স্কুল লাইফ আর বন্ধুত্ব.

jakaria

হায়রে স্কুল ব্যাগ। এই স্কুল ব্যাগ নিয়ে কতনা কাহিনী। স্কুলে গেলেই এই স্কুলব্যাগ নিয়ে হাজারো স্মৃতি মনে পড়ে যায়। শুধু কি স্কুল ব্যাগ স্কুল ড্রেস নিয়েও তো অনেক কাহিনী আছে নাকি? স্কুল ড্রেসের কথা ভুলে গেলে চলবে নাকি? আমার কাছে মনে হচ্ছে স্কুল ব্যাগের চাইতে স্কুলড্রেস এর সাথে আরো বেশি স্মৃতি জড়িয়ে আছে।

 

ছোটবেলার কথা, তখন তো স্কুল ব্যাগ তেমন আমাদের দিত না, বলতো ছোট থাকতে কেন এত স্কুল ব্যাগের দরকার দুইটা বই হাতে করে নিয়ে গেলেই হয়ে যায়। কিন্তু অন্যান্য ছাত্র যারা আছে তাদের বাবারা তো অনেক টাকা পয়সার মালিক অনেক বড়লোক তাদের ছেলেমেয়েদের স্কুল ব্যাগ কিনে দেয় আমার দেখে তখন মনে হয় যে আমার যদি একটা স্কুল ব্যাগ থাকতো তাহলে আমিও বই কাঁধে করে নিয়ে আসতাম। তখন আর আমার হাতে করে বই নিয়ে আসা লাগত না। কারণ আমরা তো গরিব। তখন তো আর আমরা বুঝতাম না যে বাবা-মা কত পরিশ্রম করে আমাদের জন্য টাকা রোজগার করে আমাদের জন্য কষ্ট করে। ছোটবেলায় এগুলো মাথায়ও থাকেনা। তখন শুধু মাথায় ঘোরে অন্যের আছে আমার কেন নাই। যাইহোক অনেক কষ্ট করে বাবা একটি ব্যাগ কিনে দেয় অন্যদের তুলনায় খুবই নিম্নমানের। তখন ওটাই ভালো লাগতো যে কত সুন্দর একটা ব্যাগ ব্যাগ পেয়েছি আমি। কিন্তু ব্যাগ বেশিদিন টেকে না। স্কুলে যাওয়ার সময় ব্যাগ তুলে নিয়ে যায় ক্লাসের যখন সময় হয় তখন ক্লাস করি। ক্লাসে তো অনেক বন্ধুবান্ধব থাকে কিন্তু কিছু বন্ধুবান্ধব আছে যারা খুবই দুষ্ট প্রকৃতির হয়। আবার তাদের জন্যই আনন্দ হয় ক্লাসে এবং সব জায়গায়। দেখা যেত সেই দুষ্ট পোলাপানগুলো ব্যাগ নিয়ে টানাটানি করে ব্যাগের ভিতর অনেক কিছু তুলে দেয় বাড়িতে এসে দেখি ব্যাগের ভিতর কাগজ বা ভেল বিভিন্ন কিছু তুলে দেয় ছুটির সময় পিছন থেকে তারা চেইন খুলে ব্যাগের ভিতর তুলে দেয়।

 

যখন টিফিন দেয় তখন বাইরে এসে মাঠে খেলাধুলা করি কিছু বন্ধু যারা আছে দুষ্ট প্রকৃতির তারা দেখা যায় খেলাধুলা করতে আসে ঠিকই তখন খেলাধুলা করা শুরু করে ঠিক তখনই একটা গান তৈরি করে কিছুক্ষণ খেলে খেলাধুলার শেষে গ্যাঞ্জাম তৈরি করে তারা চলে আসে ক্লাসরুমে, যার সাথে গ্যাঞ্জাম বাজে তার বেগ লুকিয়ে রাখে । বা খাতার পেজ সিরি হাত মুখ ধোয়ার পরে সেই পেজ দিয়ে হাত মুখ মুছে এইতো অবস্থা ছিল।

 

