বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের জন্য প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে ফরজ করেছেন ।
ইসলামের পাঁচটি মূল ভিত্তির মধ্যে নামাজ অন্যতম । আল্লাহ্ তায়ালার নৈকট্য অর্জন করার সব চেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে নামাজ । নামাজই একমাত্র এবাদাত যার দ্বারা আল্লাহ্ তায়ালার সন্তুষ্টি তাড়াতাড়ি অর্জন করা সম্ভব ।
রসুলুল্লাহ (সাঃ) এক হাদিসে এরশাদ ফরমান "যে ব্যক্তি উত্তম রূপে অযু করে এবং সময়ের প্রতি লক্ষ রাখিয়া নামাজ সমূহের এহতেমাম করে, আল্লাহ্ তায়ালা তার জিম্মাদারি নিয়ে নিবেন । আর যে এরকম করে না তার প্রতি আল্লাহ্ তায়ালার কোন জিম্মাদারি নাই । ইচ্ছা করলে আল্লাহ্ তায়ালা তাকে মাফ করে দিবেন ইচ্ছা করলে আযাব দিবেন" ।
নামাজ হচ্ছে দ্বীনের ঘুঁটি । দ্বীনের জন্য নামাজ এমন মানুষের জন্য মাথা যেমন । মাথা ছাড়া যেমন কোন মানুষ হতে পারে না, ঠিক তেমন নামাজ ছাড়া কারো দ্বীন থাকতে পারে না ।
আবার মাছের জন্য যে রকম পানির প্রয়োজন, দ্বীনের জন্য সে রকম নামাজ প্রয়োজন ।
হাশরের ময়দানে সর্ব প্রথম নামাজের হিসাব করা হবে । যার নামাজের হিসাব সহজ হবে তার সব হিসাব সহজ হবে । যে নামাজের হিসাবে ধরা খাবে সে বাকি সব হিসাবে ধরা খাবে ।
নিশ্চয়ই কুফর এবং ইমানের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামাজ ।
রসুলুল্লাহ (সাঃ) অন্য এক হাদিসে এরশাদ ফরমান "যখন নামাজের জন্য আযান হয়, আমার মনে হয় তোমাদের মধ্যে একদল যুবককে কিছু কাঠ সংগ্রহ করতে বলি এবং তোমাদের কোন একজনকে নামাজের ইমামতির জন্য দ্বার করিয়ে দেয় আর যারা বিনা কারণে মসজিদে নামাজের জন্য আসে নাই তাদের ঘর সমূহ জ্বালিয়ে দেই" ।
নামাজ হচ্ছে নিজের গোনাহ মাপের বড় একটা মাধ্যম । এক নামাজ থেকে অন্য নামাজের মধ্যবর্তী সময়টা কাফ্ফারা সরুপ । অর্থাৎ কোন ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ গুরুত্ব সহকারে আদায় করে আল্লাহ্ তায়ালা তার মধ্যবর্তী সময়ের সকল গোনাহ (ছোগিরা) মাফ করে দেন ।
আল্লাহ্ এর রসুল (সাঃ) একবার সাহাবিদেরকে কাছে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা বলো তো দেখি তোমাদের মধ্যে কেউ একটা কারখানায় কাজ করে । কারখানা থেকে বাড়ি ফিরতে পাঁচটা পুকুর পায় এবং এবং ঐ পুকুরে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে তা হলে কি তার শরীরে কোন ময়লা থাকতে পারে ? সাহাবিরা উত্তর দিলেন না, হুজুর (সাঃ) এরশাদ করলেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের উদাহরণও এ রকমই । কোন ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে তারও কোন গুনাহ থাকে না ।
অন্য এক হাদিসের মধ্যে রসুল (সাঃ) নিজের বাড়ির সামনে একটা পুকুরের কথা বলছেন ।
নামাজের গুরুত্ব অপরিসীম যার আলোচনা করে শেষ করা যাবে না ।
তাই আমাদের উচিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময় মতো মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে আদায় করা প্রয়োজন ।
আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের সকলকে বোঝার, আমল করার তৌফিক দান করেন । আমিন
আগামী পোস্টে নামাজ কি ভাবে আদায় করবো সে সম্পর্কে লেখার চেষ্টা করবো । ইনশাআল্লাহ


অভিনন্দন! আপনার পোস্টটি সেরিবাংলাদেশের কমিউনিটি আইডি থেকে কিউরেশন করা হয়েছে। আপনি সেরি বাংলাদেশ ডিসকর্ড সার্ভারে get_upvote_serey চ্যানেলে আপনার পোস্ট লিঙ্ক জমা দিয়ে প্রতি 24 ঘন্টার মধ্যে একবার আমাদের কমিউনিটি থেকে ভোটের অনুরোধ করতে পারবেন, ধন্যবাদ।
Join sereyBangladesh Discord server:- Join Discord (https://discord.com/invite/kdatp2dX)
Join sereyBangladesh Telegram :- Join Telegram (https://t.me/SereyBangladesh)