আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলেই ভাল আছেন সূরা ইখলাস কোন সময় পড়লে সাথে সাথে ফল পাওয়া যায় এবং মনের সব আশা পুরন হয়ে যায়
দর্শক সূরা ইখলাস খুব দ্রুত এই কারনেই আমাদের মধ্যে অনেক মানুষেরই মুখস্থ আছে যারা কোরান শরীফ পড়তে জানেন তাদের এবং যারা কোরান শরীফ পড়তে জানেন না তাদের মধ্যেও অনেক মানুষের জানা আছে অনেক ইমাম রয়েছেন যারা সূরা ইখলাস অনেক ছোট কিন্তু অনেক ফজিলত পূর্ণ হওয়ার কারণেই তারা প্রায় সময়ই নামাজের মধ্যে সূরা ইখলাস পাঠ করে থাকেন আর সূরাটি খুব ছোট হওয়ার কারণেই মানুষের মুখোশ পেছাই আর যারা মা বোনেরা রয়েছে তারা ওষুধ আছে খুব ছোট হওয়ার কারণে মানুষের কাছে এটা শুনে শুনে মুখস্থ করে ফেলেন তারপর ইউজাদের মুখস্থ নেই তাদেরকে আমি আজকে এই আমলটি বলে দেওয়ার পর মুখস্থ করার ও চেষ্টা করব আগে আমি আমলটি কিভাবে করবেন কোন নিয়মে পড়তে হয় এবং সূরা ইখলাসের কিছু ফজিলত সম্পর্কে আমি আপনাদেরকে
বলবো তারপরে আমি যাদের সূরা ইখলাস মুখস্থ নেই তাদের কিতাব মুখস্থ করানোর চেষ্টা করা বউ সূরা ইখলাসের বর্ণনা করতে গিয়ে সূরা ইখলাস কে কুরআনের তৃতিয়াংশ বলা হয়েছে তাহলে একবার শুনুন সূরা ইখলাসের কত গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত রয়েছে একবার এক সাহাবী নামাজের প্রতি দুই রাকাতের মধ্যে একবার পড়তেন এটা যখন তার আশেপাশের অন্যান্য সাহাবীরা জানতে পারে তারা হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর কাছে গেলেন এবং আল্লাহর রাসূলের কাছে নালিশ করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ব্যক্তি প্রত্যেক নামাজে মধ্যে একবার সূরা ইখলাস পরেই তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করলেন যে এই কথাটি সত্য তুমি প্রত্যেক দুই রাকাত নামাজের মধ্যে এক বার সূরা ইখলাস পড়লে সাহাবী বললেন ইয়া রাসুলুল্লাহ জি হ্যাঁ আমি প্রত্যেক দুই রাকাত এর মধ্যে এক বার সূরা ইখলাস পাঠ করি তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন কেন তখন সে সাহাবী উত্তর দিলেন রাসূলুল্লাহ আমার এটা খুব ভালো লাগে সূরা ইখলাস ফজিলত পূর্ণ এবং আমার একটি পাঠ করতে খুব ভাল লাগে এই কারণে আমি পড়ি তখন আল্লাহর রাসূল আর তাকে নিষেধ করেননি এবং সাহাবী এই সূরাটি
পড়ার কারণে এবং এই সূরাটির প্রতি ভালোবাসার রাখার কারণে জান্নাতুল নসিব হবে আল্লাহর রাসূলের হাদিস অনুযায়ী একথা প্রমাণিত হয়েছে প্রিয় দর্শক সূরা ইখলাস এটি মক্কায় অবতীর্ণ সূরাটি কোরআন শরীফের 112 নম্বর সূরা আয়াত সংখ্যা হল শব্দ সংখ্যা 15 এবং অক্ষর হল 47 টি সূরা তে আল্লাহতালার অস্তিত্বও সরদার সবচেয়ে সুন্দর ব্যাখ্যা রয়েছে যার কারণে এই সূরাটি খুব বেশি ফজিলত পূর্ণ একসময় কাফিররা ইয়াহুদীরা মুসলমানদেরকে প্রশ্ন করল তোমাদের রবের পরিচয় কি তোমাদের আল্লাহকে পরিচয় সে কিসের তৈরি সোনা রুপা