সবাই মিলে পড়াশোনা করি পর্ব
তিনটা হাদীস লিখে দেন,
(১)সহীহ হাদীস (২)যয়ীফ হাদীস (৩) জাল হাদিস।
এক,
যে কোন একটি হাদীস লিখে দেন,যাকে আল্লাহ ও তার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
"সহীহ "বলেছেন।
দুই,
যে কোন একটি হাদীস লিখে দেন, যাকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
" যয়ীফ "(দূর্বল)বলেছেন।
তিন,
যে কোন একটি হাদীস লিখে দেন, যাকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
" মাওজু"(জাল)বলেছেন।
বিঃদ্রঃ
যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন হাদীস কে সহীহ, যয়ীফ এবং জাল না বলে থাকেন তাহলে এই নাম গুলো কারা রাখলেন?
মনোযোগ দিয়ে বুখারী শরীফের হাদীস টা পাঠ করেন,,,,
عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لَنَا لَمَّا رَجَعَ مِنَ الأَحْزَابِ " لاَ يُصَلِّيَنَّ أَحَدٌ الْعَصْرَ إِلاَّ فِي بَنِي قُرَيْظَةَ ". فَأَدْرَكَ بَعْضُهُمُ الْعَصْرَ فِي الطَّرِيقِ فَقَالَ بَعْضُهُمْ لاَ نُصَلِّي حَتَّى نَأْتِيَهَا، وَقَالَ بَعْضُهُمْ بَلْ نُصَلِّي لَمْ يُرَدْ مِنَّا ذَلِكَ. فَذُكِرَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يُعَنِّفْ وَاحِدًا مِنْهُمْ.
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আহযাব যুদ্ধ হতে ফিরার পথে আমাদেরকে বললেন, বনূ কুরাইযাহ এলাকায় পৌঁছার পূর্বে কেউ যেন ‘আসর সালাত আদায় না করে। কিন্তু অনেকের রাস্তাতেই আসরের সময় হয়ে গেল, তখন তাদের কেউ কেউ বললেন, আমরা সেখানে না পৌঁছে সালাত আদায় করব না। আবার কেউ কেউ বললেন, আমরা সালাত আদায় করে নেব, আমাদের নিষেধ করার এ উদ্দেশ্য ছিল না যে নামাজ পড়বনা(বরং উদ্দেশ্য ছিল তাড়াতাড়ি যাওয়া) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এ কথা উল্লেখ করা হলে, তিনি তাঁদের কারোর ব্যাপারে কড়াকড়ি করেননি।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৯৪৬
এক,
একই হুকুমে সাহাবাদের মাঝে দুটি দল হয়েছে,
একদল সাহাবাদের মতামত(মাযহাব) হলোঃ
যেহেতু নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন বনু কুরাইজা তে গিয়ে আছর পড়তে সেহেতু সেখানে গিয়েই আছর পড়ব।
দুই,
আরেক দল সাহাবাদের মতামত(মাযহাব) হলোঃ
নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদেশ দ্বারা নামাজ বিলম্ব উদ্দেশ্য হতে পারেনা, তাই তারা সালাত আদায় করে নিয়েছেন।
তিন,
উভয় দলের মতামত (মতামত এর আরবি মাযহাব)
শোনার পর নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কড়াকড়ি করেন নি।
প্রিয় পাঠকবৃন্দ!
নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই হাদীস থেকে আপনাদের কি বুঝে এসেছে সেটা লেখেন,,,,,,,,
যাযাকুমুল্লাহ।


