হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন আশা করি মহান রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে আপনারা সবাই অনেক ভাল আছেন ।
আমিও আপনাদের দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভাল আছি ,
আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে ভাল কনটেন্ট তৈরি করা যায় ভাল কনটেন্ট তৈরি করার জন্য কিছু উপায় রয়েছে ।
আজকের সেগুলোই খুব সহজভাবে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করব আশা করি আমাদের কাছে ভালো লাগবে।
আমরা যদি একটা জিনিস লক্ষ্য করি তাহলে বুঝতে পারি আমরা খুব সহজে কিন্তু একটা ভালো আর্টিকেল লিখতে পারিনা।
অনেক চেষ্টা করতে হয় অনেক কিছু ভাবতে হয় তো কিভাবে ভাল আর্টিকেল লেখা যায় সেই সম্পর্কে আজকে একটু ধারনা আপনাদেরকে দিব ।
আশা করি আপনাদের উপকার হবে ইনশাআল্লাহ,
আজকে যে সকল টিপস আমি আপনাদেরকে দিব সেগুলো যদি মেনে আপনারা কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন তাহলে যে কারোরই ভালো লাগতে পারে আপনার আর্টিকেল।
(কিভাবে আপনি ভাল আর্টিকেল লিখবেন তার সহজ কৌশল)
আমরা অনেকেই বাংলা অথবা ইংরেজীতে আর্টিকেল লিখে কিন্তু একটা জিনিস যদি লক্ষ্য করি আর্টিকেল লেখার নিয়ম কিন্তু একই থাকে সেটা বাংলাতে হোক বা ইংরেজিতে হোক।
তাছাড়া আমরা দেখতে পাই ভালো ভালো আর্টিকেলগুলো লেখার নিয়ম একেকটার একেকরকম।
* ব্লগিং পোস্ট করার জন্য নতুন ধরনের আইডিয়া আর্টিকেল লেখার
যখন আপনার আর্টিকেল সুন্দর করার একটা প্রতিযোগিতা আসে তখন আপনাকে যে জিনিসটা সবচাইতে বেশী সাহায্য করবে সেটা হচ্ছে রিডিং আপনি যদি দেখেন যারা বই পড়ে বই নিয়ে ঘাটাঘাটি করে তাদের আর্টিকেলগুলো খুবই সুন্দর আপনি চাইলে বই পড়ে আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে আপনার আর্টিকেল গুরু খুবই সুন্দর হবে এবং আকর্ষণীয় দেখা যাবে।
অনলাইনে অনেক ধরনের পিডিএফ বুক পাওয়া যায় আপনি আপনার মোবাইলের মাধ্যমে ওইগুলা ডাউনলোড করে নিজের মোবাইলে অনেক ধরনের বই পড়তে পারেন এতে আপনার আর্টিকেল লেখার কৌশল অনেক ভালো হবে এবং আপনার আর্টিকেল আকর্ষণীয় হবে।
* অনলাইনে আর্টিকেল লিখে টাকা উপার্জন করা
চলুন আর দেরি নয় তাহলে কিভাবে সুন্দর সুন্দর আর্টিকেল লেখা যায় সেই কৌশলগুলো আমরা নিচে এক এক করে জেনে নেই।
- ১ আপনার নিবন্ধের বিষয় বাছাই করুন
আমরা সকলেই জানি আর্টিকেল লেখার সময় একটা টপিক বাছাই করে নেওয়াটা সবারই উচিত তবে আপনি যে বিষয়টা নিয়ে লিখবেন সেই বিষয়ের উপর আপনাকে অনেক কিছু বিস্তারিত লিখতে হবে সেজন্য আপনি এমন ভাবে সেটা অপেক্ষা বুঝবেন না যাতে যে কেউ আপনার আর্টিকেল টা পড়ে বুঝতে পারে যে আপনার এটার উপর অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে
