"""""রিফাত এবং মজনু বাড়ীতে পৌঁছার পর, তারা দেখলো তার মা, বেড রুমে বসে আছে, রিফা বাড়িতে প্রবেশ করে, সর্বপ্রথম মার রুমে গেল, মা রুমে গিয়ে মাকে জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা মা তোমার কি মন খারাপ, তখন রিফাতের মা প্রতি উত্তরে বলল, আরে না! আজ তো আমার মন অনেক ভালো, কারণ এতদিন আমার দুইটি ছেলে ছিল, এখন থেকে তিনটি ছেলে হলো,""""
"""আচ্ছা মা আমি মজনুকে বাড়িতে নিয়ে এসেছি, তোমাদের কোনো অসুবিধা হচ্ছে না তো, তখন রিফাতের মা বলল আরে না পাগল, কি অসুবিধা হবে, তুমি যেমন আমার ছেলে, তেমনি মজনু আমার ছেলে, তোমার কথা শুনে মনে মনে মুচকি হাসি হেসে, এটা ভাবতে লাগে অবশেষে মা রাজি হয়ে গেল এখন হয়তো আর কোন সমস্যা হবে না""
""""এরপর রিফাত , তার মাকে বলল, আচ্ছা মা আমি একটু আমার রুমে যাই বাহির থেকে এসেছে তো, শরীরটা ক্লান্ত লাগছে, কিছুটা ক্লান্তি ভাব অনুভব হচ্ছে, তাই আমি একটু আমার রুমে যায় এবং বিছানার সাথে,"""""
""""শরীরটা লেলিয়ে দেয়, রিফাতের এই কথা শুনে তার মা বলল, আচ্ছা বাইরের কোন বাজে জিনিস খাস নি তো, শরীর খারাপ হয়ে যাবে, তখনই উত্তরে বলল, মা তুমি জানোনা তোমার ছেলেকে, তোমার ছেলে কি বাহিরের খারাপ জিনিস খেতে পারে,?""
""""রিফাতের একথা শুনে তার মা এক ধরনের ক্লান্তিময় শ্বাস ছাড়লো, এবং বলল আমার আমার ছেলের প্রতি অনেক বিশ্বাস আছে, যে আমার ছেলে কখনোই আমার অবাধ্য হবে না। এবং কোন কাজ আমাকে ছাড়া কখনোই করবেনা।এতোটুকু বিশ্বাস আমি আমার রিফাত এর উপর রাখি।
কারণ রিফাত আর দশটা ছেলের মত নয়, সে অনেক ভালো এবং ভদ্র সেটা তার ছোটবেলা থেকেই এই অভ্যাস, জানিস তোকে আমি ছোটবেলায় অনেক মেরেছি অনেক প্রহার করেছে কিন্তু কখনও তুই আমাকে একটি খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করিস নি"""
""""তখন থেকেই ওর প্রতি আমার একটি ভালো ধারণা এবং বিশ্বাস হয়ে গিয়েছে যে তুই কখনো খারাপ কাজের দিকে অগ্রসর হবে না এবং সর্বদায় ভালো কাজ করবে, এটাই আমার দোয়া তোমার জন্য, তখন রিফাত বলল মা সব সময় তুমি আমার জন্য দোয়া করবে যেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাকে সিরাতুল মুস্তাকিম""""
""""" সঠিক পথে রাখেন কখনো যেন আমি রদ ঘোষণা হয়, সে দোয়াটাই সবসময় ��মার জন্য করবে যেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাকে দুনিয়া আখিরাতের পুঁজি উপার্জন করার তৌফিক দান করেন তুমি আমার জন্য সব সময় এই দোয়াটাই করবে।"""
এই গল্পের বাকি অংশ পরবর্তী পর্বে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ, সকলে গল্পটি পড়বেন, সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন আসসালামু আলাইকুম।


