উসমানী

mahmud50
 যে সংক্ষেপে এদলকে নেয়ামে ইসলাম পার্টি' নামেও অভিহিত করা যাবে। ১৯৬৯ সালে নেয়ামে ইসলাম পার্টির যে নির্বাচন হয় তাতে মাও. মুফতী শফী কে প্রধান উপদেষ্টা মাও. জাফর আহম্মদ উসমানীকে সভাপতি মাও, আতহার প্রার্থীকে কার্যকরী সভাপতি মনোনীত করা হয়। ফলে উলামায়ে দেওবন্দ নেয়ামে ইসলাম ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এই দুই নামে দু'টি দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। দু'দলই উভয় পাকিস্তানে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান যথেষ্ট সুদৃঢ় করে ফেলে এবং ১৯৭০ এর নির্বাচনে দু'দলই অত্যন্ত তৎপরতার সাথে অংশ গ্রহণ করে। সুতরাং বলা যায় যে ১৯৬৭ সালেই উলামায়ে দেওবন্দ দু'টি পৃথক দলে। বিভক্ত হয়ে পড়েন। বিভক্তির পর উভয় দলের পৃথক পৃথক তৎপরতার সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট নিম্নে পেশ করা গেল।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের তৎপরতার সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট ঃ

বিভাজন সুস্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর জমিয়তে উলামার আহ্বানে ৩, ৪, ৫ মে ১৯৬৮ সালে লাহোরে মুচী দরওয়াজায় পাকিস্তানের উভয় প্রদেশের প্রায় ৫ হাজার উলামায়ে কেরামের এক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। কনফারেন্সের প্রথম দিনে কাউন্সিল অধিবেশন হয়। হাফেজে হাদীস মাওলানা আব্দুল্লাহ দরখাস্তী জমিয়তের সভাপতি ও মুফতি মাহমুদ সাহেব সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। জমিয়ত উদ্যমের সাথে কাজ শুরু করে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানেও শামসুদ্দীন কাসেমী ও শায়খে কৌড়িয়ার নেতৃত্বে জমিয়তে উলামা বেশ গতিশীল হয়ে উঠে। অতঃপর ৪ঠা জানুয়ারী ১৯৬৯ সালে ঢাকার ইডেন হোটেলের সম্মুখস্থ মাঠে। অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান জমিয়তের কাউন্সিল অধিবেশনে পীর মোহসিন উদ্দীন আহমদ দুদু মিয়াকে সভাপতি ও মাওঃ শামসুদ্দীন কাসেমীকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে পীর সাহেব সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং জমিয়তের পৃষ্ঠপোষক আঃ করিম কৌড়িয়াকে সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

আইউব খানের পতনের পর ১৯৭০ সালে ইয়াহিয়া খান সাধারণ নির্বাচন দেন। জমিয়ত উক্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। উক্ত নির্বাচনে ইসলামী দলগুলোর মাঝে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামই কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে অধিক সংখ্যক আসন লাভ করে। জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মুফতি মাহমুদ রাহ, সীমান্ত প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রাপ্ত হন । ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর জেনারেল ইয়াহইয়া ও ভুট্টোর হটকারী সিদ্ধান্তের কারণে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর না করার অনিবার্য পরিণতিতে স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হয়। দীর্ঘ ৯ মাস সংগ্রামের পর বাংলাদেশ মুক্ত ।। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিভিন্ন ইসলামী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হলেও

Comments