তাবলীগের ভিতরে সাদপন্থি বলে কিছু নেই, স্বঘোষিত সাদপন্থি বা সাদিয়ানি আছে।
আছছালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা আল্লহর ইচ্ছায় সুস্থ আছেন। মিডিয়া বড় হারামি কাজ করতেছে ইছলামের বিরুদ্ধে তা আপনারা ভাল করেই যানেন। বেকাত্তর, ডিবিসি এরা অন্যতম এই প্রতিযোগিতায়।
তাবলীগের ২ গুরুপ (সাদপন্থি+ যুবায়েরপন্থি) এটা ওই মুনাফিকদের ১ টা খুখোরোচক কথা।
আথচ সাদপন্থি বলে দাবি করা খোদ তাবলীগের নামধারি লোকেরা ব্যাতিত আজ পর্যন্ত শুনলাম না কোন কোন আলমি শুরা বা ওলামা পক্ষের লোকরা বলেছে যে আমরা
” মাও: যুবায়ের সাহেব “
কে আমাদের আমীর মানি বা তাকে অনুশরন করি। এটা পূরোটাই তাবলীগ ভাগের জন্য যারা কাজ করেছে তাদের প্রপাগেন্ডা। যাতে তাবলীগ সবসময়ই বিতর্কিত থাকে।
ভারতের নিজামুদ্দিন এর মাও: সাদ সাব এর মত যদি যুবায়ের সাহেবের ও মাথা খারাপ হয়ে যায় যেমন যুবায়ের সাহেব হুজুরও যদি বলেন আমাদের
* নবী স: তার বিবিদের প্রতি জুলুম করেছেন
* মূসা আ: দোষী
* তাকে যে আমীর না মানবে সে কাফের হয়ে যাবে
* তাবলীগের মিম্বর থেকে মাসআলা বলে
রূল ভঙ্গ করলে ওনাকেও সম্মান এর আসন থেকে নামিয়ে ফেলা হবে। ইংশাআল্লহ ইহা হবে না, কারন মাও: যুবায়ের সাহেব দা:বা: কখনই একক আমীর হবার স্বপ্ন দেখেন না। যদি ইচ্ছা থাকত তাহলে ১ম দিকেই ঘোষনা দিতে পারতেন, না তিনি মাশোয়ারা ভিত্তিক কাজ চালিয়ে যেতে চেয়েছেন।
সুতরাং সাবধান ওলামায়েকেরাম ব্যাতিত সঠিক তাবলীগ সম্ভব নয় এরাই গেমরাহ যারা ধর্মের কাজ শিখল আবার তারা আলেম বিদ্বেষী হয় কেমনে? ওরা (সাদিয়ানি/ সাদপন্থি) রা কি নবীর এই হাদিস শোনে নাই! যে আমার উম্মতের আলমদের তাজিম করে না সে আমার উম্মত নয়। এই সেই সাদিয়ানি যারা ১৮ সালের ১লা ডিসেম্বর টুঙ্গির ময়দানে কর্মরত ওলামা, ছাএ, স্থানিয় সাথীদের উপ গেট ভেংগে ঢুকে হামলা করে।
বাট মিডিয়া সেটাকে বলেছিল ২ গুরুপের সংঘর্স। আল্লাহ সঠিক বিচার করুন।

