সন্তানের প্রতি পিতা মাতার হক

mahmud50
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ,সম্মানিত সাথী ও বন্ধুগণ আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন।

আলহামদুলিল্লাহ আমি অনেক ভালো আছি। আজকে আপনাদের সামনে আলোচনা করব।


√√ছেলে মেয়ের প্রতি পিতা মাতার কর্তব্য সম্পর্কে√√√

সম্মানিত বন্ধু আমরা হয়তো বা সারা জীবন। শুধু এটাই শুনে এসেছি, পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের কর্তব্য থাকে, পিতা মা তার সন্তানের প্রতি কর্তব্য আদায় করে থাকেন।
কিন্তু একটা জিনিস লক্ষ্য করলে দেখা যায়। পিতা মাতার প্রতি সন্তানের যেমন কর্তব্য রয়েছে।সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার অনেকগুলো কর্তব্য রয়েছে,

আমাদের দেশের পিতা-মাতারা মনে করে। সন্তান শুধু জন্ম দিলেই পিতা মাতা এর হক আদায় হয়ে যায়। বা অনেক এটা মনে করে, সন্তান সাবালক পাওয়ার পরেই, পিতা মাতার হক সন্তানের প্রতি শেষ হয়ে যায়। কিন্তু আমাদের ভুল ধারণা।

আজকে বলবো সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার বিশেষ কিছু গুরুত্ব এবং দায়িত্ব সম্পর্কে বলবো।

আপনারা শেষ পর্যন্ত শুনবেন, এবং এখান থেকে আপনাদের শেষ পর্যন্ত অনেক ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ।
সম্মানিত ভাই আমাদের ভুল ধারণা থেকে ফিরে আসতে হবে। এসমস্ত ধারণা কখনো আমাদের জন্য উচিত নয়। অনুচিত একটা কাজ

কখনো আমরা মনে এমন অনুচিত ধারণা পোষণ করবো না ইনশাআল্লাহ। এখনচলে যাচ্ছি মূল আলোচনায়। আলোচনাটি হলো আমাদের দেশে যখন সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর, পিতা-মাতার সর্বপ্রথম হক হল, সন্তানের ডান কানে আজান দিবে এবং বাম কানে তাকবীর দিবে যেটাকে ইকামত বলা হয়। সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার প্রথম হক, সবগুলো সম্পর্কে পিতামাতাদের সচেতন থাকা খুবই দরকার।

দ্বিতীয় হক হল, দ্বিতীয় দায়িত্ব কর্তব্য হলো। সন্তানের সাত দিন বয়স হওয়ার পর, সুন্দর দেখে একটি নাম নির্বাচন করবে, যে, নামটি হবে ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক রুচিসম্মত একটি নাম। তৃতীয়তঃ দায়িত্ব এবং কর্তব্য হলো:: সাত দিনের দিন সন্তানের মাথার চুল মুন্ডানো, এবং সেই চুল পরিমান কিছু স্বর্ণ-রুপা দান সদকা করে দেবে। যদি তাঁর সামর্থ্য থাকে।

সন্তানের জন্য আকিকা করবে, ছেলে সন্তানের জন্য দুটি দুম্বা ভেড়া ছাগল, আর মেয়ে সন্তানের জন্য, দুম্বা ভেড়া অথবা ছাগল।

এই হকগুলো হলো সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হক, আর আমরা করি কি এগুলো না আদায় করে, প্রিয় সন্তানের জন্য জন্মদিন পালন করি, জন্মদিন পালন করা শরীয়তে হারাম। আমরা হালাল কাজগুলো কে বাদ দিয়ে। হারাম কাজে লিপ্ত হয়ে যায়। আমাদের সন্তান গুলো এই কারণে অবাধ্য হয়ে যায়। নিজে নিজে পস্তাবে থাকেন। আমার সন্তান আজ আমার অবাধ্য, এই অবাধ্য তো হওয়ার কারণ একমাত্র আপনি।

সম্মানিত প্রিয় ভাই ও বন্ধু আমরা আমাদের সন্তানের যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ হল রয়েছে এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে সবগুলো ভালো ভাবে আদায় করব এই বলে আজকের আলোচনা শেষ করছি আজকের ছোট আর্টিকেলটি শেষ করছি আসসালামু আলাইকুম।

Comments