নাকি মাটির তৈরী সে কিসের তৈরি প্রশ্ন যখন মুসলমানদেরকে করা হল তখন তার জবাবে এই সূরা ইখলাস টি নাযিল হয়েছে হাদীসে এসেছে যখন এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন যে আমি তোমাকে ভালবাসি তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বললেন ভালোবাসার কারণে তুমি জান্নাতে যেতে পারবে সুবহানাল্লাহ মুসনাদে আহমদ শরীফ এই হাদীসটি আছে দর্শক এখন আপনারা বুঝতে পারলেন তো এই সূরার ফজিলত পূর্ণ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বললেন তোমরা সবাই একসাথে হয়ে যাও আমি আপনাদের কে কুরআনের তৃতীয়াংশ শুনাবো এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম সূরা ইখলাস তেলাওয়াত করা শুরু করলেন হাদীসটি মুসলিম এবং তিরমিজি শরীফের রয়েছে প্রিয় দর্শক বিপদ আপদ বালা মুসিবত এই সূরাটি পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা তাকে বিপদ আপদ থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন হাদীস শরীফে এসেছে রাসুল সাঃ বলেছেন যে ব্যক্তি সকাল-বিকেল সূরা ইখলাস সূরা ফালাক সূরা নাস করবে আল্লাহ তাআলা তাকে সব ধরনের বিপদ আপদ বালা মুসিবত এবং হতাশা থেকে রক্ষা করবেন এই হাদীসটি আবু দাউদ এবং তিরমিজি ও নাসায়ী শরীফের রয়েছে দর্শক আপনাদের কে আর একটি সুন্দর হাদিস শুনাই তাহলে ওই রাসুলুল্লাহ সাঃ প্রতিদিন ঘুমানোর আগে সূরা ইখলাস সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করতেন এরপর তার দুই হাত দিয়ে পুরো শরীর এবং মাথা মাসের ক���তেন ঘুমিয়ে পড়তেন এই হাদীসটি আবু দাউদ তিরমিযী শরীফে রয়েছে দর্শক এই পর্যন্ত আপনি সূরা ইখলাসের ফজিলত সম্পর্কে শুনেছেন এখন আমি বলে দিব সূরা ইখলাস কখন কত বার পাঠ করলে সাথে সাথে মনের সব আশা পুরন হবে এবং সব ধরনের বিপদ আপদ থেকে বেঁচে থাকতে পারবেন এখন আমি সূরা ইখলাসের আমল টি সম্পর্কে আলোচনা করব দর্শক এই সূরাটি আমল করার সময় হল শুক্রবার দিন আসরের নামাজের পর থেকেই মাগরিবের নামাজের আগ পর্যন্ত মাঝের সময়ে আপনি কি
সূরাটি তিনবার বা পাঁচ বার বার দশবার পান করবেন পাঠ করার সময় আপনার চাওয়া পাওয়া গুলো আপনার স্মরণ রাখবেন ধরুন আপনি কোন শত্রুর শত্রু তামি থেকে রক্ষা পেতে চান তাহলে তো স্মরণ নিয়ে সূরা ইখলাস তিনবার 5 বার বার দশবার শুক্রবার আসরের নামাজের পরে মাগরীবের নামাজের আগ পর্যন্ত পাঠ করবেন তাহলে না আপনি অবশ্যই ফলাফল পাবেন আপনি সেই শত্রু শত্রু তামি থেকে রক্ষা পাবেন আর যদি আপনি কোন বালা-মুসিবত কিংবা কোন দুঃখ কষ্ট দূর করার জন্য এই আমলটি করতে চান তাহলে কি বালা-মুসিবত কে সরণ করি বাসি দুঃখ-কষ্টকে স্মরণ করি আপনি শুক্রবার আসরের পর থেকেই মাগরিবের আগ পর্যন্ত 35 বার দশবার মাফ করবেন এখন যদি আপনার শুক্রবারে দিনে এই আমলটি করতে মনে না থাকে তাহলে কখন করবেন তাহলে সেই এমনটি করবেন বৃহস্পতিবার আসরের পর থেকে মাগরিবের নামাজের সময় পর্যন্ত আর যদি আপনার সেই দিনগুলি আমায় যে করতে মনে না থাকে তাহলে আপনি এই আমলটি কখন করবে তাহলে এই আমলটি করার সময় হলো আপনি পুরো সপ্তাহের মধ্যে যখন আপনার স্মরণে আসুক আপনি দুই রাকাত নামাজ পড়বেন অর্থাৎ আপনি একটু ভালো মুহূর্ত বেছে নেবেন তারপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করবেন তারপর ভালো ভাবে মনোযোগ দিয়ে তিনবার
