কাদিয়ানী

mahmud50

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ সম্মানিত সাথী ও বন্ধুগণ আশাকরি সকলে ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। সম্মানিত সাথী ও বন্ধুগণ আজকে আপনাদের সামনে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সেই বিষয়টি হলো ভারতবর্ষের শুরুলগ্নে যে চারজন মানুষ এসেছিল এসে আমাদের ধর্মের মাঝে বিরক্ত সৃষ্টি করেছিল সেই চার জন লোকের বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করব।

এই চারজনের মধ্যে এক নাম্বার হলেন গোলাম আহমদ কাদিয়ানী। যাকে অনুসরণ করে আমাদের দেশে অনেক কাদিয়ানী সদস্য রয়েছে যারা কিনা এটা বলে যে কাদিয়ানী গোলাম আহমদ কাদিয়ানী সে নাকি আল্লাহ তাআলার শেষ নবী কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তারপর আর কোন নবী আসবে না। তাহলে আপনারাই বলুন যদি সে আল্লাহর নবী হয়ে থাকেন তাহলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর কথা গুলো মিথ্যা প্রতিপন্ন হবে আর এটা কি কখনো বিশ্বাস করা যায় যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মিথ্যা কথা বলে গেছেন আমাদের মাঝে কারণ আল্লাহ রাসুল কখনো আমাদের মাঝে মিথ্যা কথা বলতে পারেন না এ কথা আমরা কখনোই বিশ্বাস করিনা।যে সমস্ত বিষয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের থেকে ঘোষণা হয়েছে সেই সমস্ত বিষয়ে আমাদের সাথে কথা বলেছেন আল্লাহর রাসূল আমাদেরকে তারা হাদিস দ্বারা এবং সাহাবায়ে কেরামদের কে শিক্ষা দেওয়ার তারা আমাদেরকে শিখিয়ে গেছেন। যদি অবশ্যই গোলাম আহমদ কাদিয়ানী আল্লাহ রব্বুল আলামিনের শেষ নবী হত তাহলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনোই বলতো না যে আমি শেষ নবীর পর কোন নবী আসবে না। তাহলে কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম মিথ্যা কথা বলে গেছেন। এখনো আমাদের দেশে অনেক অসংখ্য কাদিয়ানী অনুসারী রয়েছে যারা কিনা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লামকে শেষ নবী হিসেবে মানে না বরং গোলাম আহমদ কাদিয়ানী কে শেষ নবী হিসেবে মানে।এককথায় একটি কথা যে আমরা কাদিয়ানীর পরিচয়টা জানবো কারণ আল্লাহর রাসূল বলেছেন যারা নবী হবেন আল্লাহ রব্বুল আলামীন বলেছেনঃ যারা নবী হবেন তারা যে স্থানে মৃত্যুবরণ করবেন তাদেরকে সেই স্থানে দাফন করা হবে গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর মৃত্যু বরণ করেছেন বাথরুমের ভিতরে তার মিরকি রোগ ছিল এ কারণেই সে বাথরুমের ভেতরে পড়ে মারা যায় তাহলে একটা জিনিস আপনারা ভাবুন সে যদি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নবি হতেন তাহলে সে কেন মারা গেলেন। বাথরুমে পড়ে তাহলে আপনারা ভাবুন যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে তার সম্মানিত নবীদেরকে বাথরুমের ভিতরে ফেলে মারবেন এটা কি কোনভাবে সম্ভব এটা কোন জ্ঞানী লোকদের কোন ভাবে বুঝে আসবে না যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর একজন নবী কে বাথরুমের ভিতরে ফেলে মেরে ফেলেছেন। কারণ হলো নবীদের শান এবং মান অনেক উচ্চ স্তরে অনেক উচ্চাঙ্গের আপনারা পৃথিবীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটি জিনিষ খেয়াল করলে দেখতে পাবেন পৃথিবীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোন নবী এরকম লাঞ্চিত অপদস্থ অবস্থায় মারা জাননি। আর গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর এক চোখ বন্ধ ছিল যে চোখে সে দেখত না পৃথিবীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোন নবীর চক্ষু বা কোন অঙ্গ অকেজো ছিলনা ব্যবহারের অযোগ্য ছিল না কারণ অকেজো জিনিস দাঁড়া যেই জিনিস দ্বারা কোনো কাজ হয় না এমন কোন অঙ্গ পতঙ্গ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নবীদের মাঝে দেননি কারণ নবীদেরকে আল্লাহ রব্বুল আলামীন পৌঁছেছেন অনেক উচ্চ স্তরে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নবীদের সম্মান রেখেছেন।তো আপনার গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর ভক্তদেরকে আমি বলতে চাই আপনারা শুনে রাখুন কাদিয়ানী যে কাফের সে ভারতবর্ষে সে ভারতবর্ষের মধ্যে একটি মতবিরোধ সৃষ্টি করেছিল ভারতবর্ষে মতবিরোধ সৃষ্টিকারীর চারজনের মধ্যে একজন হল সেই গোলাম আহমদ কাদিয়ানী। এ কারণেই একটি কথা বলি আপনারা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী কে অনুসরণ করেন ঠিক কিন্তু একটি কথা ভাবুন সেকি আল্লাহতালার নবী হতে পারে এটা কি আপনাদের মাথায় মারা করে ধরে। আল্লাহর নবী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন। তিনি শেষ নবী তাহলে এখন আপনার ভেবে দেখুন কাদিয়ানী কিভাবে শেষ নবীর হতে পারে এ পর্যায়ে আমি একথা সর্বশেষে বলতে চাই কাদিয়ানীরা কাফের এই কথার মাঝে কোন সন্দেহ নেই কারণ ঈমান রাখার মত যে সমস্ত কথা আল্লাহর রাসূলের হাদিস এবং কুরআন যদি কেউ অস্বীকার করে তাহলে তার ঈমান থাকে না সে কাফের হয়ে যায় এই সূত্র অনুযায়ী আমরা বলতে পারি কাদিয়ানী সম্প্রদায় কাফের। তো সম্মানিত সাথী ও বন্ধুগণ আপনার একটু বোঝার চেষ্টা করুন।নিজেদের আকুল কে জ্ঞানকে কাজে লাগান তাহলে আপনাদের সমস্ত বিষয়গুলো বুঝে আসবে।

 

সম্মানিত সাথী ও বন্ধুগণ আজকের আলোচনায় পর্যন্তই আশা করি সকলে বিষয়গুলো বুঝতে পেরেছেন আর লেখাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন আশা করি সকলের ফায়দা হবে এবং সকলের সে কথাগুলো বুঝতে পারবেন এবং আজকের আলোচনা শেষ করছি সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন সকলের কাছে আমি দোয়া প্রার্থী আসসালামুয়ালিকুম।

Comments