photo source
ইসলামিক ওয়াজ মাহফিল গুলোতে গেলে কি কি ফায়দা হয় সেগুলো আমি আপনার মাঝে বলতে চাচ্ছি তো এখনই বলবো। ইসলামিক ওয়াজ মাহফিলে গেলে প্রথমত আমাদের ফায়দা হবে যে আমাদের অনেক জিনিস আছে যেগুলো আমাদের মাঝে জানা নেই এবং আমাদের জানা অনেক দরকার সেই সকল জিনিসগুলো আমরা যদি ইসলামিক মাহফিল গুলোতে যাই তাহলে আমাদের শিক্ষা হয় বা আমাদের জানা হয়। কারণ শরীয়তে চলতে গেলে আমরা যারা জেনারেল শিক্ষিত তারাই কথা বলতে পারব যে শরীয়ত সম্মতভাবে আমাদের জেনারেল লাইনে তেমন কোন পড়ালেখা করানো হয় না।
এ কথা আর বাস্তবিক প্রমাণ দিয়েই আমি কথা বলব। অনেকে মনে করতে পারেন যে ভাই আপনি যে বললেন আমাদের জেনারেল শিক্ষায় শরীয়ত সম্মত কোন জ্ঞান দিয়ে আমাদেরকে শিক্ষা দেওয়া হয় না একথা আপনি কিভাবে কথার কি কোন দলিল আছে? আমি আপনাদেরকে বলবো হ্যাঁ আমার কথার দলিল আছে। দলিল ছাড়া কথা বলি না। কারণ আপনি আজকে বাংলাদেশে পড়ালেখা করে অনেক উচ্চ পর্যায়ের জ্ঞান অর্জন করেছেন।
কিন্তু আপনি কি জানেন যে আপনার রবের সাক্ষাৎ মিললে আপনি কি কি করতে হবে এবং আপনি মৃত্যুর পর কি নিয়ে যাবেন কবরে সে কথা কি আপনি জানেন। কারণ আপনাকে সেই শিক্ষা তারা দেয়নি তারা যদি সেই শিক্ষা দিয়ে আপনাকে গর্ত তাহলে আপনি অবশ্যই অবশ্যই জানতে পারবেন। এ কারণে আমি বলি যে প্রত্যেকটা সেক্টরে আমাদের শিক্ষার অভাব অবশ্যই অবশ্যই রয়েছে। আমাদের প্রত্যেকেরও প্রয়োজন ইসলামিক মাহফিল গুলোতে যাওয়া
আমি আজকে আসলাম দারুল উলুম মাদানিয়া মাদ্রাসার ইসলামিক মাহফিল। তো এই মাহফিলে আজকের প্রধান অতিথি হলো হযরত মাওলানা ডঃ মোশতাক আহমেদ সাহেব। দ্বিতীয় বক্তা হলো হযরত মাওলানা আব্দুল খালেক শরিয়তপুরী। দ্বিতীয় বক্তা হলো হযরত মাওলানা হাসিবুর রহমান। এই সকল হযরতের বয়ান আমি এখানে শুনলাম আমার অনেকটাই ভালো লাগলো এবং আমি আজকে বুঝতে পারলাম অনেকটা যে ইসলামিক মাহফিল গুলোতে আমাদের সকলের যাওয়া দরকার এবং ইসলামিক মাহফিল গুলো থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া দরকার।
সকালে ইসলামিক মাহফিলগুলোতে যাবেন এবং সেগুলোতে যাওয়ার পর আপনি সেখান থেকে অনেক ধরনের শিক্ষা নিতে পারেন যে শিক্ষাগুলো আপনি ঘরে বসে বর্জন করতে সক্ষম হবেন না। সকলে সময় থাকতে আমরা ঠিক হয়ে যাই ইসলামিক মাহফিল গুলোর বিরোধিতা করার পরিবর্তে সেগুলো বড়সরে করার চেষ্টা করি।



অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