আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু সবাই কেমন আছেন আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি
আজকে আমি আপনাদের সাথে একটা গল্প শেয়ার করব ভালোবাসা আর বন্ধুত্বের।
তো চলুন শুরু করা যাক,
মিতুর সাথে কথা বলতেছিল মাসুদ হঠাৎ ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে দশটা বেজে গেছে মাহিন বলে আচ্ছা মিতু আমি কি এখন রাখো আমি এখন কলেজে যাবো
মিতু আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে তুমি whatsapp-এ আসো
মাহিন আরে তুমি বোঝার চেষ্টা করো আমি এখন কলেজে যাব কলেজ থেকে এসে তোমাকে কল দেবো ঠিক আছে
মিতু আমি এখন কি করবো হুম।
মাহিন আরে তুমি কি তোমার ঘরের কোন কাজ নাই কাজ কর গিয়ে।
মিতু আরে দূর আমি কোন কাজ করতে পারবো না , আমি মুভি দেখবো।
মাসুদ কি আর করবে দেখ
যাক মাসুদ মিতুর সাথে কথা শেষ করে কলেজে চলে গেল
তার বেস্ট ফ্রেন্ড এর সাথে।
আর এতক্ষন যার সাথে কথা বলছিলাম ওর নাম মিতু ও ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হয়েছে এখন ওর সাথে আমার সাথে রিলেশন চলতেছে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে পরিচয় হয়েছে ধীরে ধীরে প্রেম হয়েছে আমি ওকে কখনো সরাসরি দেখি নাই মোবাইলে ভিডিও কলের মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ অনেকবার কথা হয়েছে।
আমাদের এই সম্পর্কটা আর প্রায় এক বছর চলতেছে
কিরে চুপ করে আছিস যে( মাহিন)
চুপচাপ বসে বসে কার কথা ভাবতাছো ইস আরে বুঝি বুঝি সবি বুঝি
আরে না দূর কি বলিস এসব
আজকে মনে হয় আর ক্লাস হবেনা রে এ যে গ্রীস্মের ছুটি তো কাল থেকে কলেজ বন্ধ এক মাসের মত
আরে কি বলিস তাহলে আমরা এক মাসুম এসে বসে থাকি কি করবো।
কি আর করব বাড়িতে চলে যাব
আরে চল ক্লাস যখন হবেনা মেসে চলে যাই,
কলেজের পাশেই ম্যাসটা তাই সবসময় হেঁটেই কলেজে যাই
দুপুরের খাবারটা শেষ করে রুমে এসে দেখি কাপড়-চোপড়ের ব্যাগ গুছিয়ে নিয়েছে মাহিন
মাহিন আমার বেস্ট ফ্রেন্ড আমার রুমমেট
মাহিন আরে মাসুদ চলো না আমাদের বাড়ি থেকে ঘুরে আয়,
এখন তো বেশ কয়েকদিন ছুটি আছে আর তুই তো এমনিতেই কখনো আমাদের বাড়িতে যাস নাই তো চল একটু ঘুরে আসবি।
আচ্ছা ঠিক আছে এখন না ভেবে দেখি কবে যাওয়া যায় মাসুদ বলল
আরে শোন এত ভাবতে হবে না তুই আমার সঙ্গে যাচ্ছিস এটাই শেষ কথা আর আমি মাকে কল করে বলে দে যে তুই আমার সাথে আসতে ছিস।
এটা বলেই মাসুদ মোবাইলটা নিয়ে বের হয়ে গেল রুম থেকে।
আমি আর কিছু না বলে জামা কাপড় গুছিয়ে ব্যাগটা পাশে রেখে দিলাম তারপরে ইউটিউবে ঢুকলাম কারণ আমার একটা নেশা আছে আমি ডান্স বাংলা ডান্স দেখি ওটার জন্য ইউটিউবে ঢুকে ওটা দেখতে লাগলাম হেডফোন কানে লাগিয়ে এদিকে কখন যে সন্ধ্যা হয়ে গেল বুঝতে পারলাম না।
