গন্তব্য

mahmud50
রেখে যেতে হবে হিন্দুদের কাছে ম্যানদের সে রূপে পরিণত হবে। শত শত বছে ও তামাদ্দুনের যে না হয়ে যাবে। সুতরাং এসব কথা নিে নির্বাচনে ভোটার করার জন্য তারা জনগণের নিকট আবেদন

পাকিস্তান প্রস্তাবের পক্ষে মুসলিম আশ্বাসের ভিত্তিতে কল্পনার পাখায় ভর করে পাকিস্তান প্রস্তাবকে একটি রাষ্ট্রের পবিত্র প্রস্তাব বিশ্বাস করে এর বাস্তবায়নের জন্য উঠে পড়ে লেগে যায়। উলামায়ে কিরাম যারা ছিলেন তারা যে পাকিস্তান প্রস্তাবকে ইসলামী রাষ্ট্রের স্বপ্নমত কাংখিত প্রস্তাব ধরে নিয়েই এর পিছনে জীবন বাজী রেখে সংগ্রাম করে। গেছেন তাতে বিন্দু মাত্রও সন্দেহের অবকাশ নেই। যদিও মুসলিম লীগের বন্ধু বড় নেতাদের মাথায় পাকিস্তান অর্থ মুসলমানদের পৃথক আবাস ভূমি ছাড়া জন কিছুই ছিল না। আর মুসলিম লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে এ মর্মে কোন লিখিত চুক্তির উলামায়ে কিরামের ছিল না।

অর্থঃ হাওয়ার উপর ইসলামী রাষ্ট্রের কল্পনার প্রাসাদ নির্মাণ করেই এই আবেগময় প্রস্তাব নিয়ে তারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছুটে যান। তাদের নির্বাচনী বক্তৃতাসমূহ থেকে তারা পাকিস্তান প্রস্তাবকে ইসলামী রাষ্ট্রের পবিত্র প্রস্তাব ভেবে কি আবেগময় চেতনা নিয়ে কাজ করেছেন তা সহজেই বুঝা যায়। ১৯৪৫ ইং সালের ২৬শে অক্টোবর মাত, যফর আহমদ উসমানী রাহ. তাঁর এক নির্বাচনী বক্তৃতায় বলেন যদিও বর্তমানে সমগ্র ভারতবর্ষকে ইসলামী হুকুমতের আওতাধীন আনা মুশকিল, তবুও অন্তত যে সকল প্রদেশে মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠতা রয়েছে সেগুলোতে হলেও ইসলামী শাসন চালু করা আবশ্যক। রাসুল সা. এর মক্কা থেকে হিজরতের মাঝে আমরা এর নিদর্শন খুঁজে পাই। মক্কায় ইসলামী শাসন বাস্তবায়ন সম্ভব না রাসূল সা. হিজরত করত। মদীনাকে কেন্দ্র করে ইসলামের প্রচার-প্রসারের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। ফলে ইসলাম কতটুকু লাভবান হয়েছিল জগতের ইতিহাস তার সাক্ষী। কাজেই এটিও অসম্ভব নয় যে পৃথক ভূ-খণ্ডে পাকিস্তানে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ বিকাশ সাধন করা সম্ভব হলে এর জ্যোতিতে গোটা ভারতবর্ষ আলোকিত হয়ে উঠবে এবং এতে ইসলামের সুস্পষ্ট বিজয় সূচিত হবে।

১৯৮৫ ইং সালের ৩রা নভেম্বর কলকাতার 'আসরে জাদীদ' পত্রিকায় মাত্র শীরम উসমানীর একটি বক্তৃতা ছাপা হয়। সে বক্তৃতায় তিনি বলেন পাকিস্তান প্রস্তাব হল কেবল একটি প্রারম্ভিক উদ্যোগ, ইসলামী হুকুমত পূর্ণভাবে এর শেষ গন্তব্য

Comments