পরামর্শ

M

 সাধারণ লোকদের অধিকাংশ শলা পরামর্শ এর মধ্যে কোন খায়ের বরকত নেই। তবে যাহারা দান-খয়রাত বা কোন নেক কাজ কিংবা মানুষের পরস্পর সংশোধনের জন্য উৎসাহ প্রদান করে (এবং এই তালিম তারগীবের জন্য গোপনে চেষ্টা-তদবির ও পরামর্শ করে)এর মধ্যে অবশ্যই খায়ের বরকত আছে। আর যাহারা (ভালো কাজে উৎসাহ প্রদানের) এই কাজ (লোভ-লালসা ও সুনাম অর্জনের উদ্দেশ্যে ব্যতীত) শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্যই করে, তাহাদিগকে আমি অতি সত্ত্বর বিরাট পুরস্কার দান করিব (সূরা নিসা আয়াত 114)

 

এই আয়াতে আল্লাহতালা সৎকাজে আহ্বানকারীদের জন্য বিরাট পুরস্কারের ওয়াদা করিয়াছেন। আর স্বয়ং আল্লাহ তাআলা যে পুরস্কারকে বিরাট বলিয়াছেন, আর কি কোন সীমা থাকিতে পারে এই আয়াতের ব্যাখ্যায় হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালামের হাদিস নকল করা হইয়াছে যে সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ এবং আল্লাহর যিকির ব্যতীত মানুষের প্রত্যেক কথা তাহার জন্য বোঝা হইবে।

আরো বহু হাদিস হতে বর্ণিত আছে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন আমি কি তোমাদেরকে এমন জিনিস বলে দেব না?যা নফল নামাজ রোজা দান-খয়রাত ইত্যাদি হইতে উত্তম। সাহাবা কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহু আরজ করিলেন, অবশ্যই! বলিয়া দিন। হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ ফরমান মানুষের মধ্যে পরস্পর কলহ-বিবাদে-ঝগড়া মিটাইয়া দেওয়া। কেননা পরস্পর কলহনের সমূহকে এমন ভাবে ধ্বংস করিয়া দেয় যেমন খুর চুলকে সাফ করিয়া দেয।

পরস্পর কলহ-বিবাদ মিটানোর বিষয়ে কুরআন ও হাদীসে আরো বহু জায়গায় গুরুত্ব আরোপ করা হইয়াছে । এখানে সেই গুলি উল্লেখ করা এখানে উদ্দেশ্য নয় এখানে উদ্দেশ্য হলো,সৎকাজে আদেশের অন্তর্ভুক্ত যে কোন পন্থা অবলম্বন করিয়া সম্ভব হয় পরস্পর কলহ-বিবাদে ব্যাপারে অবশ্যই চেষ্টা করা হয়।

Comments