সময়

mahmud50
এর সাথে ইসলাহী সম্পর্কে গড়ে তুলেন এবং পরে গঙ্গুহী রাহ. থেকে খিলাফত লাভ করেন। মদীনায় পৌঁছে দীর্ঘ ১৮ বৎসর তিনি মসজীদে নববীতে দরলে হাসানের ে নিরত থাকেন। হযরত শায়খুল হিন্দ রাহ. মদীনায় পৌঁছলে উস্তাদের নিে নিজেকে উৎসর্গ করেন। তখনই তিনি হযরত শায়খুল হিন্দ রাহ, এর আন্দোলনী তৎপরতায় অংশগ্রহণ করতে শুরু করেন। স্বেচ্ছায় কারাবরণ কর শায়খুল হিন্দের সঙ্গে তিনিও মিশর হয়ে মাল্টায় নীত হন।

সপরিবারের মদীনা শরীফ হিজরতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। হযরত মদ

হযরত মদনী রাহ. এর ভারতে প্রত্যাবর্তন ঃ

মাল্টা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর হযরত হুসাইন আহমদ মদনী রাহ, গিয়ে শায়খুল হিন্দের পরামর্শে তার সঙ্গেই ভারতে চলে আসেন। হুসাইনের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে বসবাস তাঁর জন্য নিরাপদ মনে করেননি শায়খুল হিন রাহ. । কেননা ইংরেজ গোয়েন্দা রিপোর্টে হযরত মদনী রাহ. কে এ আন্দোলনে অন্যতম নেতা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, তাছাড়াও তুরস্কের পক্ষে মদীনায় আনোয়ার পাশা ও জামাল পাশা কর্তৃক আয়োজিত দু'আর মাহফিলে জ্বালাময়ী জিহাদী বক্তৃতা দানের অপরাধেও তাকে অপরাধী করা হয়। এ ছাড়াও ইংরেজ সরকারের ফাইলে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার বিভিন্ন অভিযোগ ছিল।

শায়খুল হিন্দের আন্দোলন সম্পর্কে তদন্ত করার জন্য বৃটিশ সরকার একটি কমিটি গঠন করেছিল। সে কমিটি তদন্তের পর এক হাজার পৃষ্ঠা ব্যাপী একটি রিস্টে পেশ করে। সে রিপোর্টে এ আন্দোলনে কার কি ভূমিকা ছিল তাও সবিস্তারে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরবর্তী ইতিহাসে এটাকে 'রোল্ট কমিটির রিপোর্ট' বলে আখ্যায়িত করা হয়।

উক্ত রিপোর্টে এও উল্লেখ করা হয় যে, “ এ আন্দোলনকে সফল করার জন আন্তর্জাতিক সামরিক বাহিনী গঠনের পরিকল্পনাও নেতৃবৃন্দের রয়েছে, যার ফল দফতর মদীনায় কায়েম করা হবে এবং এর প্রধান সেনাপতি থাকবে মাওঃ মাহ হাসান, বিভিন্ন স্থানে এর আঞ্চলিক ঘাঁটি স্থাপনের সিদ্ধান্তও তাদের রয়েছে। াবিত ঘাঁটিসমূহ হচ্ছে কনসটান্টিনোপল, তেহরান এবং কাবুল। মাও উ সিন্ধীকে কাবুলের সেনাপতি করার প্রস্তাবও তাদের রয়েছে। " সুতরাং ইংরেজদের পোষ্যপুত্র শরীফের শাসনাধীন অঞ্চলে অবস্থান হযরত জন্য নিরাপদ নয় মনে করেই শায়খুল হিন্দ রাহ, তাকে ভারতে চলে পরামর্শ দেন।

Comments