আমাদের ঐতিহ্যবাহী হাট

M

আসসালামু আলাইকুম।আশা করি সকলে ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি। 

আজকে আমাদের গ্রামের ঐতিহ্যবাহী হাট নিয়ে  আলোচনা করা হবে

উপরের  চিত্রটি দেখতে পাচ্ছেন এটা হলো আমাদের গ্রামের ঐতিহ্যবাহী হাট। আমাদের এই হাটে দূর দূরান্ত থেকে বহু মানুষ মালামাল বিক্রয় বা ক্রয় করার জন্য আসে। আমাদের এই হাট টি শত শত জমির ভিতরে অবস্থান করছে। আমাদের এই হাঁটে নানান প্রকার কাঁচামাল বিক্রয় করা হয়। আমাদের এই হাট এ বিভিন্ন  ধরনের ভুসি মাল ক্রয় এবং বিক্রয় করা হয়। যেমন ভুট্টা সরিষা গম।আমাদের এই হাটে ভুট্টারহাট আকারে একটু ছোট। ভুট্টার সময় বিভিন্ন এলাকা থেকে ভুট্টা নিয়ে আমাদের এই হাঁটে বিক্রয় করে। 

মাছ হাট-

আমাদের এই হাটে বিভিন্ন ধরনের মাছ বিক্রি করা হয়। যেমন ইলিশ চিংড়ি কাতলা পাঙ্গাস আর বিভিন্ন ধরনের মাছ এখানে বিক্রি করা হয়। আমাদের এই হাটে পাঙ্গাস মাছটি বেশি চলে। পাঙ্গাস মাছটি ছোট ছেলে মেয়েদের জন্য  জনপ্রিয়। আমাদের গ্রামের অধিকাংশ মানুষ পাঙ্গাস মাছটি বেশি ক্রয় করে থাকে। আগে পাঙ্গাস মাছটি দাম ছিল প্রতি কেজি ১২০ টাকা ।এখন বাজার মূল্য ১৮০ টাকা কেজি।চিংড়ি মাছ ৮০০ টাকা কেজি। ইলিশ মাছ ৬০০ টাকা কেজি। আমাদের যমুনা নদীর বিভিন্ন ধরনের মাছ এই হাটে  বিক্রয় করা হয়। 

কাচামালের বাজার -

বিভিন্ন ধরনের কাঁচামাল বিক্রয় করা হয় আমাদের এই হাঁটে।বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি, টমেটো,ইত্যাদি বিক্রয় করা হয়। বর্তমানে আলুর দাম ৬০ টাকা কেজি। আগে একটু আলুর দাম কম ছিল হালকা। পিয়াজের দাম ৫০ টাকা কেজি।মরিচের দাম ৫০ টাকা কেজি। টমেটো ৩০ টাকা কেজি। ফুলকফি ৮০ টাকা কেজি। 

ছাগল এবং গরুর হাট-

অনেক দূর দূরান্ত থেকে গরু এনে আমাদের এই হাটে বিক্রয় করে। গরু এবং ছাগলে হাট টি অনেক বড়।গরু ক্রয় করার সময় চিলিপ লেখে নেওয়া হয়।প্রতি ছাপের মুল্য ৩০০ টাকা। ছাগলের ছাপের মূল ১৫০ টাকা। 

 

আমাদের এই হাট টি কাজিপুরে মধ্যে একটি ঐতিহ্যবাহী হাট।নাটুয়াপাড়া এই হাটের জন্য বিখ্যাত।

Comments