source
আমরা নিত্যনতুন অনেক ধরনের মৌসুমী দেখে থাকে ইউটিউবে বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম কিন্তু এর ভেতরে কিছু মুভি আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায় যেটা আসলে দেখতেই ভালো লাগে তেমনই একটি মুভি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি মুভিটির নাম- হ্যালো(তাকদীর) মুভিটি সোসিয়াল প্লাটফর্মে বা সিনেমা হলে প্রকাশ পেয়েছিল আসলে মুভিটি দুইটি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছিল একটি হলো তামিল ভাষা এবং আরেকটি হলো হিন্দি ভাষা যেটা হুবহু নকল করে হিন্দি ভাষায় ট্রান্সলেট করা হয়েছে।
প্রধান চরিত্রে অভিনয়,,
মুভিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছে যে নায়ক ও নায়িকা তারা হল, আখিল আক্কিনেনি এবং কল্যাণী প্রিয়দর্শন, জগপথি বাবু,(প্রকাশ) রামাইয়া কৃষ্ণান,(ছারো) (মুভির চরিত্রে নায়ক ও নায়িকার নাম ছিল সিনু (অভিনাশ) এন্ড জুননু ( প্রিয়া)
আমার দেখা একটা রোমান্টিক মজি আমি মনে করি এটা অনেক ভালো লেগেছিল অনেকবার দেখেছি এই মুভিটি আসলে যতই দেখি ততই মুগ্ধ হয়েছি, মুভিটি তেলেগু ভাষায় রিলিজ হয়েছিল 22 ই ডিসেম্বর 2017 তে আর হিন্দিতে প্রকাশ করেছিল একই সময়ে 2018 প্রথমদিকে।
source
মুভিটির গল্প,,,
গল্পটা শুরু হয় সেই ছোটকাল থেকে যখন ছিনুর বয়স মাত্র 6 বছর ছিল একজন অনাথ ছেলে যার কোন মা-বাপ নেই, এবং জানানো হলো একজন ধনী পরিবারের আদরের দুলালী, সিনু ছোট একটা গিটার বাজাতে খুবই পছন্দ করতো এবং সে একটি পার্কে বসে নিরালায় তার হাতে থাকা গিটার কি বাজাচ্ছিল এমন সময় জুননু ওর গিটার এর সুর শুনে ওর কাছে ছুটে আসে এবং ওর সাথে বন্ধুত্ব করে। আসলে পার্কটি একটি সিগন্যালের পাশে ছিল
ওই পার্ক থেকেই ওদের বন্ধুত্ব শুরু হয় যেহেতু সিনু একজন গরীব ছেলে যার খাওয়া-দাওয়া ঘুমানোর কোন জায়গা নাই আর জানো একজন বড় লোকের মেয়ে তো জানো সব সময় ওর জন্য বিভিন্ন ধরনের খাবার দাবার নিয়ে আসত এবং প্রতিদিন তারা একই জায়গায় দেখা করতো এবং দুজনে মিলে খেলা করতো ওর গিটার এর সুর শোনা তো আর জুননু মনোযোগ সহকারে শুনুন তো।
এখন হঠাৎ করেই জুননু ওর বাবার ট্রান্সফার হয়ে যাই অন্য শহরে এবং তাকে এখান থেকে চলে যেতে হবে জন্য মন অনেক খারাপ থাকে এমন অবস্থায় ওই সিগন্যালের পাশে একটি বেঞ্চে বসে থাকে এবং যখন জুননু চলে যাচ্ছে গাড়িতে করে তখন জন্য ব্লাক ফাক করে একটি 100 টাকার নোট ছুড়ে মারে জেনো টিতে জুননু তার টেলিফোন নম্বর লিখে দেয়।
এবং সিনু সেই নট পেয়ে এবং নম্বরটি দেখে অনেকটা খুশি হয় যে তার সাথে আবার যোগাযোগ করতে পারবে কিন্তু হঠাৎ করেই একটি বাতাসে ওই নটি ওর হাত থেকে উড়ে চলে যায় এবং সেটা কোনভাবেই ধরতে পারেনা একসময় সে ধরতে পারে এবং একজন পকেটমার তার ওই নটি ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং তাকে সে দৌড়ে ধরে ধরতে চাই এমতাবস্থায় সিনু একটি গাড়ির সাথে এক্সিডেন্ট করে
আসলে মূল কাহিনী টি শুরু হয় 100 টাকার একটি নোট দিয়ে যে নোটির জন্যই আসলে ছিনু 15 টি বছর অপেক্ষা করেছিল জুননুর জন্য অবশেষে তারা মিলতে পেরেছিল।
সিনুর জীবন বদলানোর পালা,,,
যে গাড়িতে অ্যাকসিডেন্ট করে ওই গাড়িতে ছিল সরো ও প্রকাশ, আচ্ছা এদের দুজনের কথা বলি এরা দুজন স্বামী স্ত্রী কিন্তু এদের কোনো সন্তান নেই যখন অ্যাক্সিডেন্ট কে দেখে একটি বাচ্চা ছেলে তখন অনেকটা ভয় পেয়ে যায় মহিলাটি এবং তাকে তাড়াহুড়ো করে হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এবং সাথে সাথে পুলিশ চলে আসে এবং পুলিশ টা ছিল অনেক ঘুষখোর যে গাড়িতে তারা একসিডেন্ট করেছিল তারা শহরের নামী দামী ধনী ব্যক্তি তাই পুলিশ ও ছোট বাচ্চাটিকে শিখা ছিল যে তুমি মিথ্যা কথা বল তাহলে তোমাকে কিছু টাকা দেবো আর আমি ওদের কাছ থেকে কিছু টাকা নিতে পারব।