২ আপনার শ্রোতা চাহিদা পূরণ করুন
একটা ভালো আর্টিকেল লিখতে গেলে আপনাকে অবশ্যই একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে যে আপনি আর্টিকেলটা লিখতেছেন সে আর্টিকেল যারা পড়ে তাদের দিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন ।
কারণ আপনি কিন্তু তাদের জন্যই আর্টিকেল লিখেছেন। আর তাই আপনারা দেখেও যারা পড়ে তারা আপনার আদিকাল থেকে কি জানতে চাই যে সেই ধ্যন ধারণাটা আপনার থাকতে হবে।
এটা না হলে আপনার আর্টিকেল পড়ার সময় তাদের আর্টিকেল এর প্রতি কোন রুচি থাকবেনা কোন মনোযোগ থাকবে না।
আর তাই আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে আপনি যে বিষয়ের উপর আর্টিকেলটা লিখতেছেন আপনার সম্পূর্ণ আর্টিকেল যেন সেই বিষয়ের উপরই হয় ,আপনার সম্পূর্ণ সেই বিষয়ের উপর শেষ করতে হবে।
আপনি যে এই বিষয়টার উপর আর্টিকেলটা লিখবেন যারা আপনার আর্টিকেল পড়বে তারা কিন্তু সেই বিষয়ে অধিক তথ্য জানতে চাইবে,
কিন্তু অতিরিক্ত তথ্য তাদের কোনো কাজেই আসবে না যতটুকু তাদের প্রয়োজন ততটুকুই তাদের কাজে আসবে এবার আপনার আর্টিকেল এর ওয়ার্ড 800 হোক বা 2000 আপনি এর মধ্যেই মেনটেন করে আপনার আর্টিকেলটা লিখবেন।
এখানে সবচাইতে বড় বিষয়টা হচ্ছে আপনি কতটুকু প্রশ্নের উত্তর বুঝিয়ে লিখতে পারবেন আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনার শ্রোতাদেরকে বুঝাতে পারবেন সেই বিষয়টা হচ্ছে সবচাইতে বড় ব্যাপার
৩ গবেষণা করাটা খুবই জরুরী
আমরা সবাই তো ব্যক্তিগত ব্লগার আমরা নিজেদের জন্যই আর্টিকেল লিখে থাকি,এর মানে এটা নয় যে আমরা কিছুই জানিনা,
আমরা যদি একটু লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পাই অনেক সময় অনেক কিছু আমাদের সাধারন জ্ঞান পর্যন্ত থাকে,
কিন্তু বিস্তারিত ধারণা সে সম্পর্কে আমাদের থাকেনা।
এই সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার জন্য আমাদেরকে যেটা করতে হবে সেটা হচ্ছে রিসার্চ, হ্যাঁ আমরা যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখব সে বিষয়ে আর্টিকেল লিখার আগে আমা��েরকে হালকা-পাতলা রিসার্চ করে নেওয়াটা খুবই জরুরী।
এতে আপনার সামনে যে বিষয়টি সামনে আসবে সেটা হচ্ছে আপনি বিষয়টির ক্ষেত্রে নতুন নতুন তথ্য আবিষ্কার করতে পারবেন এবং সে তথ্যের দ্বারা আপনারা আর্টিকেল কে আরো সুন্দর করে তুলতে পারবেন।
এতে করে যারা আপনার আর্টিকেল পড়বে তারা আপনার আর্টিকেল এর প্রতি রুচিসম্মত হবে কারণ আপনার আর্টিকেল এর মধ্যে তারা সেই বিষয়ের সম্পূর্ণ তথ্য একসাথে পেয়ে যাবে এতে তাদের পড়তেও খুবই ভালো লাগবে।
