মাওলানা শাব্বীর আহমদ উসমানীর ইন্তেকাল

mahmud50
ওটাকে ইসলামী শাসনতন্ত্র আখ্যা দেয়া যায়নি। মাওলানা শাব্বীর আহমদ উসমানীর ইন্তেকালের পর ডিসেম্বর ১৯৫২ সালে মুলতানে জমিয়তের কনভেনশনে মাওলানা আহমদ আলী লাহোরী সভাপতি ও মাওলানা এহতেশামুল হক থানভী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের জমিয়ত নেতৃবৃন্দ খতমে নবুওয়ত আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েন। মাওলানা আতাউল্লাহ শাহ বোখারী, মাওলানা গোলাম গাউছ হাজারভী প্রমুখ জমিয়ত নেতৃবৃন্দের আহ্বানে লক্ষ লক্ষ মুসলমান কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার দাবীতে লাহোরে বিক্ষোভ মিছিল করে। বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। দশ হাজারের অধিক মুসলমান লাহোরের রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে শাহাদত বরণ করে। বিচারের নামে প্রহসনের মাধ্যমে জমিয়ত নেতা মাওলানা বুখারী ও মাওলানা হাজারভী মাও: আব্দুস সাত্তার নিযামী ও জামাতে ইসলামের আমীর মওদুদী সাহেবের ফাঁসির হুকুম হয়। এ সময় জননেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী নিজ খরচে লাহোর গিয়ে জমিয়ত নেতৃবৃন্দের পক্ষে ওকালতি করেন। মুসলিম বিশ্বের নেতৃবৃন্দের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার জমিয়ত নেতৃবৃন্দকে ফাঁসির বদলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়ী হলে তাঁরা কারামুক্ত হন। ১৯৫৪ সালে জমিয়তের নির্বাহী কমিটি পুনঃগঠন করা হয়। মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ হাসান সভাপতি নির্বাচিত হন। অতপর ১৯৫৬ সালে জমিয়তের কনভেনশনে মাওলানা আহমদ আলী লাহোরী সভাপতি ও মাওলানা গোলাম গাউছ হাজারভী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।



কিন্তু ঘটনাক্রমে ১৯৫৬ সালের এই নির্বাচনে জমিয়তে উলামার নেতৃত্ব চলে যায় সাবেক জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সমর্থক ব্যক্তিবর্গের হাতে। এতে পাকিস্তান সমর্থক আলেম উলামারা রাজনৈতিকভাবে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। বিশেষ করে পশ্চিম পাকিস্তানের আলেমগণের মাঝে এ প্রতিক্রিয়া বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়। ফলে পশ্চিম পাকিস্তানে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কর্মতৎপরতা আবর্তিত হয় পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পূর্বে যারা জমিয়তে উলামাযে হিন্দের সাথে অখণ্ড ভারতের দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন তাদের নিয়ন্ত্রণে । কিন্তু পূর্ব পাকিস্ত ানে জমিয়তে উলামার নেতৃত্ব ছিল পাকিস্তান সমর্থক আলেমদের হাতে মাওঃ আতাহার আলীর নেতৃত্বে-যারা পূর্ব পাকিস্তানে নেয়ামে ইসলাম নামে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কর্মতৎপরতা অব্যাহত রাখেন। পাকিস্তানের দুই ভূখণ্ডে দুই দর্শনে বিশ্বাসী দুই দল আলেমের নেতৃত্বে একই নামে জমিয়তে উলামার রাজনৈতিক ও অন্যান্য কার্যক্রম চলতে থাকে।

১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র প্রণীত হয়। যার মাঝে এমন কিছু ইসলামী

Comments