""""রিফাত এই কথা শেষ করে, তার মাকে বলে আছো মা আমি এখন, আমার রুমে যাই, আর তুমি কি তোমার ওষুধগুলো ঠিক মত খাচ্ছো??""""
""""তখন রিফাতের মা তার উত্তরে বলে! হ্যাঁ বাবা ঠিকমতো খাচ্ছে আমার ব্যথার ওষুধ টা, শেষ হয়ে গেছে আজ দুপুরে তুমি একটু ওষুধ টা এনে দিও, তখন বলল আচ্ছা মা তোমার ওষুধ আমি রাতে খাবার আগেই এশারের নামাজ পড়তে যখন যাব, তখনই নিয়ে আসবো ইনশাআল্লাহ,""""
""""এই কথা বলে রিফাত তার মাকে বলে আচ্ছা মা তাহলে আমি এখন আমার রুমে যাই শরীরটা খুব ক্লান্ত লাগছে আর তুমি, যে খেয়াল রাখবে ওষুধগুলো ভালোভাবে টাইম মতো খেয়ে নিবে, আমি মীম কে বলে দিবো, সে যেন তোমাকে ঔষধ টাইম টু টাইম খাওয়ায়, তাহলে তুমি শুয়ে থাকো, আমি এখন আমার বনে যাই""""
"""""এই কথা শেষ করে, রিফাত তার মার রুম থেকে বের হয়ে আসে, বের হওয়া মাত্রই রিফাত দেখে মিম তার মায়ের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে, রিফাত বের হয়ে মিম কে দেখে বলে, কিরে তুই এখানে কেন দাঁড়িয়ে আছিস, ঘরে তো যেতে পারতে আমি আর মা বসে বসে কথা বললাম, তুই ঘরে যাইতে, তোর সাথে কথা বলতাম, তখন মিম রিফাত কে বলেন আচ্ছা ভাইয়া, তুমিতো নতুন ভাইয়াকে অনেক কিছু কিনে দিলে, কিন্তু আমার জন্য কি এনেছ বাজার থেকে,""""
"""""তখন রিফাত বলে ওহো!!!আমার আদরের ছোট বোনটার জন্য যেকোনো কিছু আনতে মনে নেই, তখন সে কথা শোনা মাত্রই মিম বলে, এখন কিভাবে মনে থাকবে, এখনতো আদরের ছোট বোনটাকে ভুলে যাবে, নতুন একটা ভাই
পেয়েছো না। আমার আদরের ছোট বোনের কথা মনে থাকবে,""""
""""""তুই কি বলছিস এসব, আমার একটিমাত্র বোন তুই তোকে কি আমি কোন ভাবে বলতে পারি???
তখন মিম কাঁদো কাঁদো স্বরে বলে, ভাইয়া আমাকে মনে হয় তুমি আর আদর করবে না, নতুন ভাই এসেছে তাকে নিয়ে সারাদিন ব্যস্ত থাকো, এখন আমাকে একটু সময় দাও না, তখন রিফাত বলে আরে পাগলি, তুই কিছু মনে করিস না সে আজকে এসেছে তো, তাই তাকে নিয়ে একটু এলাকাটা দেখিয়ে নিয়ে আসলাম, আচ্ছা ঠিক আছে, আমরা সবাই মিলে বাহিরে ঘুরতে যাব, এবং বাহিরে দুপুরের লাঞ্চ করব।"""
""""কি কথা বলে রিফাত মীমকে বলল, আচ্ছা তুই মার ওষুধগুলো টাইম টু টাইম খাওয়াবি, মার জনসেবা যত্নে কোন ত্রুটি না হয় তুই একটু দেখবি, তখন মিম বলে আমি কেন দেখব, তুমি বিয়ে করে বউ নিয়ে আসো, ভাবি মার ভালোভাবে খোঁজখবর নিবে, এই কথা বলা মাত্রই রিফাত মীমকে দৌড়ানি দিল দৌড়ানি দিয়ে বলল দাড়া আজ তোর খবর আছে, মীম দৌড়ে তার মার কাছে চলে গেল।'""""
