আমার প্রিয়জন ভাই ও বোনেরা আসসালামু আলাইকুম কি অবস্থা সবাই কেমন আছেন আশা করি আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি তো বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের সামনে নতুন আরেকটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম আশা করি আপনারা এই রেসিপিটা খুবই পছন্দ করবেন।
# ছোট চিংড়ি মাছের ভর্তা
তো বন্ধুরা আজকে যেটা হয়েছে আমাদের পুকুরে জাল ফেলেছিল আমরা অনেকগুলো চিংড়ি মাছ পেয়েছি আসলে আমার চিংড়ি মাছের ভর্তা খুবই পছন্দ তাই আমি দেরি না করে যেটা করলাম চিংড়ি মাছগুলো পরিষ্কার করে ভর্তা বানিয়ে ফেললাম তো ভাবলাম রেসিপিটা আপনাদের সাথে শেয়ার করি তো প্রথম অবস্থায় আমি যেটা করেছি পুকুর থেকে যখন চিংড়ি মাছগুলো তুলে আনা হয়েছিল তখন ওগুলোতে প্রচন্ড পরিমাণে ময়লা ছিল তা আমি যেটা করেছি চিংড়ি মাছগুলোকে সুন্দরভাবে পরিষ্কার করে নিয়েছি।
এরপর আমি যেটা করেছি তেলের পাতিলের মধ্যে সামান্য পরিমাণে তেল দিয়ে মাছগুলোকে সুন্দরভাবে ভেজে নিয়েছি একদম হালকা বাদামি কালার করে আপনারা চাইলে চাইতেও কড়া ভাজতে পারেন তবে আমার মা বলেছে বেশি কড়া করে বাছলে কি ভর্তাটা তেমন একটা মজা হয় না তো আমি আমার মায়ের কথা অনুযায়ী একটু হালকা বাদামি করে ভেজে নিয়েছি।
এরপর আমি যেটা করেছি চিংড়ি মাছগুলোকে ভেজে নেয়ার পরে তার সাথে আমি লালমরিচ ভেজে নিয়েছি সাথে ধনিয়া পাতা পেঁয়াজ কাঁচামরিচ হালকা একটা দিয়েছি আপনারা চাইলে ঝাল বেশি খেলে আরো বেশিও দিতে পারেন।
তার সাথে আমি যেটা করেছি হালকা রসুন কুচি করে ভেজে নিয়েছি পেঁয়াজটাকেও আমি হালকা বাদাম করে ভেজে নিয়েছি এটা করার কারণ হচ্ছে ভর্তাটা খেতে অসাধারণ লাগবে।
এরপর আমি যেটা করেছি শীল পাটার মধ্যে ভর্তাটাকে একটু মিহি কম করে বেটে নিয়েছি কারণ ভর্তা যদি বেশি মিহি করে বেটে নেয়া হয় তাহলে এটা খেতে তেমন একটা ভালো লাগে না।
তো আপনারা চাইলে খুব সহজেই এই রেসিপিটা তৈরি করে নিতে পারেন এটা আপনাদের কাছেও বেশ ভালো লাগবে।
শীতের সময় এই ভর্তা দিয়ে খাবার আনন্দটাই অন্যরকম সেটা হচ্ছে দুপুরে গরম ভাতের সাথে ভর্তা খাওয়ার মজাটাই অন্যরকম।
এই ছিলাম আজকের রেসিপি আপনারা চাইলে একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এই কামনা করি আজকের মত এখানেই বিদায় নিলাম আসসালামুয়ালাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।


