My Mobile Photography

M

গ্রামীণ পরিবেশের দৃশ্য দেখতে কার না ভালো লাগে।

"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"


আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই! আশা করছি সৃষ্টিকর্তার রহমতে আপনারা সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের দোয়া ও সৃষ্টিকর্তার রহমতে খুব ভালো আছি। যদিও বা আজ আমি একটু সর্দি জ্বরে আক্রান্ত তারপরেও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।এই ছবিটি ক্যানভা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের মাঝে আমার নিজের তোলা কিছু গ্রামীণ দৃশ্যের ছবি তুলে ধরবো। যা আপনারা হয়তোবা অনেক দিন ধরে দেখতে পাচ্ছেন না সচরাচর।

আজ আমি আর আমার ভাগিনা আসরের নামাজের পর ঘুরতে বেরিয়েছিলাম আমাদের মসজিদের পিছনের রাস্তা দিয়ে। কিন্তু কোথায় যাব তা ঠিক বলতে পারছি না। শুধু হাঁটবো যেদিকে দুচোখ যায়।

তাই আমাদের মসজিদের পেছনের এই শুরুর রাস্তা ধরে হাঁটা শুরু করলাম। হাঁটতে হাঁটতে কিছুদূর যাওয়ার পরেই মেইন রাস্তার পাশেই একটি ইটের রাস্তা দেখতে পেলাম। সেই রাস্তার পাশ দিয়েই একটি খাল বা ছোট নদী বলতে পারেন অতিবাহিত হয়েছে।

সেই খালটির মাঝখানে একটি জাল বসানো দেখতে পেলাম। জালটি দেখে আমার সেই ক্লাস ১-২ এর বইয়ের কথা মনে পড়ে গেল। কারণ ওই সময় এই ধরনের ছবি আমরা ওই বইগুলোতেই দেখতে পেতাম। যা আজ আমি বাস্তবে দেখছি এবং আপনাদের কেউ দেখানোর চেষ্টা করছি আমার তোলা ছবির মাধ্যমে।

বুঝতেই পারছেন এমন দৃশ্য দেখে ছবি না তুলে তো আর থাকতে পারিনা তাছাড়া আমি একজন ছোটখাটো ব্লগারও বটে তাই আপনাদের সাথেও শেয়ার করাটা আমার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি আমি। আমি একাই এত সুন্দর দৃশ্য দেখব আর আপনাদেরকে দেখাবো না তা আবার হতে পারে নাকি!

এই দৃশ্য দেখার পর আরেকটু সামনের দিকে তাকিয়ে দেখি অদ্ভুত আরেকটি দৃশ্য যেটি আমি কখনোই আশা করিনি দেখতে পাবো। কারণ একটু বলি আমি গ্রামে খুব কম বসবাস করেছি যার কারণে গ্রামীন কিছু দৃশ্য আমার কাছে খুবই নতুন যা শুধু আমি ছবি বা সিনেমায় দেখেছি। ঠিক ছবির মতনই একটি দৃশ্য একজন দাদু একটি নৌকার উপরে বসে কি জানি করছে।

আর তখনই আমি আমার ভাগিনাকে আনন্দ উচ্ছ্বাসের সাথে বলে উঠি মামা তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি জায়গায় নিয়ে আসার জন্য। তারপর একটু সামনে যেতেই বুঝতে পারলাম দাদুটি নৌকায় বসে জাল মেরামত করছে মাছ ধরার জন্য। তার পাশ দিয়ে হেঁটে হেঁটে আমি তার পিছনে গিয়ে দাড়াই।কিছুক্ষণ তার জাল মেরামত করা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম।

দাদুর পিছনে যে ধান ক্ষেত রয়েছে সেটিও দেখতে অসাধারণ লাগছিল নীল আকাশের কারণে। নীল আকাশের উপরে সাদা মেঘের আর খেলা করছিল। এবং আমার কাছে মনে হচ্ছিল কোন এক শিল্পী রং তুলি দিয়ে ঢেকে রেখেছে এই দৃশ্যটিকে।

আর এর পরেই আমরা ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি প্রায় মাগরিবের নামাজের সময় হয়ে আসছে। তাই আমরা আমাদের মসজিদের উদ্দেশ্যে আবার রহনা করি ওই জায়গাটি থেকে মাগরিবের নামাজ পড়বো তাই।

তো বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই আজকের ছবিগুলো আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে তা অবশ্যই কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

Comments