ব্রাঞ্জার এ স্লিপ প্রস্তুত করার উপায় (The way of slip preparation in the blunger):
স্লিপ তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি ও ডিফোকিউলেন্ট রাঞ্জাবে চার্জ করা হয়। তার পর অন্যান্য কাঁচামাল ওজন করে রাঞ্জাবে ঢেলে দেয়া হয়। এর পর এতে কোয়ার্জ উপাদান যোগ করা হয়। কোথাও কখনও শুদ্ধ অবস্থায় যোগ করা উচিত নয়। কারণ শুদ্ধ অবস্থায় কোয়ার্জ যোগ করলে ডাস্ট উৎপন্ন হয়। যা নিউমোকোনিয়োসিস (Pneumoconiosis) রোগের সৃষ্টি করে। এ জন্য কোয়ার্জ স্লিপ আকারে যোগ করা হয়। এই জাতীয় শিল্পকে অন্য একটি মিক্সিং আর্কে নিয়ে এতে শেষ বারের মত প্রয়োজনীয় ডিফোকিউলেন্ট যোগ করা হয় অথবা একে স্টোরেজ আর্কে পাঠানো হয়। সেখান থেকে পাইপ লাইন দিয়ে কাল্টিং সেকশনে পাঠানো হয়। অনেক সিরামিক শিল্প কারখানায় তিনটি স্টোরেজ আর্ক থাকে যাদের একটি স্লিপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। দ্বিতীয়টিতে ২৪ ঘন্টার জন্য স্লিপ মজুত করা হয়। এতে স্লিপ স্থির (stable) অবস্থা প্রাপ্ত হয়। তৃতীয়টি মূলত মজুদাগার হিসাবে কাজ করে। স্টোরেজ আর্কে কাস্টিং স্নিপকে মৃদুভাবে অবিরত প্যাডেল বা গেইট দ্বারা নাড়ানো হয়। এতে স্লিপের সেগরিগেশন ও তলানী পরতে পারে না।
সিরামিক দ্রব্যাদির আকৃতি প্রদান থেকে শুরু করে বিস্কুট ফায়ারিং এর পূর্ব পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে দ্রব্য থেকে যে অতিরিক্ত অংশ অপসারিত হয় বা কাঁচা অবস্থায় যে দ্রব্যগুলো ভেঙ্গে যায় এগুলোকে স্ক্র্যাপ বডি বলে। এ ক্র্যাপ বডিগুলো পুনরায় একটি রাঞ্জারে ব্লাজিং করে প্রাপ্ত স্লিপকে মিক্সিং আর্কে যোগ করা হয়।
কাল্টিং স্লিপ তৈরির অন্য একটি বহুল প্রচলিত পদ্ধতি হল ফিল্টার কেককে ভেঙ্গে এর সাথে প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি ও ডিফ্লোকিউলেন্ট যোগ করে ব্লাঞ্জিং করা হয়। অবশ্য এ ক্ষেত্রে ফিল্টার কেকের পানির পরিমাণ জেনে নিতে হয়। যাতে করে স্লিপ তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি রাঞ্জারে যোগ করা যায়।
মাটি বিশোধনে ব্লাঞ্জার (Blunger for clay purification):
ফাইন সিরামিকের দ্রব্যাদির জন্য ব্যবহৃত কে সাধারণত মিহি মেনের (Grain) হয়ে থাকে। তথাপি পার্টিক্যালগুলোকে সেপারেট করে বড়িতে ব্যবহৃত অন্যান্য ম্যাটেরিয়ালের সাথে মিশানোর জন্য উপযুক্ত অবস্থায় আনতে এদের ট্রিটমেন্ট করতে হয়। এ লক্ষ্যে কে রাজারে রাঞ্জিং করা হয়। এ ক্ষেত্রে অবশ্য রাঞ্জাবের প্রফেলার খুব ধীর গতিতে ঘুরানো হয়। ব্লাঞ্জার কানায় কানায় পরিপূর্ণ থাকে। ব্রাঞ্জিং চলাকালে ক্লের মিহি কনিকা পানি বাহিত হয়ে রাঞ্জারের উপরের ধার দিয়ে উপচিয়ে পরবর্তী রাজারে প্রবেশ করে। এ প্রক্রিয়ায় ৫থেকে ৭টি পর্যন্ত রাজার পর পর স্থাপন হয়। প্রতিটি রাস্তার থেকে মিহি কে কনিকাবাহী পানি উপচিয়ে পরে পরবর্তী রাঞ্জারে গমন করে। এই পানি এক ব্লাঞ্জার থেকে অন্য ব্লায়ারেএকটি অগভীর চ্যানে দিয়ে গমন করে। এই চ্যানেল দিয়ে পানি গন করার সময় মিহি কে কনিকা তলানী আকারে নিচে জমা হয়। সেখান থেকে কে সংগ্রহ করে শুকিয়ে প্যাকিং করা হয়। এভাবেই রাঞ্জারকে বিশোধনে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
My.NOT.3rd.Sub-ce_body_pe.P_117-118