পাঁচবার অথবা 10 বার এই আমলটি করবেন কোন একটি উদ্দেশ্য মাথায় নিয়ে অর্থাৎ আপনার ইচ্ছার আবার সাথে সাথে এই আমলটি করবেন তাহলেই হয়ে যাবে দর্শক কীভাবে যদি আপনি ছেলে সন্তান কে ভালো রাখার জন্য বা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বেশি বেশি সম্পর্ক ভালোবাসা হওয়ার জন্য এই আমলটি আপনি করতে পারেন দর্শক এখন যাদের সূরা ইখলাস মুখস্থ নেই আমি তাদেরকে সহি শুদ্ধভাবে শেখানোর চেষ্টা করবো আপনারা আমার সাথে সাথে বলার চেষ্টা করুন কুলহু আল্লাহু আহাদ আল্লাহু সামাদ লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুয়ান আহাদ দর্শক আমি আবারো বলছি কুলহু আল্লাহু আহাদ আল্লাহু সামাদ লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ সূরা টা একবার পড়লেই আমি আশা করি আপনার মুখস্থ হয়ে যাবে আপনি মন্দির যদি ভালোভাবে মুখস্ত করার চেষ্টা করেন আমি আশা করি আপনি মুখস্ত করতে পারবেন এবং আপনার ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা অবশ্যই পূরণ হবে এতে কোন সন্দেহ নেই কারণ কুরআনের আমল কুরআনী দোয়া কার্যকর হবে না এমন তো হতেই পারে না আপনি যদি নিয়ম অনুযায়ী ভালোভাবে আমলটি করেন তাহলে অবশ্যই এই আমলের ফল পাবেন আর যদি আপনি এই আমলে নিয়মটি ভালোভাবে না পরে থাকেন
তাহলে আমি অনুরোধ করছি আপনি পোস্ট টি আরো একবার পরুন এবং নিয়মকানুন কি ভালোভাবে শুনুন তারপর এই আমলটি করুন দর্শক এ পর্যন্ত আপনি জেনে নিলেন এই আমলটি কিভাবে করতে হবে এবং কখন করতে হবে এবং কোন সময় করতে হবে সূরা ইখলাস সম্পর্কে সর্বশেষ একটি হাদিস শুনি আমি ভিডিওটি শেষ করব হাদীসটি খুবই সুন্দর হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন যে ব্যক্তির তিনটি কাজ ঈমানের সাথে করতে পারবেন সে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন সুবহানাল্লাহ প্রথম কাজটি হলো যে ব্যক্তি হত্যাকারিকে ক্ষমা করে দিবি আর দুইনাম্বার কাজটি হলো যে ব্যক্তি গোপন ঋণ পরিশোধ করবেন আর 3 নাম্বার কাজটি হলো যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয নামাযের পর 10 বার সূরা ইখলাস পাঠ করবে সে ব্যক্তি জান্নাতে একটি দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে চাইবে সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে দর্শক তাহলে আপনি জানতে পারলেন কেন সূরা ইখলাসের ফজিলত এবং কেন এই সূরাকে কুরআন শরীফের এক-তৃতীয়াংশ বলা হয়েছে এই ছিল আজকের
আল্লাহ হাফেজ ।

