সবাই মিলে পড়াশোনা করি
প্রথমে নিচের দুটি মাসআলা পড়েন,
এক.
নাতি-নাতনির মীরাস( উত্তরাধিকার) থেকে দাদি এক ষষ্ঠাংশ(ছয় ভাগের এক ভাগ)পাবে।
দুই.
এক বোনের ইদ্দত চলাকালীন তার প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে অপর বোনের বিবাহ অবৈধ ।
প্রিয় পাঠক!
এক.
উপরোক্ত দুটি মাসআলার প্রমাণ সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহ থেকে দিবেন।
দুই.
উত্তর হবে জানেন/জানেন না/ অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কথাও থাকতে পারে সেটাই লেখবেন।
যারা উপদেশ দিবেন, মেহেরবানী করে উত্তরসহ উপদেশ দিবেন যাযাকাল্লাহ।
আজকের পড়াশোনার ফলাফল:
এক,
কয়েকজন কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে প্রশ্ন দুটির উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ।
দুই,
অনেকেই হয়তো তালাশ করেছেন কিন্ত পাননি।
আপনারাও ইলম্ অন্বেষণের প্রতিদান পেয়েছেন ইন শা আল্লাহ।
মুল কথায় আসি,
তাহলে প্রশ্ন দুটির সমাধান কি কুরআন ও সুন্নাহে নাই?
উত্তর:
কুরআন-সুন্নাহ অনেক ক্ষেত্রে প্রশ্নের উত্তর সরাসরি না দিয়ে ইংগিত দিয়েছে, ঐ ইংগিত অবলম্বন করে আমরা যেন উত্তর তালাশ করে নেই। এমনই একটা ইংগিতের নাম " ইজমা " (কোন মাসআলায় উম্মতের ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হওয়া) ।
প্রমাণ:
এক,
عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
إِنَّ اللَّهَ لاَ يَجْمَعُ أُمَّتِي - أَوْ قَالَ أُمَّةَ مُحَمَّدٍ صلى ال عليه وسلم - عَلَى ضَلاَلَةٍ وَيَدُ اللَّهِ مَعَ الْجَمَاعَةِ وَمَنْ شَذَّ شَذَّ إِلَى النَّارِ
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা আমার উম্মাতকে অথবা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-র উম্মাতকে কখনোও গোমরাহীর উপর সমবেত করবেন না। আর জামা’আতের উপর আল্লাহ্ তা’আলার হাত (সাহায্য) প্রসারিত। যে লোক (মুসলিম সমাজ হতে) আলাদা হয়ে গেছে, সে বিচ্ছিন্নভাবেই জাহান্নামে যাবে।
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২১৬৭
দুই,
لا تجتمعَ أمَّتي على ضلالةٍ
আমার উম্মত পথভ্রষ্টতায় একত্রিত হবেনা।
مختصر المقاصد ١١٧٩ • صحيح
ফলাফল:
উপরোক্ত দুটি মাসআলায় সাহাবায়ে কেরামের ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যাকে শরিয়তের পরিভাষায় " ইজমা "( কুরআন ও সুন্নাহ থেকেই উৎসারিত আরেকটি দলিল) বলা হয়।
অর্জন
শরীয়তের মাসআলা গুলো জানার ক্ষেত্রে নতুন একটা দলিল জানলাম,তা হলো " ইজমা "।
আবারও বলছি " ইজমা " কুরআন ও সুন্নাহ থেকে উৎসারিত আরেকটি দলিল।