আরেকটি কথা হচ্ছে স্কুলড্রেস নিয়ে।

ক্লাস যখন শুরু হয় তখন সামনের ব্রাঞ্চে যারা থাকে তারা যখন পেছনের বেঞ্চে হেলান দেয় তখন পেছনের যারা থাকে তারা কলম ধরে যখনই হেলান দেয় তখনই কলমের পিন দিয়ে ঘা লাগে এবং কলমের কালি ভরে সাথে সাথে। 

 

আর স্কুলের ড্রেস না পড়ে আসলে স্যারদের যে অবস্থা।

সরি এখানে সারেন্দের কেন অবস্থা এখানে আমাদের অবস্থা এ ছাড়া নাজেহাল করে ফেলে। প্রথম দুই এক দিন বা সপ্তাহে কিছু বলবেনা যখনই এক সপ্তাহ পার হয়ে যাবে তখনি শুরু করবে তোমার ব্রাঞ্চ এর নিচে ঘার দাও। তখনই বুঝতে আর বাকি থাকে না কেন স্যার এক সপ্তাহ তো বলে দিয়েছে তোমাদেরকে কিছু বলব না কিন্তু এক সপ্তাহ পর যদি কারো ড্রেস না পায় তাহলে তোমাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে। যেমন কথা ঠিক তেমনি কোন ভুল নাই। ঘা্য দেওয়ার পরে এক ছাত্রকে বলল যা অফিস থেকে তুমি বেত নিয়ে আসো ছাত্র আর কি করবে স্যারের হুকুম আনতেই হবে তিনটা বেত নিয়ে আসলো ওরে বাবারে আমার তো অবস্থা খারাপ এখন কি করবো বুঝতে পারছিনা। সার কে আকুতি মিক্তি করেও কাম হবে না কারণ এই সার হচ্ছে বাঘা স্যার। কোন কথাই শুনবে না।

 

এখন স্যার কেদারা থেকে উঠিয়ে ছাত্রর কাছে গেল। যে গেমসের মিশে মাথা দিয়েছে তা তো অবস্থা খারাপ। আর যখনই তিনটা জ্ঞান দিয়ে ধাম ধাম করে মার শুরু করে দিল ছাত্রের অবস্থা খুবই খারাপ সকালে খাওয়া দাওয়া করে আর প্রস্রাব করে নেই। ছাত্র মার খাওয়ার পরে স্যার যখন তাকে দাড় করালো তখন দেখে যে তার প্যান্ট ভিজে গেছে প্রসাব করে দিয়েছে। এইতো হল ছোটবেলা স্কুলের অবস্থা।

 

এখন শুনলে হয়তো খারাপ লাগতেছে কিন্তু আসলে এটা বাস্তব ঘটনা। প্রত্যেকের জীবনে এরকম কিছু না কিছু ঘটনা রয়েছে কেউ বলে কেউ বলে না।

 

স্কুল জীবনের এরকম হাজারো ঘটনা রয়েছে যা একটি পোস্টে বলে শেষ করা যাবেনা! স্কুল জীবনটা খুবই আনন্দের ছিল। অনেক কিছু মনে করি। কোন কলেজ লাইফের আসা হয়েছে তাই আমাদের খুব মনে পড়ে স্কুল জীবনের কথা মাঝে মাঝে দুই চোখ দিয়ে অঝোরে অশ্রু ঝরতে থাকে।

 

বন্ধুদের সাথে কত দুষ্টামি করা হতো কত আনন্দ করা হতো খেলাধুলা করা হতো কত রকমের সময় যেত।

 

মাঝে মাঝে একটু খোঁজ খবর নেই বন্ধুরা কেমন আছে কোথায় আছে কিভাবে? বন্ধু ভুলে যেওনা কখনো। বন্ধু তুমি যেখানেই থাকো না কেন মাঝে মাঝে একটু মেসেঞ্জারে নক দিও। যতই আমি তোমার বন্ধু হই না কেন যদি আমি তোমাকে সময় না দেই তাহলে সেই বন্ধুত্ব আর বেশিদিন থাকে না। কারণ বন্ধুত্ব হচ্ছে একটি বন্ধন। এই বন্ধন এর মাঝে তফাৎ করে দেয় সময়, একে অপরকে যদি সময় না দেই তাহলে আর সেই বন্ধন টিকে থাকে না। সেই বন্ধন যেকোনো বন্ধনী হোক না কেন! কথা না বললে যেমন বন্ধুত্ব হয়না ঠিক তেমনি সময় না দিলে বন্ধুত্ব টিকে থাকে না।