কিন্তু বাচ্চাটা ছোট হলেও তার মানবতা ছিল সে কোনমতেই বলছিল না যে আমাকে তারা ইচ্ছা করে অ্যাক্সিডেন্ট করেছে। এই কথা শুনে প্রকাশ ও তার স্ত্রী অনেক অভিহিত হয় এবং ওই ছেলেটিকে তারা নিজের ছেলে বানানোর জন্য সকল প্রক্রিয়া শেষ করে।
এরপর তাকে তারা নিজের ছেলে বলে মানতে থাকে এবং তার নাম দিয়ে দেয় অবিনাশ, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি তখন তাদেরকে মা-বাবা বলে ডাকতো না আঙ্কেল আন্টি বলে ডাকত এভাবেই চলে গেল 15 টি বছর এবং অবিনাশ তখন বড় হয়ে গিয়েছে,
কিন্তু এত বড় হবার পরেও অভিনাশ প্রতিদিন ওই সিগনালে গিয়ে বসতো যদি তার জুননু ওর সাথে কোন যোগাযোগ হয়, কিন্তু কোনোভাবেই তা হতো না একদিন হঠাৎ করেই একটি ট্যাক্সি ড্রাইভার তাকে ফোন করল এবং শিক্ষার্থীরা এবার তাকে বলতে লাগলো আপনি ট্যাক্সি বুক করেছিলেন তখন অবিনাশ বলে না আমি কোন টেক্সটবুক করিনি কিন্তু পাশ থেকে ওই মোবাইলের ভেতর দিয়ে সে গিটারের শব্দ শুনতে পায় এবং ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করে এই গিটার কে বাজাচ্ছে।
আসলে যে সুখ ক্রিকেটারের মধ্য ভাসছিল সেটা অবিনাশ ছোটবেলায় এটাই বাজাতে-বাজাতে আর এই শুয়োর একমাত্র তার ছোটবেলার বান্ধবী তাকে শিখিয়েছিল। তখন ড্রাইভার বলে একটি সুন্দর মেয়ে এস টি বাঁধ আছে এই কথা শুনে তড়িঘড়ি করে জায়গার নাম জানতে চাইল এবং ওই জায়গায় গিয়ে পৌছলো।
কিন্তু গিয়ে ওখানে গিয়ে মেয়েটির দেখা পেল না কিন্তু দেখা পেল ওর সেই ছোটবেলায় হারিয়ে যাওয়ার 100 টাকার নোট যে নোটে মেয়েটি তার নাম্বার দিয়েছিল এটা দেখে সে অনেক খুশি হল এবং ওখানে দাঁড়িয়ে থেকেই ওই নাম্বারে ফোন।
তখন অবিনাশের কন্ঠ শুনে মেয়েটি এক প্রকার কেঁদেই ফেলল অভিনয় যখন তার পুরো পরিচয় দিলো তখন মেয়েটির খুশিতে আত্মহারা হয়ে গেল আসলে ভালোবাসা এমনই ভালোবাসা কাছে না থাকলেও দূরে থাকলে ভালোবাসা যদি প্রকৃত ভালোবাসা হয় সে ভালবাসার মর্যাদা থাকে অন্যরকম।
তখন অনেক জল্পনা-কল্পনা পেরিয়ে একপর্যায়ে তাদের সাথে যোগাযোগ হয়ে গেল এবং তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেল এভাবেই আসলে মুভিটি তৈরি করা হয়েছে।
আসলে পুরো বিষয়টি তো আপনাদের মাঝে তুলে ধরতে পারলাম না পুরো গল্পটি তো আপনাদের মাঝে তুলে ধরতে পারলাম না তবে যদি আপনাদের এই রিভিউটা ভালো লাগে অবশ্যই মুভিটি দেখবেন আমি মনে করি আপনাদের ভালো লাগবে।
সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
মুভিটির ইনফর্মেশন,,,
- সম্পূর্ণ মুভিটির নাম:- হ্যালো (তাকদীর)
- ভাষা:-তেলেগু হিন্দি
- পুরো মুভিটির সময়:-দুই ঘণ্টা দশ মিনিট
- মুভি:-রোমান্টিক ও অ্যাকশন
- ডাইরেক্টর:- ভিক্রম কে কুমার
- প্রডিউসার:- নাগা অর্জুন আখিনি
- মুভি স্টার:- আখিল আখিআনি ও কল্যাণী প্রিয়াদর্ষণ
- মিউজিক কম্পোজার:- অনুপ রবিন
- রিলিজ ডেট:- 22 শে ডিসেম্বর 2017



ভাই অনেক সুন্দর একটা পোস্ট করেছেন। এইভাবেই সামনে এগিয়ে যান।
অভিনন্দন! আপনার পোস্টটি সেরিবাংলাদেশের কমিউনিটি আইডি থেকে কিউরেশন করা হয়েছে। আপনি সেরি বাংলাদেশ ডিসকর্ড সার্ভারে get_upvote_serey চ্যানেলে আপনার পোস্ট লিঙ্ক জমা দিয়ে প্রতি 24 ঘন্টার মধ্যে একবার আমাদের কমিউনিটি থেকে ভোটের অনুরোধ করতে পারবেন, ধন্যবাদ।
Join sereyBangladesh Discord server:- Join Discord (https://discord.gg/YKPqUku8)
Join sereyBangladesh Telegram :- Join Telegram (https://t.me/SereyBangladesh)