আমি মাসুদকে ফোন দিলাম কিরে তুই কই সন্ধ্যা হয়ে গেছে চল আমরা একটু বের হয়ে আসি শহরটাকে একটু ঘুরে দেখে আসি অনেক দিন বন্ধ আর কবে আসবো সেটা ঠিক নেই চলো একটু ঘুরে আসি সকালে বাড়িতে চলে যাব এরপরে আমি আর মাহিন শহরটাকে একটু ঘুরে দেখলাম রাত দশটার সময় বাসায় এসে খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়লাম।
এর পরের দিন সকালে মাসুদ দের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করলাম মাসুদ দের বাড়ি এখান থেকে যেতে 5 ঘন্টা সময় লাগে বাসে বসে আছি আর ইউটিউবে ডান্স বাংলা ডান্স দেখতেছি।
মাসুদ আর কি করবে মিতুর সাথে কথা বলতেছে,
মিতু ওকে জিজ্ঞেস করল তুমি কোথায় যাচ্ছ আমার তো কলেজ বন্ধ তখন মাসুদ বলল আমি মাহীন দের বাসায় যাচ্ছি ওদের ওখানে বেড়াতে যাব। মিতু ওদের বাসা কোথায়, মাসুদ ওদের বাসা তো গাজীপুরে ।
মিঠু চমকে ওঠে বলে আরে আমাদের কাছে পড়ে তাহলে তুমি এখানে আসলে আমার সাথে দেখা করবে বারবার দেখা করার জন্য রিকোয়েস্ট করতেছে মাসুদ বললো ঠিক আছে ও চেষ্টা করবে দেখা করার জন্য।
কিন্তু মিতুতো নাজেহাল বান্দা যেটা বলছি সেটা করতেই হবে তার সাথে দেখা করতেই হবে এমন জিদ করে বসে আছে।
যাই হোক আমি ইউটিউবে ভিডিও দেখতে দেখতে কখন যায় 5 ঘণ্টা পার হয়ে গেল বুঝতে পারিনি তারপর বাস থেকে নামলাম একটা সিএনজিতে উঠলাম 20 মিনিটের মত হল তারপর আমরা মাহীন দের গ্রাম এ এসে গেলাম।
একটু হাঁটার পর একটা বাড়িতে এসে ঢুকলাম মাহিনুর মাকে ডাকতে লাগলো একজন ভদ্রমহিলা ঘর থেকে বের হয়ে আসলেন এরপরে মাহিন ওনাকে বলতে লাগলেন যে মা ও আমার বন্ধু মাসুদ আমি তোমাকে ওর কথাই বলেছিলাম।
আমার আর বুঝতে বাকি ছিল না যে উনি মাহিনের মা উনি আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন যে বাবা কেমন আছো আমিও বললাম আন্টি হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি আপনি কেমন আছেন।
এরপরে ওনার সাথে কথা বলা শেষ করে ঘর থেকে একটা মেয়ের কন্ঠে আওয়াজ আসলো না ভাই আসছে নাকি।
মেয়েটাকে দেখে আমি পুরাই অবাক তাহলে কি মাহিনের বোন মিতু।
ও মাহিনকে জিজ্ঞেস করতেছে ভাইয়া ইনি কে
আমি পুরাই অবাক এত অভিনয় আমাকে চিনেই না।
মাহিন বলল আরে ও আমার বন্ধু মাসুদ
আসসালামুয়ালাইকুম আমি মিতু,
আমি ওয়ালাইকুম আসসালাম আমি মাসুদ।
পরিচয়পর্ব শেষ হওয়ার পরে মাহিন আমাকে ওর রুমে নিয়ে গেল আমি ফ্রেস হয়ে নিলাম।
সারাগারি অনেক জানি হইছে একটু শুয়ে পড়লাম হাতে ফোনটা নিলাম নিয়ে দেখি মিতুর এসএমএস
এসএমএস আলাইকা কি কেমন আছো আর আমাদের এখানে কতদিন থাকবে,
ওর মেসেজ দেখে একটু হতাশ হলাম কিছু না বলে চুপ করে শুয়ে থাকলাম
কিছুক্ষণ পরে আবার আরেকটা মেসেজ কি হল তুমি কথা বলতেছ না কেন।
কিসের বুঝতে পারছিনা হঠাৎ মনে হল যে ওর সাথে প্রথম দেখার অনুভূতিটা অন্য রকম কিন্তু এখন এত হতাশা দেখাচ্ছে কেন এত হতাশ লাগতেছে কেন আমাকে।
