হ্যালো, সবাই কেমন আছেন, আশা করি সবাই ভালো আচেন। আমিও ভালো আছি সবার দোয়ায়।ত সালটা ছিল ২০২০ হঠাৎ করে আমার মামা বলল সীতাকুণ্ড যাবে আমাকে নিয়ে বেড়ানোর জন্য। শুনে আমি ভীষণ খুশি হলাম। আমি আবার একটু ভ্রমন পিপাসী। ত যাই হোক যেই কথা সেই কাজ। আমি ও মামা বেড়িয়ে পড়লাম সীতাকুণ্ডর উদ্দেশ্য। প্রথমে ভেবেছিলাম আমাদের শহর থেকে বাস অথবা ট্রেনে রওনা করব। কিন্তুু হঠাৎ করে মামা একটা মাইক্রোবাস ভাড়া করে নিল। আমি ত পুরো অবাক হয়ে গেলাম। পড়ে গাড়িতে করে সীতাকুণ্ডর দিকে রওনা হলাম। যেতে যেতে এনেক মজা হয়েছে। মামা একটু আবার রসিক মানুষ তাই মামাকে আমার এত ভালো লাগে। যাই হোক কুমিল্লা পার হয়ে ফেনী তারপর আস্তে আস্তে সীতাকুণ্ড পৌঁছে গেলাম। আমাদের গন্তব্য হল সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক।
উৎস
যাই হোক এনেক খুঁজে বের করলাম ইকো পার্ক কে। টিকেট কেটে ডুকলাম ভিতরে। ভিতরে ডুকে পুরো অবাক হয়ে গেলাম। প্রকৃতির কি অপরুপ দান। এত সুন্দর পাহাড় এর ভিতরে বন, গাছপাল, জীবজন্তুর, জর্ণা মিলেমিশে এক হয়ে আছে। ত মামাকে নিয়ে প্রথমে আমি গেলাম সুপ্তধারা জর্ণায়। জর্ণায় গিয়ে ত আমি পুরো অবাক এত সুন্দর জর্ণা এর আগে কোন জায়গায় দেখেনি। এটা পুরো দেখার জন্য প্রায় ১১০০ ফিট উপরে উঠলাম পাহাড় ডিঙিয়ে। উপরে উঠে দেখি আমাদের মত আরও এনেক মানুষ গোসল করছে ও আনন্দ করতেছে। আমরাও গোসল করে নেমে পড়লাম। তারপর সীতাকুণ্ড ও এতিহ্যবাহী
ছবির উৎস
চন্দ্রনাথ মন্দির দেখার জন্য একটা CNG ভাড়া করলাম। কারণ হেটে যাওয়া সম্ভব না।
মন্দির দেখার পর মামাকে নিয়ে বেড়িয়ে আসলাম। তারপর দুপুরের খাবার খেয়ে নিলাম হোটেলে। এরপর গাড়ি নিয়ে আসেপাশে ঘুরে দেখে বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দিলাম। এভাবে আমাদের সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক সফর শেষ হল।