 

হাজারো কষ্টের মাঝে যখন বন্ধুর মাঝে কথা গুলো শেয়ার করা হয় তখন যেন অনেক বড় বোঝা মাথা থেকে উছলে পড়ে গেল। তাই সব সময় বন্ধুদের সাথে কমিউনিকেশন টিকিয়ে রাখা।

 

ছোটবেলা থেকে একসাথে লেখাপড়া করেছি একসাথে খেলাধূলা করেছি। কিন্তু বাস্তবতার প্রেক্ষিতে যখন নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে শুধু মাতৃভূমি নয় নিজের আপন জন বন্ধুবান্ধব সবাইকে ছেড়ে যখন চলে যেতে হয় অচেনা দেশে জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে তখন বোঝা যায় মাতৃভূমি কি জিনিস বন্ধুত্ব কি জিনিস! এখন আধুনিক যুগ তাই আমরা এর মধ্যে যোগাযোগ করতে পারি নিজের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করব এবং বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করব তাহলে আমাদের বন্ধুত্ব এবং পরিবারের দেই কমিউনিকেশন থাকে সেটা অবিরাম চলতে থাকবে।

 

তাই আমাদের উচিত সকলের সাথেই কথা বলা। বুঝতে পারছি না আমি কিভাবে কি লিখবো আমি যেগুলো কিভাবে লিখতেছি আল্লাহই ভাল জানে। লিখতেসি আর তাদের কথাগুলো মনে পড়ে যাচ্ছে বুকটা ফেটেহায়রে স্কুল ব্যাগ। এই স্কুল ব্যাগ নিয়ে কতনা কাহিনী। স্কুলে গেলেই এই স্কুলব্যাগ নিয়ে হাজারো স্মৃতি মনে পড়ে যায়। শুধু কি স্কুল ব্যাগ স্কুল ড্রেস নিয়েও তো অনেক কাহিনী আছে নাকি? স্কুল ড্রেসের কথা ভুলে গেলে চলবে নাকি? আমার কাছে মনে হচ্ছে স্কুল ব্যাগের চাইতে স্কুলড্রেস এর সাথে আরো বেশি স্মৃতি জড়িয়ে আছে।

 

ছোটবেলার কথা, তখন তো স্কুল ব্যাগ তেমন আমাদের দিত না, বলতো ছোট থাকতে কেন এত স্কুল ব্যাগের দরকার দুইটা বই হাতে করে নিয়ে গেলেই হয়ে যায়। কিন্তু অন্যান্য ছাত্র যারা আছে তাদের বাবারা তো অনেক টাকা পয়সার মালিক অনেক বড়লোক তাদের ছেলেমেয়েদের স্কুল ব্যাগ কিনে দেয় আমার দেখে তখন মনে হয় যে আমার যদি একটা স্কুল ব্যাগ থাকতো তাহলে আমিও বই কাঁধে করে নিয়ে আসতাম। তখন আর আমার হাতে করে বই নিয়ে আসা লাগত না। কারণ আমরা তো গরিব। তখন তো আর আমরা বুঝতাম না যে বাবা-মা কত পরিশ্রম করে আমাদের জন্য টাকা রোজগার করে আমাদের জন্য কষ্ট করে। ছোটবেলায় এগুলো মাথায়ও থাকেনা। তখন শুধু মাথায় ঘোরে অন্যের আছে আমার কেন নাই। যাইহোক অনেক কষ্ট করে বাবা একটি ব্যাগ কিনে দেয় অন্যদের তুলনায় খুবই নিম্নমানের। তখন ওটাই ভালো লাগতো যে কত সুন্দর একটা ব্যাগ ব্যাগ পেয়েছি আমি। কিন্তু ব্যাগ বেশিদিন টেকে না। স্কুলে যাওয়ার সময় ব্যাগ তুলে নিয়ে যায় ক্লাসের যখন সময় হয় তখন ক্লাস করি। ক্লাসে তো অনেক বন্ধুবান্ধব থাকে কিন্তু কিছু বন্ধুবান্ধব আছে যারা খুবই দুষ্ট প্রকৃতির হয়। আবার তাদের জন্যই আনন্দ হয় ক্লাসে এবং সব জায়গায়। দেখা যেত সেই দুষ্ট পোলাপানগুলো ব্যাগ নিয়ে টানাটানি করে ব্যাগের ভিতর অনেক কিছু তুলে দেয় বাড়িতে এসে দেখি ব্যাগের ভিতর কাগজ বা ভেল বিভিন্ন কিছু তুলে দেয় ছুটির সময় পিছন থেকে তারা চেইন খুলে ব্যাগের ভিতর তুলে দেয়।

