে মৌলভী সাহেবের মুখের দিকে তাকিয়ে দেখে তাকে কিছুটা পেরেশান দেখাচ্ছে নিলাম তাকে জিজ্ঞাসা করল মৌলভী সাহেব আপনাকে এতোটা পেরেছেন দেখাচ্ছে কেন মৌলভী সাহেব তখন তার ঘর মেরামত আলিকশা বলে তখন নিলাম বলল আপনি কোনো চিন্তা এইতো নিলাম দেওয়ালের দিকে তাকাতেই দেখি আগের মত হয়ে গেল মৌলভী সাহেব এটা দেখে একদম হতবাক হয়ে গেলেন পরদিন সকালবেলা মসজিদে দেখলে একদম বদলে যাচ্ছে তিনি বুঝতে পারলেন এটা নিলামের কাজ একজন মুসলমান মসজিদে চেহারা দেখে জিজ্ঞাসা করলে বলবি সাহেব বলে আল্লাহর ইচ্ছায় সবই সম্ভব সেদিন রাতের বেলা মূল বিষয় বাসায় এসে দেখলেন তাঁর খাবার একদম রেডি রয়েছে তিনি খাবার খেয়ে আল্লাহ শুকরিয়া আদায় করার 

পরের খাটে উঠে বসলে নিলাম এসে হাজির হলো মন বিষয়ে বলেন এখন আমার ঘুমানোর সময় তুমি তুমি কি করছ তখন পড়ি কি লজ্জায় লাল হয়ে গেল সে বলল মৌলভী সাহেব আজ আমাদের বিয়ে মৌলভী সাহেব অবাক হয়ে বললেন এটা কিভাবে সম্ভব আমি তো কোনো ব্যবস্থাই করিনি পরীটি বলল আপনি কোন চিন্তা করবেন না সকল ব্যবস্থা করা হয়ে গেছে আপনি শুধুমাত্র আমার হাতটা ধরে মৌলভী সাহেব কাঁপতে কাঁপতে তার হাত ধরল আর পরীটির চোখের দিকে তাকালো তখন চারদিক আমার জন্য তো আসা হয়ে গেল মৌলভী সাহেব দেখলেন তিনি অন্যত্র পৃথিবীতে চলে এসেছে অপরূপ সুন্দর এই পৃথিবী তার কাছে সবকিছুই স্বপ্নের মত মনে হচ্ছিল এরপর নিলাম মৌলভী সাহেবের চোখের দিকে তাকাতেই মৌলভী সাহেবের অবস্থার পরিবর্তন হয়ে গেল তাতে কোন সাহায্য তার চেয়ে কোন অংশে কম মনে হচ্ছিল না ছোট ছোট বাচ্চারা তাদের মোবারকবাদ জানাচ্ছি লোক কিছুক্ষণ পরে একজন বুজুর্গ ব্যক্তি আসে তাদের বিয়ে পড়িয়ে দিলেন মৌলভী সাহেব এরপর নিলামের চোখের দিকে তাকাতেই তিনি দেখতে পেলেন তিনি নিজের ঘরে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি একদম অবাক হয়ে গেলেন তিনি দেখতে পেলেন তার সম্পূর্ণ ঘর ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে চারদিক থেকে শুধু সুগন্ধ আসছিল পরেরদিন 

মৌলভী সাহেব মাদ্রাসায় ছুটি দিয়েছিলেন তিনি অনিয়ম জঙ্গলে যে জায়গাটিতে আসলে যেখানে প্রথমবার তাদের সাক্ষাৎ হয়েছিল নিলাম এরপর তার পৃথিবীর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে মৌলভী সাহেব বললেন তোমাদের পৃথিবী আমার কাছে স্বপ্নের মতো মনে হয়েছিল তবে তুমি আমাকে কখনো ছেড়ে যাবে না তো উত্তর মিলল না মৌলভী সাহেব কখনোই আপনাকে ছেড়ে যাবো না তবে প্রয়োজনে আমাকে আমার পৃথিবীতে যেতে হবে এভাবেই অনেকক্ষণ কথা বলে তারা বাড়িতে ফিরে আসলেন রাতে আবারো বৃষ্টি শুরু হলো সকাল বেলা নামাজ শেষে গ্রামের লোকজন মৌলভী সাহেব কে বলল গত রাতের বৃষ্টিতে তাদের ঘরবাড়ি অনেক ক্ষতি হয়েছে মৌলভী সাহেব তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখলেন আসলে তাদের ঘরবাড়ি অনেক ক্ষতি হচ্ছে এসব দেশে মূল বিষয়বস্তু তাদের এই বলে সান্ত্বনা দিলেন যে আল্লাহর উপর ভরসা কর সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে তিনি অনেক পেরেশান হয়ে বাড়ি ফিরলেন বাড়িতে ফিরে আসতেই মিলন তার মনের অবস্থা বুঝতে পারল মৌলভী সাহেব তার কাছে সবকিছু খুলে বলে তখন নিলাম বলল আপনার হৃদয় অনেক বড় আপনি অন্যের কষ্ট সহ্য করতে পারেন না আপনি কোন চিন্তা করবেন না গ্রামের সব মানুষ টা দেখুন আর তাদের বলুন সবার বাড়ি মেরামত করে দেওয়া 

