দুঃখ ভরা ক্লান্ত মন নিয়ে আজকে আমি আপনাদের সাথে এই কথাগুলো শেয়ার করতেছি। গতকাল আমাদের দুপুর দুইটার দিকে পরীক্ষা ছিল। এই পরীক্ষাটি শেষ থিওরি পরীক্ষা হিসাবে। যদিও এরপরে আমাদের প্রাকটিক্যাল রয়েছে। আমরা অনেক আশা করেছিলাম যে হয়তো এই শেষের পরীক্ষাটি আমাদের ভালো হবে এ আশা নিয়েই ছিলাম এবং লেখাপড়া করেছি। কি ভাগ্যের পরিহাস। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে লেখাপড়া করলাম এবং পরবর্তীতে যখন খাওয়ার সময় হয়ে গেল তখন খাওয়া দাওয়া করে আবার পড়তে বসলাম পড়তে পড়তে পড়তে যখন বারোটা বাজে তখন বৃষ্টি আসে। অনেক বৃষ্টি হয় মুষলধারে। ভাবলাম হয়তো আজকের পরীক্ষা দিতে হবে ভিজে গিয়ে। তো আলহামদুলিল্লাহ কিছুক্ষণ পর বৃষ্টি থেমে যায় তখন আমরা দুপুরের খাওয়ার জন্য ক্যান্টিনে যাই। যদিও খাওয়া দাওয়া করতে পারিনি কারণ আমার অনেক নার্ভাস অবস্থা পরীক্ষা নিয়ে। অনেক খারাপ লাগছে আমার। তারপরে ও অল্প করে ভাত খাইলাম। পরীক্ষা দিতে যাব কলেজ বাস উঠলাম। আমার হার্টবিট বৃদ্ধি পাচ্ছে যতই পরীক্ষার কথা মনে পড়ছে। তারপরেও অনেক কষ্ট করে খাওয়া দাওয়া করে গেলাম পরীক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে। পরীক্ষার হলে বসে পড়লাম পরীক্ষা দেওয়ার জন্য। আমাদের আবার সমস্ত ছাত্রদের এক লাইনে বসানো হয়েছিল এবং একটি ছাত্রকে শুধু একদম ব্লাস্ট কর্নারে বসানো হয়েছিল যার কারণে একটু তারই সমস্যা হয়েছিল। যদিও সে পরীক্ষা ছিল সবার জন্যই কঠিন। যখন আমরা খাতা পূরণ করি এবং কিছুক্ষণ পর আমাদেরকে প্রশ্ন দেয় এক্সামিনার। কষ্ট নিয়ে দেখি মাথা ঘুরতেছে আমার। আমার অবস্থা তখন খুবই নাজেহাল। অর্থাৎ কোন কমন নেই। শুধু আমার নয় খোঁজ নিয়ে দেখতেছি আমাদের কলেজের সিরামিক ডিপার্টমেন্ট থেকে কারো কমেন্ট পড়ে নেই। অনেক খারাপ লাগতেছে লেখাপড়া করার পরেও কমন পড়ছে না এই লাস্ট পরীক্ষায়। এমন কোনদিনও সম্মুখীন হতে হয়নি। সবারই একই অবস্থা হয়ে আছে। এখন যতটুকু ধারণা আছে সেই ধারণা থেকেই কিছু নম্বর করার ���েষ্টা করা হয়েছে। বাকিরা যা পারে সবাই সবার হেল্প করতেছে বা আমি যা পারি হেল্প করতেছি এভাবে সবাই সবাইকে সবার মাঝে যে যেতে পারে সেটা দিয়েই সহযোগিতা করছে। কোনরকম পরীক্ষা শেষ হলো কিন্তু সবারই মনের ভিতরে তৃপ্তি নাই পরীক্ষা দিয়ে। কেমন জানি মনে হচ্ছে এই পরীক্ষা সামনে বছর মনে হয় আবার দেওয়া লাগবে। তারপরেও আল্লাহর প্রশংসা রাখি আল্লাহ যেন আমাদের এই পরীক্ষায় পাশ করে দেন। মোটামুটি ফুল মার্ক করা হয়েছে কিন্তু কোন কমন নাই প্রশ্ন অনুযায়ী রিলেটেড কিছু লেখা হয়েছে। আমাদের এই সিরামিক ডিপার্টমেন্ট শুধু আমাদের কলেজ এই একটা মাত্র বেসরকারি আর একটি আছে ঢাকা তেজগাঁও সিরামিক এন্ড গ্লাস টেকনোলজি এটি সরকারি। ওই কলেজে যারা আমাদের সাথে অর্থাৎ ৫ম সেমিস্টারে পড়ালেখা করতেছে তাদের সাথে যোগাযোগ করে দেখলাম তাদেরও একই অবস্থা।
এখন আল্লাহ ভরসা যে আমাদের খাতা কাটবে তাকে যেন আল্লাহ তাআলা সহজ ভাবে খাতা কাটার তৌফিক দান করেন।


