মোটরসাইকেল চালকদের নিরাপত্তার জন্য হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক। তবে দীর্ঘক্ষণ হেলমেট পরে থাকলে অনেক সময় চালকদের শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হয়।
আবার ব্যাপক বায়ুদূষণের ফলে বাইক চালকরা নানা অসুবিধায় পড়েন। বাইক চালকদের এ সমস্যা সমাধানে বাজারে এলো বিশেষ এক ধরনের হেলমেট। যা দূষিত বাতাস বিশুদ্ধ করবে।
ভারতে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। বছরের অন্যান্য সময় দূষণের মাত্রা কম থাকলেও শীতকালে তা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। শীতের কয়েকটি মাস বিশেষ করে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজধানী দিল্লিসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দূষণের মাত্রা ব্যাপক বৃদ্ধি পায়। এতে ভয়াবহ সমস্যার মুখে পড়ে শহরবাসী। বাইক চালকদের জন্য এ পরিস্থিতি আরও ভয়ানক।
ভারতে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। বছরের অন্যান্য সময় দূষণের মাত্রা কম থাকলেও শীতকালে তা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। শীতের কয়েকটি মাস বিশেষ করে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজধানী দিল্লিসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দূষণের মাত্রা ব্যাপক বৃদ্ধি পায়। এতে ভয়াবহ সমস্যার মুখে পড়ে শহরবাসী। বাইক চালকদের জন্য এ পরিস্থিতি আরও ভয়ানক।
হেলমেট কেনার সময় যে বিষয়গুলো জানা জরুরি:
দূষণের অস্থায়ী সমাধান হিসেবে গাড়ির ভিতরে এয়ার পিউরিফায়ার বাজারে এনেছে কিছু গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা। এবার সুখবর এলো বাইক চালকদের জন্য।
দিল্লিভিত্তিক একটি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান সংস্থা সিলোজ টেকনোল্যাব বিশেষ এ হেলমেট উদ্ভাবন করেছে। এর মাধ্যমেই বাইক চালকরা বিশুদ্ধ বাতাস পাবেন।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলছেন, লাখ লাখ বাইক চালককে দীর্ঘক্ষণ ধরে গাড়ি চালানোর সময় দূষিত বাতাসের সম্মুখীন হতে হয়। প্রধানত যানবাহন থেকে নির্গত দূষিত বাতাসে তাদের নানারকম সমস্যা দেখা দেয়। ক্রমবর্ধমান এ সমস্যা মোকাবিলা করবে এ হেলমেট। তাদের দাবি, রাস্তার অন্তত ৮০ শতাংশ দূষণ রোধ করতে সক্ষম এই হেলমেট।
বায়ুদূষণ সমস্যার সমাধানে সিলোজ টেকনোল্যাবের উদ্ভাবিত হেলমেটটিতে একটি ব্রাশলেস ডিসি ব্লোয়ার ফ্যান ও একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ফিল্টার ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া বৈদ্যুতিন একটি সার্কিট ও মাইক্রো ইউএসবি চার্জিং পোর্টও রয়েছে।
দিল্লিভিত্তিক একটি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান সংস্থা সিলোজ টেকনোল্যাব বিশেষ এ হেলমেট উদ্ভাবন করেছে। এর মাধ্যমেই বাইক চালকরা বিশুদ্ধ বাতাস পাবেন।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলছেন, লাখ লাখ বাইক চালককে দীর্ঘক্ষণ ধরে গাড়ি চালানোর সময় দূষিত বাতাসের সম্মুখীন হতে হয়। প্রধানত যানবাহন থেকে নির্গত দূষিত বাতাসে তাদের নানারকম সমস্যা দেখা দেয়। ক্রমবর্ধমান এ সমস্যা মোকাবিলা করবে এ হেলমেট। তাদের দাবি, রাস্তার অন্তত ৮০ শতাংশ দূষণ রোধ করতে সক্ষম এই হেলমেট।
বায়ুদূষণ সমস্যার সমাধানে সিলোজ টেকনোল্যাবের উদ্ভাবিত হেলমেটটিতে একটি ব্রাশলেস ডিসি ব্লোয়ার ফ্যান ও একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ফিল্টার ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া বৈদ্যুতিন একটি সার্কিট ও মাইক্রো ইউএসবি চার্জিং পোর্টও রয়েছে।
ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক রিপোর্টে এ হেলমেটের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে এটি বাইক চালকদের দূষণমুক্ত বাতাস প্রদান করতে সক্ষম।
হেলমেটটির বাণিজ্যিক উৎপাদনের জন্য সিলোজ ও রয়্যাল এনফিল্ড মোটরসাইকেলের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। দেড় কেজি ওজনের হেলমেটটির দাম ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫০০ রুপি।
হেলমেটটির বাণিজ্যিক উৎপাদনের জন্য সিলোজ ও রয়্যাল এনফিল্ড মোটরসাইকেলের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। দেড় কেজি ওজনের হেলমেটটির দাম ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫০০ রুপি।


অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