আপনি ইন্টারনেটে একটু ঘাটাঘাটি করে দেখতে পারেন বর্তমানে ইন্টারনেটে অনেক বিশ্বস্ত সাইট রয়েছে যেখানে আপনি কোন বিষয়ের সম্পূর্ণ তথ্য বিশ্বাসের সাথে ওখান থেকে সম্পূর্ণ বিষয়ে পেয়ে যেতে পারেন একটা বিষয়ের উপর যে সকল সঠিক তথ্য দরকার আপনি ওখান থেকে নিয়ে নিতে পারেন।
এমনই একটা ওয়েবসাইটের নাম আমি আপনাদেরকে বলতেছি যেটা সবচাইতে সেরা এবং বিশ্বস্ত
"Wikipedia"
৪ কভার করার জন্য ম্যাক পয়েন্ট
একটা সুন্দর ও রুচিসম্মত আর্টিকেল তৈরি করার জন্য সবচাইতে যে বিষয়টা আমাদের জরুরী সেটা হচ্ছে আপনি যে বিষয়ের উপর লিখবেন সে বিষয়ের উপর পয়েন্টগুলো আগে তৈরি কোরে নেওয়া।
এতে করে আপনার যেই উপকারটা হবে সেটা হচ্ছে আপনি পয়েন্টগুলো অনুযায়ী ওয়েবসাইটে রিসার্চ করে সেগুলোর তথ্য জেনে নিতে পারবেন এবং সেই তথ্য হিসেবে আপনারা আর্টিকেলটা সুন্দর করে সাজিয়ে নিতে পারবেন।
কারণ আপনি আগে থেকেই এই তথ্যগুলো জেনে রেখেছেন তাহলে আপনার আর্টিকেলটা লিখতে আপনার কোন সমস্যা হবে না।
এতে করে আপনার আর্টিকেল রুচিসম্মত হবে এবং যেকোন মানুষ পড়ে তৃপ্তি পাবে।
এছাড়াও আপনি যদি কোন বিষয়ের উপর পয়েন্টগুলো তৈরি করেন এবং আলাদা আলাদাভাবে পয়েন্টগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করেন তাহলে যারা আপনার আর্টিকেল পড়বে তারা আপনার আর্টিকেল থেকে আলাদা আলাদা সম্পূর্ণ তথ্য ওই বিষয়ে জানতে পারবে।
উদাহরণস্বরূপ
আপনি যদি মানব জাতিকে নিয়ে লিখতে চান তাহলে আপনাকে প্রথমেই যে বিষয়গুলোর উপর পয়েন্ট নির্বাচন করতে হবে সেগুলো হচ্ছে
* মানবজাতি কি
* এর জন্ম কোথা থেকে হয়েছে
* মানবজাতির গড় আয়ু পৃথিবীতে কত বছর
* মানবজাতির মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে
এই ভাবে যদি আপনি আর্টিকেল এর মাধ্যমে যে বিষয়ে লিখবেন সেই বিষয়গুলোকে যদি পয়েন্ট আকারে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বিস্তারিত তথ্য লিখেন তাহলে আর্টিকেলটা খুবই উন্নত মানের দেখা যায় এতে করে আর্টিকেলটা রুচিসম্মত হয়ে ওঠে।
৫ নিবন্ধ ভূমিকা ব্যবহার করুন
আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে প্রত্যেকটা আর্টিকেল একটা ভূমিকা লেখা খুবই জরুরী,
প্রথমত আর্টিকেল এর ভূমিকা কমপক্ষে আড়াইশো থেকে 300 ওয়ার্ড এর মধ্যে লিখতে হয়।
এবং আপনাকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে এই আড়াইশো থেকে 300 ওয়ার্ড এর মধ্যে আপনি যে আর্টিকেলটা লিখতেছেন আপনার শ্রোতাদেরকে অবশ্যই সেই বিষয়ে বুঝিয়ে বলতে হবে।
এতে করে আপনার যদি আর্টিকেলের ভূমিকাটা রুচিসম্মত হয় তাহলে আপনার পুরো আর্টিকেল করার জন্য একজন শ্রোতা খুবই আগ্রহী হয়ে পড়বে।
