জীবন চলার পথ√√√ part 2

mahmud50

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ সম্মানিত সাথী ও বন্ধুগণ। আশাকরি সকলে ভালো আছেন??

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে আমি অনেক ভালো আছি।সমাহিত সাথী ও বন্ধুগণ আজকে আপনাদের সামনে আলোচনা করব জীবন চলার পথ গল্পটির দ্বিতীয় পার্ট নিয়ে।

আজকের আলোচ্য বিষয় হল।

 

 জীবন চলার পথ পার্ট 2√√√√√√√

 

তারপর রিফাতের মা রিফাত কে ,

জানা নেই চেনা নেই এমনিতেই কাউকে বাড়িতে নিয়ে চলে এসেছো, এটা তো ঠিক না বাবা,কাউকে না চিনে না জেনে বাড়িতে নিয়ে আসার ঠিক নয়, রিফাত তার মাকে বলল, মা তুমি কি বলছ,মজনু অনেক ভালো ছেলে আমি এ কারণেই মজনুকে আমাদের বাড়ীতে নিয়ে এসেছি, তবুও কেমন যেনরিফাতের মা মজনুকে বাড়িতে রাখতে চাচ্ছেন না, রিফাত অনেক জোরাজুরির পর, মজনুকে বাড়িতে রাখল। মজনু অনেক খুশি হয়েছিলাম যে সে রিফাতের বাড়িতে একটা আশ্রয়স্থল পেয়েছিল।

রিফাত মজনুকে বলে দিয়েছিল, আমার মা অনেক ভালো মানুষ, সে তোমাকে চিনতে পারেন নি বিধায় এসব কথা বলেছে তুমি কিছু মনে করো না, কয়েকদিন থাকো আমার মায়ের সাথে ভালো একটি সম্পর্ক গড়ে তোল, তাহলে তুমি দেখবে আমার থেকেও আমার মা তোমাকে বেশি ভালবাসবে, মজনু রিফাতের কথা শুনে মুচকি হেসে এবং চোখের এক ফোটা পানি ফেলে বলল ভাইয়া, অবশ্যই আমি আমার মন জয় করে নেব।

 

রিফাত তখন বলল, হ্যাঁ তুমি আমার মার মনটা জয় করে নাও তাহলে তোমার জন্য এই বাড়িতে থাকা আরও সহজ হয়ে যাবে, রিফাত কথাগুলো বলে, পুনরায় মজনু কে বলল, আচ্ছা মজনু তুমিতো সারাদিন কোন খাবার খাওনি? তখন মজনু বলে উঠলো, হ্যাঁ ভাইয়া আমি সারাদিন কোন খাবার খাইনি, অর্থাৎ আমি আজকে দুইদিন যাবত না খাওয়া।

 

তখন রিফাত মজনুর কথাটি শুনে, মজনু কে বলল, আচ্ছা মজনু তুমি ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নাও, ছোট ভাইয়া আমিও যাই আমার রুমে ফ্রেস হয়ে নি, তারপর দুই ভাই মিলে একসাথে আমরা খাবার খাব, এই কথা বলে রিফাত মজনুর ঘর থেকে বেরিয়ে এলো, এবং বাহিরে এসে মীমকে ডেকে বলল, মিম মিম•••••

 

তুই খাবার টেবিলে খাবার প্রস্তুত কর, আমি আর মজনু ফ্রেশ হয়ে এসে খাবার খাব, তুই একটু ভালো ভালো খাবার টেবিলে প্রস্তুত কর, মীমকে কথাগুলো বলে চলে গেল তার রুমে গিয়ে সারাদিন যে সমস্ত কাপড় চোপড় গুলো পড়ে ছিল, কাপড়চোপড় গুলো খুলে ফেলল। এবং ওয়াশরুমে গিয়ে ভালোভাবে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে এলো রিফাত একটি লুঙ্গি এবং একটি সেন্টু গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় বাহিরে এল, আসার পর মীমকে জিজ্ঞেস করল। মিম••••???

তখন মিম দৌড়ে এসে বলল, যে ছোট ভাইয়া কি হয়েছে বল, তখন রিফাত মীমকে বলল তুই কি খাবার টেবিলে খাবার প্রস্তুত করেছিস, রিফাতের কথার প্রতি উত্তরে মীম বলল... হ্যাঁ ভাইয়া আমি তো কখনই খাবার রেডি করে রেখেছি,,, আসোনি দেখে আমি আমার রুমে চলে গিয়েছিলাম, আচ্ছা ঠিক আছে, তারপর রিফাত মজনুকে ডেকে খাবারের টেবিলের দিকে সম্মোধন করে নিয়ে আসলো

 

মজিনু এসে খাবার খেতে বসলো এমন ভাবে খাবার খেলো মনে হয় জীবনে কোনদিন খাবার খায় নি, মজনুর খাবার খাওয়া দেখে রিফাতের বোন মিম অনেক হাসলো, মিমের হাসি দেখে মজনু অনেক লজ্জা কাতর হয়ে গেল, তখন রিফাত মীমকে এমন একটি ধমক দিল, ধমকের স্বরে মেঘদুত করে কেঁপে উঠলো,,,, এবং সাথে সাথে রুমে দৌড়ে চলে গেল।

 

এই গল্পটির বাকি অংশ তৃতীয় পর্বে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। আশা করি আপনারা সকলে পড়বেন।

Comments