আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি। দীর্ঘদিন পর আবার ফিরে এলাম নিয়মিতভাবে Serey platform ।
আগে আমি অনেক কিছু নিয়ে লিখেছি। এখনো চেষ্টা করব নতুন নতুন কিছু লেখার জন্য। আজকে আমি আপনাদের সাথে যে জিনিসটা নিয়ে লিখতে চলেছি, তার নাম হচ্ছে অ্যালোভেরা।
অ্যালোভেরা হয়তো আপনাদের পরিচিত একটা নাম। অনেকে হয়তো দেখে থাকবেন। অ্যালোভেরাকে ঘৃতকুমারী ও বলা হয়। অ্যালোভেরা একটি ঔষধি গাছ, এর অনেক গুণাগুণ রয়েছে। এখন চেষ্টা করব কিঞ্চিৎ পরিমাণ এর গুনাগুন নিয়ে আপনাদেরকে তথ্য দেওয়ার।
আরেকটা কথা বলে রাখি, ঘৃতকুমারী গাছ সাধারণত বাসা বাড়ির ছাদে টবে লাগানো হয়। বাড়িতেও বেশিরভাগ সময় টবে লাগানো হয়।
এই গাছের জন্য উপযুক্ত স্থান হচ্ছে টব।
ঘৃতকুমারী গাছের উপকারিতা সম্পর্কে মানুষ 5 হাজার বছর আগে থেকে জানে। এর অনেক গুণাগুণ রয়েছে, ঘৃতকুমারী গাছ শরীরে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টির যোগান দিতে সক্ষম। ঘৃতকুমারী এর রস পান করা হয়, সালাদ হিসেবে খাওয়া হয়, শরীরের ত্বক এবং চুলে ব্যবহার করে অনেক উপকৃত হওয়া যায়।
ভিটামিনঃ
ঘৃতকুমারী গাছে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ফলিক এসিড, কোলিন, বি-১,বি-২,বি-৩ এবং ভিটামিন বি-৬ এছাড়াও প্রায় 20 ধরনের খনিজ আছে ঘৃতকুমারীতে।
উপকারিতাঃ
-
ঘৃতকুমারী শরীরে চাপ ও রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
-
ত্বক ও চুলের মহাঔষধ।
-
প্রদাহ ব্যথা কমাতে সহায়তা করে��
-
শরীরের ওজন কমাতে সহায়তা করে।
-
খাদ্যের পরিপাকতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
মোটামুটি আশা করি আপনারা অ্যালোভেরা অর্থাৎ ঘৃতকুমারী এর গুনাগুন সম্পর্কে আংশিক ধারণা পেয়েছেন। ধন্যবাদ আমার এই লেখাটি এতক্ষন মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য।


