ইসলামিক কথা

mahmud50

 

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ সম্মানিত মাহমুদ মিডিয়ার দর্শকগণ। 

  আশা করি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহ রব্বুল আলামিনের অশেষ রহমত ও দয়ায় আপনারা প্রত্যেকেই ভাল আছেন ।

 

আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি।পবিত্র রমজান মাস মুসলিম উম্মার দরজায় কড়া নাড়ছে ,আর এক মাস ও বাকি নেই আর কয়েকদিন পরেই আল্লাহ তাআলার রহমত বরকত মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজানুল মুবারক শুরু হবে।

 

 তাই আমাদের জেনে নেওয়া উচিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিভাবে রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। বন্ধুরা আজকের ভিডিওতে সে সম্পর্কে আলোচনা করব ইনশাল্লাহ 

 

বন্ধুরা ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখতে থাকুন আর প্রতিনিয়ত ইসলামিক শিক্ষনীয় ভিডিও পেতে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন

 

 চলুন যাওয়া যাক মূল আলোচনায় ,রমজান মাসের প্রস্তুতির জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মূলত তিন প্রকার কৌশলে প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন।১ নফল রোযার মাধ্যমে, রমজানএর ব্যবহারিক প্রস্তুতি গ্রহণ।

 

২রমজানের বরকত হাসিল এর জন্য আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া।

৩ চার পাশের সকলকে রমজানের রহমত বরকত সম্পর্কে সচেতন করা। এবং তা অর্জনের জন্য উৎসাহিত করা।

 

যাতে সফলতা অর্জনের জন্য অগ্রসর হয় রমজানের পূর্ববর্তী শাবান মাসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের প্রস্তুতি হিসেবে নফল রোজা রাখতেন।

হযরত উসামা ইবনে যায়েদ রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হতে বর্ণিত, আমি একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম হে আল্লাহর রাসূল আমি শাবান মাসের মত আপনাকে অন্য কোন মাসে রোজা রাখতে দেখি নি , 

 

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন রজব ও রমজানের মাঝে অবস্থিত এটি এমন একটি মাস।যাতে লোকেরা খুব মনোযোগ দেয় না।

 এটি এমন মাস যখন বান্দার আমল সারা জগতের অধিপতির সামনে হাজির করা হয় ।এবং আমি চাই আমার আমল এ অবস্থায় হাজির হোক যখন আমি রোজা পালনের মধ্যে থাকি ।(নাসায়ী)।

 

 হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা থেকে বর্ণিত আছে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে মাসে অধিক রোজা পালন করতেন। তাহলো সাবান। এবংআবশ্যিকভাবে তিনি তা রমজানের সাথে যুক্ত করতেন।

 নাসাঈ আবু দাউদ

 তবে শাবান মাসে তিনি কতদিন রোজা রাখতেন তার নির্দিষ্ট ভাবে জানা যায়নি। কিন্তু এটা আমরা সাধারণভাবে ধারণা করতে পারি রমজান আসার পূর্বে তিনি দৈনিক রোজা রাখার অনুশীলনের সূচনা করতেন। অবশ্য পুরা মাস তিনি রোজা রাখতেন না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোন নতুন মাসের চাঁদ দেখতেন।

 

এমনকি রমজানের চাঁদ দেখলে ও তিনি এই দোয়া পাঠ করতেন। হে আল্লাহ এই চাঁদকে আমাদের জন্য নিরাপত্তা ঈমান ও ইসলামের নিদর্শন হিসাবে আনয়ন করুন। হে চাঁদ! তোমার এবং আমার প্রভু একমাত্র আল্লাহ ,পথ নির্দেশনা ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক এই চাঁদ। (তিরমিজি)

 

 রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আগমন উপলক্ষে সবাইকে সচেতন ও উৎসাহ প্রদান করতেন হযরত আবু হুরাইরা রাযি আল্লাহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন।

 

 যখন তোমাদের মধ্যে বরকতময় মাস রমজানের আগমন ঘটে যে মাসে সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ তোমাদের জন্য রোজাকে নির্দিষ্ট করেছেন তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সকল শয়তানকে শিকল বন্দি করা হয়

 

 এই মাসে আল্লাহ এমন একটি রেখেছেন হাজার মাসের তুলনায় উত্তম যে এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয় সে প্রকৃত বঞ্চিত হয় নাসাঈ সুতরাং বোঝা যায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলমানদেরকে রমজানের কল্যাণ অর্জনের জন্য কিভাবে উৎসাহ প্রদান করেছেন 

 

আমরা আল্লাহর রাসূলের অনুকরণে এই তিনটি প্রক্রিয়ায় নিজেদের রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারি ।আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে বোঝাও আমল করার তৌফিক দান।

 করুক আমীন বন্ধুরা আমাদের ভিডিওটি ভাল লেগে থাকলে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

Comments