একটা কথা বারবার মনে আসে হাজারো প্রশ্ন সৃষ্টি করতেছে যে মিতু কি কখনো দেখেনি আমার আর মাহিনের ছবি একসাথে ফেসবুকে যদি দেখে থাকে তাহলে ও কেন বলেনি জেয় মাহিনের গুন এটা কেন করল কেন আড়াল করলো যে ও মাহিনের বোন।
হাই মাহিনকে কি করে বলবো যে আমি ওর বোনের সাথে প্রেম করি আমিতো চেয়েছিলাম ওকে নিয়েই মেয়েটির সাথে দেখা করতে। কিন্তু বিধাতার কি অপরূপ সৃষ্টি আমি মিতুর সাথে দেখা তো করেছি মাহিনকে নিয়ে কিন্তু আমরা প্রেমিক প্রেমিকা বা ভালোবাসার মানুষ হিসেবে নয় মাহিনের বোন হিসেবে মাহিনের বন্ধু হিসেবে।
একটা কথা মনে খুবই খটকা লাগচ্ছে যে বন্ধুর বোন তো আমারও ভবন তাহলে বন্ধুর বোনের সাথে কিভাবে প্রেম করি।
আমি আর মাহির রুমে বসে গল্প করছিলাম হঠাৎ মিতু দরজাটা খুলে রুমিদিকে বললাম ভাইয়া তোদের কি খেতে ডাকছে।
মাহিন মিতুকে বললো আচ্ছা ঠিক আছে তুই যা আমরা আসতেছি এই মাসুদ খেতে আয়।
আমিঃ হ্যা চল
সারা দিন জার্নি করলাম বাসায় আসলাম ফ্রেশ হইলাম খাওয়া-দাওয়া করলাম এরপরে আমি আর মাহিন একটা ঘুম দিলাম ঘুমটা ভাঙলো বিকেল পাঁচটায়, ঘুম ভেঙ্গে একটু হতাশ হলাম পাশে দেখি মাহিন নেই পরে উঠে এসে দেখলাম মাহিনের মায়ের সাথে ড্রইং রুমে টিভি দেখতেছে।
আমি একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম আন্টি মাহিন কোথায় গেছে।
মাহিনের আম্মু একটু বাইরে গেছে,
আমি আর কিছু না বলে আন্টিকে বললাম আন্টি চাঁদে যাওয়া যাবে আমি একটু ছাদে যাব।
উনি আমাকে হেসে উঠে বললেন ঠিক আছে বাবা যাওয়া সমস্যা নেই।
কানের মধ্যে হেডফোনটা লাগিয়ে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ছাদে উঠে গেলাম ওখানে একটা দোলনা ছিল ওটার উপর বসে বসে ইউটিউবে গান দেখতে ছিলাম।
হঠাৎ করে কারো আসার শব্দ পেলাম পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখি মিতু একটা বাটি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে,
আমি বসা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে গেলাম দাঁড়ানোর সাথে সাথে ও বাটিটা আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল এই নাও নুডুলস তোমার জন্য বানিয়ে আনছি।
আমি বাটি টা হাতে নিয়ে খাওয়া শুরু করলাম এরপরে মিতু বলতেছে কেমন হয়েছে নুডুলস আমি বললাম ভালো।
এরপরেও হাসতে হাসতে আমার হাতটা ধরল আর বলল যে যাই হোক শেষমেষ আমাদের দেখাটা হয়ে গেছে তো আমাদের এখানে কেমন লাগতেছে
আমিঃ হুম বেশ ভালই লাগতেছে
এবার মিতু আমার হাতটাকে আরো শক্ত করে ধরল ধরে বলল তুমি এভাবে কেন কথা বলতেছ শুধু হা হূম আর কি কোনো কথা বলা যায় না আমি মিতুকে বললাম আমার হাতটা ছাড়ো কেউ দেখে ফেলবে।
একটা কথা কান খুলে শুনে রাখ আজ থেকে আমাদের মধ্যে কোন ভালোবাসার সম্পর্ক নেই আজ থেকে তোমার আর আমার মধ্যে যে সম্পর্কটা সেটা হচ্ছে তুমি আমার বন্ধুর বোন অতএব তুমি আমার বোন কথাটা মনে রেখো।
মৃত কিছুটা অবাক হয়ে বললো তুমি কি বলতেছ পাগল হয়ে গেছো তোমার মাথা ঠিক আছে।