তাই অবশ্যই ভূমিকার মধ্যে আর্টিকেল এর সম্পূর্ণ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরতে হবে শ্রোতারা আর্টিকেল পড়ে কি বুঝবে তাদের কি লাভ হবে এই আর্টিকেলটা পড়লে সম্পূর্ণ বিষয়ে আপনি ভূমিকার মধ্যে অবশ্যই তুলে ধরবেন।
৬ আকর্ষক শিরোনাম লিখুন
আর্টিকেল এর হেডলাইন প্রত্যেকটা আর্টিকেলে কম বেশি ব্যবহার করা হয়,
তবে আমরা অনেকেই হেডলাইন গুলো ব্যবহার করার লাভ জানিনা।
একটি সুন্দর রুচিসম্মত আর্টিকেল লিখার ক্ষেত্রে অনেকগুলো heading ব্যবহার করতে হয় যেমন
H1,H2 H3,H4,H5 আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে প্রত্যেকটা আর্টিকেলে এই heading গুলো ব্যবহার করা আমাদের খুবই জরুরী।
আমাদের আর্টিকেলের হেডলাইনটা সাধারণত বড় আকারের হতে হবে এটা শ্রোতাদের আকর্ষণ আমাদের আর্টিকেল এর উপর পড়বে।
তখন যে বিষয়টা হয় সেটা হচ্ছে শ্রোতারা বুঝতে পারে আপনার আর্টিকেল এর মধ্যে বিভিন্ন ভাগে আপনি কোন বিষয়গুলো উল্লেখ করেছেন।
আপনি অবশ্যই আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে এই হ্যান্ডিং গুলো ব্যবহার করবেন এতে আপনার আর্টিকেল সুন্দর ও রুচিসম্মত হয়ে উঠবে।
৭ ছোট অনুচ্ছেদ
আপনি যখন আর্টিকেল লিখবে তখন আপনার একটি বিষয়ের প্রতি খুবই লক্ষ রাখতে হবে, আর সেই বিষয়টা হচ্ছে ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ, করে আর্টিকেল লিখে।
আপনি যদি চান তাহলে ওয়েবসাইটে গিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করে দেখেন যত জন ব্লগার আছে তারা তাদের আর্টিকেলের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য তাদের আর্টিকেলে লেখাগুলোকে ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ করে লেখে এতে করে আর্টিকেলের মান উন্নত হয় এবং রুচিসম্মত দেখায় পড়তেও বেশ ভালো লাগে।
আমাদের সবারই উচিত আর্টিকেল লেখার সময় এই নিয়মটা ব্যবহার করা তাহলে আমাদের আর্টিকেল বেস্ট মানসম্মত হয়ে উঠবে।
কেননা আমি অনেক জায়গায় দেখেছি আর্টিকেল লেখার টিপস গুলোর মধ্যে এটি একটি অন্যতম টিপস এটা অনেকেই ব্যবহার করে এতে করে শ্রোতারা আপনারা আর্টিকেলটা খুব সহজভাবে পড়তে পারে এবং সহজেই বুঝে নিতে পারে আপনি আর্টিকেল এর মধ্যে কি লিখেছেন।
আপনি যদি বড় বড় প্যারা করে আর্টিকেল লিখেন তাহলে একজন শ্রোতা পরতে আসলে সে বিরক্তবোধ করবে এতে করে সে কি করবে আপনার আর্টিকেলটা না পড়েই চলে যাবে।
আর তাই আমরা সবাই এই টিপসটা অবশ্যই লক্ষ্য করবো আর্টিকেল লেখার সময় যাতে আমাদের প্যারাগুলো ছোট ছোট হয় এবং শ্রোতারা বেশ ভালোভাবে পড়তে পারে এবং আনন্দ পায়।
৮ নিবন্ধে সম্পর্কিত ছবি যোগ করুন
