আর্মি

mahmud50
সংক্রান্ত বিলের বিরোধিতা করেছেন বলিষ্ঠভাবে, গর্ভপাত সংক্রান্ত আইন ও আর্মি বিল ইত্যাদি অনেক ক্ষেত্রেই তিনি তার পূর্ব ওয়াদা রক্ষা করেননি। কিনার এসকল আচরণে হযরত মদনী রাহ, মারাত্মক আঘাত পেয়েছিলেন, কারণ তিনি তখন দলের প্রধান ব্যক্তি না হলেও তাঁর মতামতকে দলের সকলেই গুরুত্ব দিত। লীগকে সমর্থনের প্রশ্নেও তার মতামতের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। একারণেই তিনি আহত হয়েছিলেন সবচেয়ে বেশি। একদিকে নির্বাচনে লীগের সফলতা, অন্যদিকে লীগের নেতৃবৃন্দের এহেন আচরণ এবং তাদের অধীনতা প্রিয় মনোভাবের কারণে চির স্বাধীনতাকামী হযরত মদনী রাহ. এর চোখে পরাধীন ভারতবর্ষে মুসলমানদের ভবিষ্যত বড় অন্ধকারাচ্ছন্ন বলে প্রতিভাত হল ।

হাই হোক এসকল পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে জময়িতে উলামা মুসলিম লীগ থেকে তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়। পত্র পত্রিকায় লীগ থেকে আলেমদের সমর্থন। জোহারের কারণের উপর বিস্তারিত প্রতিবেদন পেশ করা হয়। এ ব্যাপারে বই পুস্তকও ছাপিয়ে বিতরণ করা হয়। কিন্তু ততদিনে মুসলিম লীগ রাজনীতির মাদানে এবং জমনে এমন দৃঢ় আসন গেড়ে নিয়েছিল যে, এগুলো সাধারণ মানুষের মাঝে তেমন একটা প্রভাব সৃষ্টি করতে পারেনি। একদিন যারা আলেম উলামাদের জোর প্রচেষ্টায় লীগের অন্তর্ভুক্ত হয়ে রাজনীতির ময়দানে পদার্পণ করেছিল এবং কুরবানী স্বীকার করতে লেগে গিয়েছিল, তারা অনেকেই এ পরিস্থিতি আঁচ করতে পারেনি। তাছাড়া লীগের সাথে কতিপয় দ্বীনদ্বার সরলমনা হলেম উলামাদের সংশ্লিষ্টতা বিষয়টিকে আরো নাজুক করে তুলেছিল। লীগের সাথে জমিয়তে উলামার সম্পর্কচ্ছেদের কারণে এ দুই দলের মাঝে বৈরিতা সৃষ্টি হা এবং রাজনৈতিক ময়দানে এক দল আরেক দলের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। নিতে হযরত মদনীর বক্তৃতা ও জাতীয়তার প্রশ্নে বিভ্রান্তি ঃ

১৯৩৭ সালে দিল্লীতে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় বক্তৃতাকালে হযরত মদনী ইংরেজদের DIVID AND RULE (ডিভাইড এন্ড রোল)- এর পলিসির কথা আলোচনা করেন। তারা যে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন শ্লোগান তুলে ঐক্যবদ্ধ শক্তিকে ভেঙ্গে দেওয়ার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে এ বিষয়ে আলোকপাত করতে গিয়ে তিনি। বন, যে, 'তারা আরব ও তুরস্কের ঐক্যে ফাটল ধরানোর জন্য সেখানে ভৌগোলিক অঞ্চল ভিত্তিক জাতীয়তার ধোঁয়া তুলে আরব জাতি যে ভিন্ন এক গতি এই শ্লোগান উঠিয়েছে এবং আরবদেরকে আরব জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ করে যুদ্ধ থেকে বিচ্ছিন্ন করে একটি বৃহৎ শক্তিকে ভেঙ্গে খান খান করে দিয়েছে। দিতে চাচ্ছে। সুতরাং এ মুহুর্তে ইংরেজদের দেওয়া এই জাতীয়তার থিউরীর পভাবে ভারতে ইংরেজ বিতাড়নের প্রশ্নে সর্বভারতীয়দের সমন্বয়ে যে বৃহৎ ইকা গড়ে উঠেছে, ধর্মভিত্তিক জাতীয়তার ধোঁয়া তুলে তা ভেঙ্গে খান খান করে ন না পড়ে সকল ধর্ম সম্প্রদায়ের লোকেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে, জাতি ধর্ম

Comments