হবে আর বৃষ্টিতে কারো বাড়ির কোন ক্ষতি হবেনা মৌলভি সাহেবকে জিজ্ঞাসা করলে কিন্তু এসব কীভাবে হবে তখন নিলাম মরবি সাহেবকে যা বলেছিল মৌলভী সাহেব গ্রামের সবাইকে তাই বললে গ্রামবাসীর মধ্যে থেকে একজন বলে মৌলবী সাহেব আমাদের কাছে অত টাকা নেই তখন মূল বিষয় আপনাকে ভরসা দিয়ে বলে আল্লাহর উপর ভরসা রাখ সব কিছু ঠিক করে দেবেন এরপর সবাই চলে গেল মৌলভী সাহেব বাড়িতে ফিরে কোরআন তেলাওয়াত করতে শুরু করলেন তখন নিল মূল্য আপনি কোন চিন্তা করবেন না আল্লাহর রহমতে সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে পরের দিন মৌলভী সাহেব দেখলেন গ্রামের সবার বাড়ি ঠিক আছে মোলবি সাহেব এবার কিছুটা ভয় পাচ্ছিলেন কারণ গ্রামের সবাই এই ঘর মেরামত এর বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে কি উত্তর দেবেন তিনি খুব দ্রুত বাড়িতে গিয়ে পৌঁছালেন তখন নিলাম বলল দেখলেন তো আল্লাহর রহমতে সব কিছু ঠিক হয়ে গেছে মূল বিষয় তখন বললে কিন্তু আমার এই ভেবে চিন্তা হচ্ছে যে গ্রামের লোকজন এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে আমি কি উত্তর দেব উত্তরটি নীলাম্বরী বই সাহেব আপনি কোন চিন্তা করবেন না আমি আমাদের পৃথিবী থেকে জয়েন্টের ডেকে নিয়ে এসে মেরামত করে নিয়েছে আর গ্রামের কেন এটা মনে থাকবে না সে তাদের ঘর কখনো ভেঙে 

ছিল আবার তা পুনরায় মেরামত করা হয়েছে মোলবি সাহেব শুকরিয়া আদায় করে বললেন আর যদি তুমি না থাকতে তাহলে গ্রামবাসীর এই দুর্দশা এত সহজে ঠিক হতো না এভাবে কয়েক বছর কেটে গেল মৌলভী সাহেব একটা পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের পিতা হলেন তাদের সন্তান অনেক সুন্দর ছিল যখন মৌলভী সাহেব ও নিলাম তাদের সন্তানদের নিয়ে বাইরে বের হতেন তখন নিলাম তার সন্তানদের নিজের আচলের নিচে লুকিয়ে নিতো আর এতে করে তার সন্তানদের মানুষজন দেখতে পেত না গ্রামের লোকজন মূল বিষয়কে বিয়ে করার জন্যে বলতে কিন্তু মৌলভী সাহেব হাসিমুখে তাদেরকে না করে দিতেন একদিন মৌলভী সাহেবের মেয়ে সাবিক এর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে গেল মোলবি সাহেব জরিবুটি খাওয়ালে কিন্তু তাতে কোন কাজ হলোনা এটা দেখে নিল মূল্য এই রোগের চিকিৎসা আমাদের পৃথিবীতে যাচ্ছে আপনি যদি অনুমতি দেন তাহলে আমি সাবিহাকে আমাদের পৃথিবীতে পারি মন বিষয়ক নিজের স্ত্রী ও সন্তানদের অনেক ভালোবাসতেন কখনো তাদের হাতছাড়া করবেন না নিজের মেয়ের এমন অবস্থা তিনি সহ্য করতে না পেরে মিলনকে অনুমতি দিয়ে দিলেন দেওয়ালের দিকে তাকাতেই একটা রাস্তা বের হলো এবং তারা মামী চলে গেল এরপর দেওয়াল কি আগের মতোই হয়ে গেল মনে 