আমি হ্যাঁ আমার মাথা ঠিক আছে আমি সুস্থ মস্তিষ্কে তোমার সাথে কথা বলছি আজ থেকে তোমার আর আমার মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।
মিতু এবার জোরালো কন্ঠে আমাকে বলতেছে আচ্ছা তুমি আমাকে প্রথম দেখাতেই কেন ব্রেকআপ করতেছ।
আমি খুবই ধমকের সুরে ওকে বললাম তুমি একবার বুঝতে পারছ যদি মাহিন জানতে পারে যে তোমার আর আমার মধ্যে রিলেশন চলতেছে তাহলে ওর মনটা কতটা খারাপ হবে।
মেট্রোরেল আমাকে বলতে লাগল সম্পর্ক করার আগে তো তুমি জানতে না যে আমি তোমার বন্ধুর বোন তখন তো সম্পর্ক করছিলা আমি ভাইয়াকে বুঝিয়ে বলবো ভাই এসবই বুঝবে।
আমি তুমি বিষয়টা বুঝতে সোনা মিতু তুমি যেভাবে যতটা সহজ ভাবে বিষয়টাকে নিতেছ মাহিন অতটা সহজ ভাবে নিবে না আমি ওর চোখে সারা জীবনের জন্য শত্রু হয়ে যাব আর আমি চাইনা আমার বেস্ট ফ্রেন্ডের কাছে আমি শত্রু হয়ি।
একথা শুনে মিতু চোখে পানি চলে আসলো তার মানে কি তুমি এখানে সবকিছু শেষ করে দিয়েছো
হ্যাঁ আমাদের ভাগ্য তো এটাই চাইতেছে আর কি করার আছে।
আমি মনে মনে যা ভেবেছিলাম যে সম্পর্কটা এখান থেকেই শুরু হবে কিন্তু কিছু করার ছিল না যেখানে সম্পর্কটা শুরু হওয়ার কথা সেখানেই সম্পর্কটা শেষ করে দিতে হলো আমি ওকে হোয়াটসঅ্যাপ থেকে ওর নাম্বার সবকিছু ব্লক করে দিলাম আমি এখানেও সম্পর্কটা শেষ করে দিতে চাই আর কিছুদিনের মধ্যে আমি বাড়ি থেকে চলে যাব আমি একটা সিদ্ধান্ত নিলাম।
আর আশা করি এখানেই সবকিছু চিরদিনের মত শেষ হয়ে যাবে
মিতু আর কিছু না বলে নিচে চলে গেল
আমি ইউটিউবে গান শুনতে শুনতে সন্ধ্যা হয়ে গেল তারপর রুমে চলে আসলাম এসে দেখি মাহিন আসছে ওর সাথে কথাবার্তা বলে কিছুক্ষণ গেমস খেলে রাতের খাবারটা খেয়ে শুয়ে পড়লাম পরদিন সকালে মাহীনের সাথে ওদের গ্রামটা ঘুরে দেখার জন্য বের হলাম
গ্রামটা ঘুরে দেখতে আসতে আসতে আমাদের প্রায় সাড়ে নটা বেজে গেল বাড়িতে আসলাম এসে আমি মিতু কে দেখতে পেলাম না।
কাল সন্ধ্যার পর থেকে আমার সাথে ওর আর দেখা হয়নি আমিও দেখা করার চেষ্টা করিনি।
মাহিন ওর মাকে জিজ্ঞেস করল মা মিতু কোথায়
ওর মা বলল মনে হয় ঘুমাচ্ছে এবার মাহিনের ভয় লাগলো ও নিজেই মৃত্যুর রুমের সামনে গিয়ে দরজা ধাক্কাতে লাগলো ওকে ডাকাডাকি শুরু করল কিন্তু কোন সারা শব্দ আসলো না ওখান থেকে কিছুক্ষণ থাকার পর মাহিন দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকলো। মাহিন ভিতরে ঢুকে দেখতে পেল মিতু তার ডান হাতের শিরা কেটে ফেলেছে মহিন সাথে সাথে হসপিটালে নিয়ে গেল তারপর ডাক্তারের হাতে ব্যান্ডেজ করে দিল এবং মাহিন ও তার মায়ের সাথে কি বলল।
আমি কিছু বললাম না চুপচাপ দূরেই দাঁড়িয়ে শুধু দেখতে লাগলাম।
এক ঘন্টা পর মিতুর জ্ঞান ফিরে এলো উঠে গিয়ে মিতুকে জিজ্ঞেস করতে লাগলো এখন কেমন লাগছে তোর কাছে।
মিতু কিছু না বলে চুপ করে বসে আছে,
ডাক্তার বলল তেমন কোন সমস্যা নেই আমি ব্যান্ডেজ করে দিচ্ছি নিয়মিত ওষুধ খেলে ঠিক হয়ে যাবে।