 

যখন টিফিন দেয় তখন বাইরে এসে মাঠে খেলাধুলা করি কিছু বন্ধু যারা আছে দুষ্ট প্রকৃতির তারা দেখা যায় খেলাধুলা করতে আসে ঠিকই তখন খেলাধুলা করা শুরু করে ঠিক তখনই একটা গান তৈরি করে কিছুক্ষণ খেলে খেলাধুলার শেষে গ্যাঞ্জাম তৈরি করে তারা চলে আসে ক্লাসরুমে, যার সাথে গ্যাঞ্জাম বাজে তার বেগ লুকিয়ে রাখে । বা খাতার পেজ সিরি হাত মুখ ধোয়ার পরে সেই পেজ দিয়ে হাত মুখ মুছে এইতো অবস্থা ছিল।

 

আরেকটি কথা হচ্ছে স্কুলড্রেস নিয়ে।

ক্লাস যখন শুরু হয় তখন সামনের ব্রাঞ্চে যারা থাকে তারা যখন পেছনের বেঞ্চে হেলান দেয় তখন পেছনের যারা থাকে তারা কলম ধরে যখনই হেলান দেয় তখনই কলমের পিন দিয়ে ঘা লাগে এবং কলমের কালি ভরে সাথে সাথে। 

 

আর স্কুলের ড্রেস না পড়ে আসলে স্যারদের যে অবস্থা।

সরি এখানে সারেন্দের কেন অবস্থা এখানে আমাদের অবস্থা এ ছাড়া নাজেহাল করে ফেলে। প্রথম দুই এক দিন বা সপ্তাহে কিছু বলবেনা যখনই এক সপ্তাহ পার হয়ে যাবে তখনি শুরু করবে তোমার ব্রাঞ্চ এর নিচে ঘার দাও। তখনই বুঝতে আর বাকি থাকে না কেন স্যার এক সপ্তাহ তো বলে দিয়েছে তোমাদেরকে কিছু বলব না কিন্তু এক সপ্তাহ পর যদি কারো ড্রেস না পায় তাহলে তোমাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে। যেমন কথা ঠিক তেমনি কোন ভুল নাই। ঘা্য দেওয়ার পরে এক ছাত্রকে বলল যা অফিস থেকে তুমি বেত নিয়ে আসো ছাত্র আর কি করবে স্যারের হুকুম আনতেই হবে তিনটা বেত নিয়ে আসলো ওরে বাবারে আমার তো অবস্থা খারাপ এখন কি করবো বুঝতে পারছিনা। সার কে আকুতি মিক্তি করেও কাম হবে না কারণ এই সার হচ্ছে বাঘা স্যার। কোন কথাই শুনবে না।

 

