আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ সমন্বিত সাথী ও বন্ধুগণ আশাকরি সকলে ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমি অনেক ভালো আছি সম্বন্ধে সাথী ও বন্ধুগণ আজকের আলোচ্য বিষয় হল আজকে আমি একটি মনোরম পরিবেশে আলুক্ষেত যেটাকে বলা হয় যেখানে আলু বপন করে মুন্সীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী আলু চাষের আলো দেখতে আমি এসেছি। এই জায়গায় আপনাদের কাছে আমি এসে যে সমস্ত জিনিস গুলো দেখলাম। এই বিষয়গুলো আপনাদের মাঝে আলোচনা করব। আশা করি আপনারা আমার আলোচনাটি শেষ পর্যন্ত পড়বেন এই আশায় আমি আলোচনাটি শুরু করছি।
আমি এবং আমার কয়েকজন বন্ধু মিলে আজকে চলে এসেছি মুন্সীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী আলুয়াবাড়ি স্থানে যে জায়গায় মুন্সীগঞ্জের মানুষ গুলো আলু আবাদ করে কারণ মুন্সিগঞ্জের মানুষের একটি ঐতিহ্যবাহী চাষাবাদ হল আলু চাষ করা। আমরা হয়তো সকলেই জানি যে মুন্সীগঞ্জের মানুষ আলু চাষ করে কিন্তু সেটা কখনো নিজের চোখে দেখা হয়নি তো আজকে চলে এসেছি সেটা নিজের চোখে দেখার জন্য। তো আলু চাষ দেখলাম খুবই ভালো লাগলো কারন আলু চাষ সকলেই করেনা আলু চাষের জন্য কিছু কিছু জমির উর্বরতা লাগে যেমন এই জায়গার জমিগুলো অনেক বড় এই জায়গায় বছরে তিন মাসের মত জমিগুলো পানির নিচে ডুবে থাকে তারপর আস্তে আস্তে জমিগুলো পানি থেকে জেগে উঠে।
পানি থেকে জমিগুলো জেগে ওঠার পর এই জমিগুলোতে হাল চাষ করা হয় প্রথমে এবং তার ভিতরে কিছু সার কীটনাশক দেওয়া হয় যেন জমিতে ফসল ভালো করে জন্মাতে পারে এবং ফসল উৎপন্ন হয়। এইজন্য জমিতে প্রথম চাষ করার পর কীটনাশক বা সার ব্যবহার করা হয়। এই কিতা সব সার ব্যবহারের ফলে জমিতে ভালো ফসল ফলে বলে কৃষকেরা মনে করে। এরপর জমিতে আবার চাষ করা হয়। চাষ করার পর জমিতে ছোট ছোট লাঙ্গল দিয়ে টেনে টেনে সেই জায়গায় আলু বপন করে কৃষকরা। আলু বপন করার পর সেই জায়গায় তারা ধানের খড় বা নাড়া দিয়ে সুন্দর করে ঢেকে দেয় যেন আলু গাছ গুলো সুন্দর ভাবে বের হয়ে ছড়িয়ে যেতে পারে সেই নাড়া গুলোর উপরে।
এবং সেই নাড়া গুলোর উপরে যেন সুন্দরভাবে আলু গাছ গুলো বিছিয়ে যায় যেন কোন অসুবিধা না হয় সেই জন্য তারা তার প্রতি খুবই ভালো রাখে। কারণ গাছগুলো যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে ফসল ভালো না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর ফসল যদি ভালো না হয় তাহলে তো তাদের অভিযোগ আরো কমে যাবে যে খরচ তারা ইহার ভিতর জমির ভিতর করে তা তাদের লস হয়ে যাবে এই কারণে তারা অধিক হারে লক্ষ্য রাখে যেন কোন কিছুতে কমতি না হয়ে যায়।
আলু গাছ গুলো দেখে আমাদের অনেক ভালো লাগলো কারন আলু গাছ গুলোর দিকে তাকালে মনে হয় সবুজ শ্যামল একটি বাগানের মাঝে আমরা এসে গেছি।তো আমি আমার বন্ধুদের কে নিয়ে অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরি করলাম ঘোরাঘুরি করার পর অনেক ভালো লাগলো এবং মাদ্রাসা থেকে আমরা পাঁচজন এসেছিলাম এবং মাদ্রাসার দিকে রওনা করলাম সকালে যাওয়ার জন্য সকলে আলু চাষাবাদ সম্পর্কে একটু পড়ে দেখবেন আপনাদের ভাল লাগতে পারে আর আপনারা চাইলে এখানে এসে আলু চাষাবাদ দেখে যেতে পারেন। সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এই দোয়া করি আমি আজকের মত আলোচনা শেষ করছি আসসালামু আলাইকুম।