আপনিতো আর্টিকেল লিখে ফেললেন এবার আর্টিকেলের আকর্ষণ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই আর্টিকেল রিলেটিভ ছবি ইউজ করতে হবে।
এতে করে আর্টিকেলে ছবিগুলো ইউজ করার মাধ্যমে আপনি আর্টিকেল এর বিভিন্ন পয়েন্টগুলো শ্রোতাদেরকে খুব সহজে বুঝিয়ে দিতে পারবেন।
ওই যে একটা কথা আছে না আপনারা জানেন কিনা আমি জানিনা তবে আমি শুনেছি যে একটি ছবি মানে এক হাজার কথার সমান অতএব ছবির মাধ্যমে আপনি অনেক কিছুই আপনার শ্রোতাদেরকে বুঝিয়ে দিতে পারেন।
আর তাই একটা সুন্দর আর্টিকেল এর মাধ্য তার পয়েন্টের মাধ্যমে সেই অনুযায়ী ইমেজ ব্যবহার করাটা খুবই জরুরী।
আপনি হাবরা আর্টিকেলে যে ছবিগুলো ব্যবহার করবেন শ্রোতারা আপনার ছবিগুলোর মাধ্যমে আপনার আর্টিকেল এর সম্পূর্ণ বিষয়টা খুব সহজে বুঝতে পারবে।
৯ বুলেট পয়েন্ট এবং সংখ্যা ব্যবহার করুন
আপনার আর্টিকেলে লেখার মধ্যে আপনি অবশ্যই বুলেট পয়েন্ট এবং সংখ্যা ব্যবহার করবেন।
এতে করে আর্টিকেলের বিশেষ যে পয়েন্ট গুলো সেগুলো বুঝতে অনেক সুবিধা হয় এবং আর্টিকেলের প্রতি আকর্ষণ টা আরো বাড়িয়ে তোলে।
আর তাই শ্রোতারা আর্টিকেলটা পড়ার সময় খুব সহজভাবে যতটা বুঝতে পারবে আর্টিকেলটা ততটাই মানসম্পন্ন এবং রুচিসম্মত হয়ে উঠবে এবং উচ্চ মানের হয়ে উঠবে।
আর আপনি যদি ব্লগে আর্টিকেল লিখে থাকেন তাহলে অবশ্যই পয়েন্টগুলো বুলেট পয়েন্ট এবং সংখ্যা ব্যবহার করবেন এতে করে আপনার আর্টিকেল মান-সম্মান সম্পূর্ণ হয়ে উঠবে এবং রুচিসম্মত হয়ে উঠবে।
তো আমরা এখান থেকে কি শিখলাম
আজকে আমরা এখান থেকে যা শিখলাম সেটা হচ্ছে সেরা নিপুন উচ্চ মানের এবং মানসম্পন্ন রুচিসম্মত আর্টিকেল কিভাবে লেখা যায় তার কিছু টিপস আমরা এখান থেকে শিখতে পারলাম।
আমি আশা করব আপনারা আমার আর্টিকেলটা পড়ে কিভাবে রুচিসম্মত এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ একটা আর্টিকেল লেখা যায় সেই সম্পর্কে মোটামুটি ভালো একটা ধারণা পেয়ে যাবেন।
আর অবশ্যই একটা কথা মনে রাখবেন উপরে বলা প্রত্যেকটি টিপস আপনার আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে আপনার অভ্যাসে পরিণত করে নিবেন এতে করে আপনার খুবই উপকার হবে।
আপনি যত ওয়ার্ড মন চায় লিখুন,তবে যেভাবে বলেছিস সেভাবে একটু লেখার চেষ্টা করুন এতে করে আপনার আর্টিকেল এর মান উন্নত হবে এবং শ্রোতারা আপনার আর্টিকেল পড়ে রুচি পাবে।
এই ছিল আমার আজকের আলোচনার বিষয়,
আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে এবং আপনারা এখান থেকে কিছু শিখতে পারবেন ।
আজ এই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকেন সুস্থ থাকেন এই কামনা করে শেষ করছি আমার ছোট্ট আর্টিকেল আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।