এখন স্যার কেদারা থেকে উঠিয়ে ছাত্রর কাছে গেল। যে গেমসের মিশে মাথা দিয়েছে তা তো অবস্থা খারাপ। আর যখনই তিনটা জ্ঞান দিয়ে ধাম ধাম করে মার শুরু করে দিল ছাত্রের অবস্থা খুবই খারাপ সকালে খাওয়া দাওয়া করে আর প্রস্রাব করে নেই। ছাত্র মার খাওয়ার পরে স্যার যখন তাকে দাড় করালো তখন দেখে যে তার প্যান্ট ভিজে গেছে প্রসাব করে দিয়েছে। এইতো হল ছোটবেলা স্কুলের অবস্থা।

 

এখন শুনলে হয়তো খারাপ লাগতেছে কিন্তু আসলে এটা বাস্তব ঘটনা। প্রত্যেকের জীবনে এরকম কিছু না কিছু ঘটনা রয়েছে কেউ বলে কেউ বলে না।

 

স্কুল জীবনের এরকম হাজারো ঘটনা রয়েছে যা একটি পোস্টে বলে শেষ করা যাবেনা! স্কুল জীবনটা খুবই আনন্দের ছিল। অনেক কিছু মনে করি। কোন কলেজ লাইফের আসা হয়েছে তাই আমাদের খুব মনে পড়ে স্কুল জীবনের কথা মাঝে মাঝে দুই চোখ দিয়ে অঝোরে অশ্রু ঝরতে থাকে।

 

বন্ধুদের সাথে কত দুষ্টামি করা হতো কত আনন্দ করা হতো খেলাধুলা করা হতো কত রকমের সময় যেত।

 

মাঝে মাঝে একটু খোঁজ খবর নেই বন্ধুরা কেমন আছে কোথায় আছে কিভাবে? বন্ধু ভুলে যেওনা কখনো। বন্ধু তুমি যেখানেই থাকো না কেন মাঝে মাঝে একটু মেসেঞ্জারে নক দিও। যতই আমি তোমার বন্ধু হই না কেন যদি আমি তোমাকে সময় না দেই তাহলে সেই বন্ধুত্ব আর বেশিদিন থাকে না। কারণ বন্ধুত্ব হচ্ছে একটি বন্ধন। এই বন্ধন এর মাঝে তফাৎ করে দেয় সময়, একে অপরকে যদি সময় না দেই তাহলে আর সেই বন্ধন টিকে থাকে না। সেই বন্ধন যেকোনো বন্ধনী হোক না কেন! কথা না বললে যেমন বন্ধুত্ব হয়না ঠিক তেমনি সময় না দিলে বন্ধুত্ব টিকে থাকে না।

 

হাজারো কষ্টের মাঝে যখন বন্ধুর মাঝে কথা গুলো শেয়ার করা হয় তখন যেন অনেক বড় বোঝা মাথা থেকে উছলে পড়ে গেল। তাই সব সময় বন্ধুদের সাথে কমিউনিকেশন টিকিয়ে রাখা।

 

ছোটবেলা থেকে একসাথে লেখাপড়া করেছি একসাথে খেলাধূলা করেছি। কিন্তু বাস্তবতার প্রেক্ষিতে যখন নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে শুধু মাতৃভূমি নয় নিজের আপন জন বন্ধুবান্ধব সবাইকে ছেড়ে যখন চলে যেতে হয় অচেনা দেশে জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে তখন বোঝা যায় মাতৃভূমি কি জিনিস বন্ধুত্ব কি জিনিস! এখন আধুনিক যুগ তাই আমরা এর মধ্যে যোগাযোগ করতে পারি নিজের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করব এবং বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করব তাহলে আমাদের বন্ধুত্ব এবং পরিবারের দেই কমিউনিকেশন থাকে সেটা অবিরাম চলতে থাকবে।

 

তাই আমাদের উচিত সকলের সাথেই কথা বলা। বুঝতে পারছি না আমি কিভাবে কি লিখবো আমি যেগুলো কিভাবে লিখতেছি আল্লাহই ভাল জানে। লিখতেসি আর তাদের কথাগুলো মনে পড়ে যাচ্ছে বুকটা ফেটে যাচ্ছে বন্ধুদের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। সবাই ভালো থাকেন সবার জন্য দোয়া করি দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমাদের সকলকে ভালো রাখেন। (আমিন)

Comments