ইসলামী শাসনতন্ত্র আখ্যা দেয়া

mahmud50


পক্ষান্তরে ইসলাম বিরোধী অনেক আইন ভাতে সন্নিবেশিত থেকে যায়

ইসলামী শাসনতন্ত্র আখ্যা দেয়া

১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইন্ডাদার মির্জা সারা দেশে সামরিক শাসন জারী করেন এবং ১৯৫৮ সালের ২৭ শে অক্টো ाরন। দেশে সামরিক নেতৃবৃন্দ দেঘানুল উলামা' নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন কানে করে যান। এ সময় তারা আইউব মুসলিম পারিবারিক আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। ই আলী কারী ইন্তেকাল করেন এবং হাফেজে সংগঠনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে আইউব মিলে জমিয়ত পুনরায় তৎপরতা শুরু করে এবং মাওঃ আব্দুল্লাহ দরবারীকে সভাপতি ও মাওঃ গোলাম গাউছ হাজারতীকে সাধারণ সম্পাদক করে জমিয়তের নতুন কমিটি গঠন করা হয়। আইউব খানের একনায়কতন্ত্র ও বিে কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন শুরু করেন।

১৯৬৪ সালে পাকিস্তান সরকার সারাদেশে সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করে। এ সময় আইউব খান 'ন্যাশনাল মুসলীম লীগ' নামে একটি নতুন দল গঠন করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন। অপর পক্ষে মূল মুসলিম লীগের পক্ষ থেকে মুহম্মদ আলী জিন্নার বোন ফাতেমা জিন্নাহকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে দাঁড় করানো হয়। পশ্চিম পাকিস্তান জমিয়তে উলামার নেতৃবৃন্দ আসন্ন নির্বাচনে আইউব খান কিংবা ফাতেমা জিন্নাহ কাউকেই ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে সমর্থনযোগ্য নয় মনে করে নিজেদের পক্ষ থেকে একজন প্রেসিডেন্ট মনোনীত করার সিদ্ধান্ত করেন। এ বিষয়ে পূর্ব পাকিস্তানের আলেম উলামাদের সাথে মত বিনিময়ের জন্য মুফতী মাহমুদ ও গোলাম গাউস হাজার পূর্ব পাকিস্তানে সফরে আসেন। যেহেতু পূর্ব পাকিস্তানের আলেম উলামারা তখন মাত আতহার আলীর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ছিলেন, এ কারনে তাঁরা মাওঃ আতহার আলীর সাথে মত বিনিময় করেন এবং তাকেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অনুরোধ করেন। যে কারনেই হোক মাও. আতহার আলী এতে অসম্মতি প্রকাশ করেন এবং তিনি বলেন যে, এই বিবাদমান পরিস্থিতিতে আ আর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ গ্রহণ করব না। অগত্যা চট্টগ্রাম ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জনাব রেজাউল করীম এম এ কে জমিয়তের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। রেজাউল করীম সাহেব ছিলেন অত্যন্ত পরহেজগার ও দ্বীনদার মানুষ এবং জমিয়তের সাথে দীর্ঘদিন থেকে সাি বাক্তি। একটি ইসলামী রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রতীক হিসাবেই জমিতে তাকে মনোনয়ন দান করেছিল। নির্বাচনে পাশের সম্ভাবনা পূর্ব থেকেই তেমন একটা

Comments