"""""রিফাত তার রুমে চলে গেল, রুমে যাওয়ার পর শরীর থেকে পাঞ্জাবিতে খুলে বিছানার উপর ছুঁয়ে গেল রিফাত, শুয়ে এই জিনিসটা ভাবতে লাগলো, কবে জানি বড় ভাই আসে, ভাই এসে না জানি আবার, কোন ঝামেলা করে, সেটা তো বলা যায় না কারণ বড় ভাই অনেক ডেঞ্জারাস, আর রিফাত ও তার বড় ভাইকে দেখি, অনেক ভয় পাই, তাই এটা ভাবল যে আমি মজনুকে নিয়ে আসলাম বড় ভাই না জানি, কোন সমস্যা করে বসে। এরকম কথা ভাবতে ভাবতে রিফাত কখন জানে বিছানায় ঘুমিয়ে যায়""”
""""রিফাত বিছানায় ঘুমিয়ে যাওয়ার পর, একদম বিপুল ঘুমের মধ্যে চলে যায়, সে তার কানে এশারের আজান ভেসে আসে, তখন মজনু মীমকে সম্বোধন করে বলেন, এই যে শুনছেন, রিফাত ভাইয়াকে একটু বলেন যে এশারের নামাজের আজান হয়েছে, নামাজ পড়তে যাবে না, মিম মজনুর এই কথা শুনে, একটু রাগ হল যে সে কেন আমাকে হুকুম করল আমি এই বাড়ির একজন মেয়ে সে জানেনা।""""
"""""তারপর মিম রাগে রিফাতের রুমের সামনে যায় যাওয়ার পর। রুমে গিয়ে লাইট অন করে। লাইট অন করে দেখে রিফাত ঘুমের মধ্যে রয়েছে এক কথায় ঘুমিয়ে গিয়েছে, তারপর রিফাত কে ডেকে বলে ভাইয়া!! এশার নামাজের আজান হয়েছে তুমি নামাজ পড়তে যাবে না। তখন রিফাত বলল হ্যাঁ অবশ্যই আমি তো নামাজ পড়তে যাব, তোমার জন্য নতুন ভাই অপেক্ষা করছে, ও আচ্ছা মজনুকে বল অজু করে রেডি হতে, আমি আসছি,"""
""""এই কথা শোনার পর মিম রিফাতের ঘর থেকে বের হয়ে আসলো, এবং মজনু রুমের সামনে এসে বলল এই যে ,ভাইয়া আপনাকে বলেছে, অজু করে রেডি হয়ে থাকতে ভাইয়া আসছে, সেও নামাজ পড়তে যাবে, তখন মজনু মিমের কথার উত্তরে বলল, আচ্ছা ঠিক আছে আমি অজু করে রেডি হয়ে বসে আছি,""""
"""""""একথা শুনে মিম তার রুমে চলে গেল, এবং রিফাত অজু করে নিজ রুম থেকে বেরিয়ে আসলো। এবং রুম থেকে বের হয়ে, মজনুকে সম্মোধন করে ডাকল। বলল যে মজনু তুমি কোথায়, চলো নামাজের সময় হয়েছে মসজিদে যাব, একথা বলে তারা দুই ভাই বাসা থেকে বের হয়, মসজিদে যাওয়ার উদ্দেশ্যে,""""
"""""তারা উভয়ে মসজিদে গেল, এশারের নামাজ আদায় করল, এশারের নামাজ আদায় করার পর মসজিদ থেকে বের হলো, রিফাত মজনু কে বলল, আচ্ছা মজনু চলো তো, একটু ডাক্তারের দোকানে যাই, মার ঔষধ শেষ হয়ে গেছে, এরপর তারা দুই ভাই ডাক্তারের দোকানে গেল। এবং ঔষধ কিনলো আর বাসার দিকে রওনা হলো।""''
""""এই গল্পের বাকি অংশ পরবর্তী পর্বে বলা হবে ইনশাআল্লাহ, আপনারা গল্পটি শেষ পর্যন্ত পড়বেন, ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন আসসালামু আলাইকুম।""""