এবার মাহিনুর মাকে বলল আমি বুঝতে পারছি কেন এমন করছে তুমি বাহিরে গিয়ে মাসুদকে পাঠিয়ে দাও।
আর পুরো বিষয়টা আমি তোমাকে বাড়ি নিয়ে বুঝিয়ে বলব
মাহিনের মা আচ্ছা ঠিক আছে আমি পাঠিয়ে দিচ্ছি মাসুদকে
মাসুদ বাবা শুনতে পাচ্ছ তোমাকে মাইন ডাকতেছে একটু ভিতরে যাও তো
আমি আচ্ছা ঠিক আছে আন্টি আমি যাইতেছি
আমি ভিতরে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছি তখন মাহিন আমাকে বলল দেখ সব ভাইয়ের কাছেই তাদের ছোট বোন খুব আদরের হয় আর আমাদের সবারই কর্তব্য সেই ছোট বোনের কষ্টগুলো দূর করা আর আজকে আমার বোনের এ অবস্থার জন্য কি জানিস।
আমি কিছু না বলে চুপচাপ বসে আছি মাথা নিচু করে,
আমি জানি মিতুর এই অবস্থার জন্য দায়ী তুই এত মহৎ হওয়ার কিছু নেই আমি কালকে বিকেলে তোদের সব কথা শুনে নিয়েছি আর মৃত্যু এর আগেও আমাকে বলেছিল যে একটা ছেলেকে ভালবাসে আর সেই ছেলেটা যদি সেটা আমি জানতাম না আর আমি এতটাও খারাপ না যে আমার ছোট বোনের ভালোবাসার জন্য আমি তোকে খারাপ ভাববো শত্রু ভাববো, আর ভালোবাসার জন্য আমি তোকে কখনো বিশ্বাসঘাতক ভাববো না কারণ ভালোবাসা কোন অপরাধ নয়।
আচ্ছা শোন মাসুদ একটা কথা মনে রাখিস আমি তোর বন্ধু হিসেবে বা তোর বেস্ট ফ্রেন্ড হিসেবে সারা জীবন তোর পাশে আছি তো টেনশন করার কোন কারন নেই এবার তোদের মধ্যে যে সমস্যাটা হয়েছে ওটা মিটিয়ে নে আমি একটু বাইরে থেকে আসতেছি।
একথা বলে মাহিন রুম থেকে বের হয়ে গেল
মাইন রুম থেকে যাওয়ার পরে আমি গিয়ে মিতুর পাশে বসলাম এরপরে ওর হাতটা ধরে বললাম মিতু সরি ভুল হয়ে গেছে
তুইতো আমার হাতটা ছাড়িয়ে নিয়ে বললো কোন কথা বলার দরকার নেই
আমি ঠিক আছে তাহলে আমি চলে যাচ্ছি
মেতো চুপ কর এখানে বস সব সময় বেশি কথা বলা সব কাজেই বেশি বেশি আমি তোমাকে বলেছিলাম ভাইয়াকে বুঝিয়ে বলে ভাইয়া বুঝবে কিন্তু তুমি আমার কথা শোনো নাই,
মিতু আসলে আমি বুঝতে পারিনি যে মাহিন ব্যাপার টা তো সহজ ভাবে মেনে নেবে,
আচ্ছা ঠিক আছে এরপর থেকে তুমি যা বলবে আমি তাই করবো এবার খুশিতো,
মিতু কথাটা মনে থাকবে,
আমি আর অবশ্যই থাকবে কারণ আমি তোমাকে মন থেকে ভালবাসি,
এরপরে ওদের দুজনের সম্পর্কটা সম্পন্ন হয় বিয়ের মাধ্যমে ওরা এখন সুখী জীবনযাপন করতে সে বেশ ভালো আছো দোয়া করি সারা জীবন যেন ভালো থাকে।
আজ এই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।



অভিনন্দন! আপনার পোস্টটি সেরিবাংলাদেশের কমিউনিটি আইডি থেকে কিউরেশন করা হয়েছে। আপনি সেরি বাংলাদেশ ডিসকর্ড সার্ভারে get_upvote_serey চ্যানেলে আপনার পোস্ট লিঙ্ক জমা দিয়ে প্রতি 24 ঘন্টার মধ্যে একবার আমাদের কমিউনিটি থেকে ভোটের অনুরোধ করতে পারবেন, ধন্যবাদ।
Join sereyBangladesh Discord server:- Join Discord (https://discord.com/invite/kdatp2dX)
Join sereyBangladesh Telegram :- Join Telegram (https://t.me/SereyBangladesh)