বিষয়কে উদাস অবস্থায় দেখে তার ছেলে ফাইয়াজ বড়লোক আব্বাজান আপনি কোন চিন্তা করবেন না আমি তো আপনার সাথে রয়েছি দু দিন বার হওয়ার পরেও নিলামের কোন পথ ছিল না মরবি সাহেবকে চিন্তা দেখিয়ে তার ছেলে ফাইয়াজ মূল্য আব্বাজান আপনি কোন চিন্তা করবেন না তারা খুব শীঘ্রই চলে আসবে দিকে তাকাতেই দেখা গেল মালয়েশিয়ার দেখতে পেলেন সাবিহা বিছানায় শুয়ে আছে আর তার পাশে বসে আছে এটা দেখে মনির সাহেব হৃদয় প্রশান্তি পেলেন পাশাপাশি তিনি এটা ভেবে অবাক হয়ে গেলেন যে তার ছেলেও নিলামের মত একটা জিনিস মরবি সাহেবকে পেরেশান অবস্থা দেখে ফাইয়াজ বলল আব্বা আমার আমি যেমন একজন পরী ঠিক তেমনি আমিও একজনকে আমাকে এই পৃথিবীতে আপনার সন্তানরূপে পাঠানো হয়েছে আমি আপনার সন্তান হয়ে সব দায়িত্ব পালন করব এই কথা শুনে মৌলভী সাহেবের চোখ দিয়ে পানি পড়তে শুরু করল তিনি তার ছেলেকে জড়িয়ে ধরে পরদিন দুপুর বেলার গ্রামের সবাই পেরেশান হয়ে নবী সাহেবের কাছে আসলেন আর তাকে বলে তাদের জমিতে অদ্ভুত ধরনের একটা পোকা হয়েছে যে প্রকাশক ফসল নষ্ট করে ফেলছে মৌলভী সাহেব এতে অনেক দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলেন তিনি সবাইকে বললেন আপনারা সবাই আল্লাহর দরবারে দোয়া করুন তিনি 

সবকিছু ঠিক করে দেবেন মৌলভী সাহেব বাড়িতে ফিরে এলে তার ছেলে ফাইয়াজ তাকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মুখ দেখে জিজ্ঞাসা করল আব্বাজান কি হয়েছে আপনাকে তো প্রিশন দেখাচ্ছে কেন বলবি সাহেব তাকে কোন উত্তর না দিয়ে কোরআন তেলাওয়াত করতে থাকলেন আর কান্নাকাটি করে আল্লাহর দরবারে গ্রামবাসীর জন্য দোয়া করতে থাকে আর মৌলভী সাহেবের কান্নাকাটি শুনে তার কাছে এসে বলল আম্মাজান আপনি কোন চিন্তা করবেন না এই বলে সে চোখ বন্ধ করে কোরআন তেলাওয়াত করতে থাকলো কিছুক্ষণ পরে সে চোখ খুলে বলল আব্বাজান আপনি গ্রামের কোত্থেকে এক বালতি পানি নিয়ে আসুন এরপর মৌলভী সাহেব থেকে পানি নিয়ে আসলে পানি আসছে পানির দরে মৌলভী সাহেব কে দিল এরপর সে বলল আপনি এই পানির মধ্যে সেদিন আর গ্রামবাসীদের বলুন এই কোষ থেকে পানি নিয়ে তাদের জমিতে ছিটিয়ে দিতে এবং সন্ধ্যার আগেই জমি থেকে ফিরে আসতে ইনশাল্লাহ তাদের মুসিবত দূর হয়ে যাবে মৌলভী সাহেবের কথামতো গ্রামবাসীরা কাজ করলো কিন্তু তবুও তারা অনেক পেরেশান ছিল মৌলভী সাহেব তাদেরকে আল্লাহর উপর ভরসা রাখার কথা বললেন পরদিন সকালবেলা সবাই তাদের জমি থেকে দেখতে পেল জমিতে একটা উপকার করলে আবার তাদের ফসল আগের চেয়ে অনেক ভালো দেখাচ্ছে 

সবাইকে গ্রামে ফিরে এসে মৌলভী সাহেবের কাছে সবকিছু খুলে বলল এরপর আল্লাহতালার দরবারে শুকরিয়া আদায় করে নফল নামাজ পড়লে গ্রামবাসীদের জন্য যেমন পেশায় ছিলেন ঠিক তেমনই মিলু ও সাবিনা জন্য রাতের বেলা অনেক চিন্তা করছিলেন তার স্ত্রী মেয়ের ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করছিলেন হঠাৎ করেই আলো জ্বলে উঠলো আর সাবিহা দৌড়ে এসে মানুষের গলা জড়িয়ে ধরলো সে এখন সম্পূর্ণরূপে সুস্থ্য নিল ফিরে এসেছিল এভাবেই সুখে শান্তিতে দিন কেটে যেতে থাকল মৌলভী সাহেবের দুই সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে উঠল তার দূষণ তোমার মতোই দেখতে হয়েছিল হঠাৎ করেই একদিন সন্ধ্যায় মৌলভী সাহেবের শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে যায় তার সন্তানেরা এবং তার স্ত্রী তার পাশেই বসেছিলেন মৌলভী সাহেব তার স্ত্রীর মিলন কে বলে আমার সময় ফুরিয়ে এসেছে আমি চাই আমার মৃত্যুর পর তোমরা যেখানেই থাক না কেন গ্রামের মানুষদের একটু দেখে রেখো তার কিছু হবে না এমনটি নিলাম বোঝানোর চেষ্টা করছিল তখন মূল বিষয় বলে নিলাম মৃত্যুর আগে মানুষ তার মৃত্যুর খবর পেয়ে যায় এরপর তিনি তার সন্তানদের আদর করলেন আর এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন সকালবেলা মৌলভী সাহেবের ছেলে ফাইয়াজ সন্তান হিসেবে তার বাবার প্রতি দায়িত্ব পালন করল এরপর নিলম্বাজার সাবিহা নিজেদের পৃথিবীতে চলে গেল।


Comments