মাতৃভূমি ত্যাগ করে শিক্ষার উদ্দেশ্যে বগুড়ায়।
আমি রোজ শুক্রবারের দিন বিকাল তিনটার দিকে মাতৃভূমি ত্যাগ করে শিক্ষার উদ্দেশ্যে বগুড়ায় রওনা দেই। প্রথমে আমি বলব মাতৃভূমি এমন একটা আত্মত্যাগ যা বলার বাহুল্য রাখে না। যার ভিতরে মাতৃভূমির টান রয়েছে সেই বলতে পারে মাতৃভূমি কতটা আপন। এই মাতৃভূমি ত্যাগ করে আসার সময় যে আমার কতটা খারাপ লেগেছে তা বলে বুঝানো যাবে না। কিন্তু কোন কিছুই করার নেই! শিক্ষার উদ্দেশ্যে যাচ্ছি আমি বগুড়ায়। আল্লাহ তায়ালা যেন আমাকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে এবং একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারি সেই তৌফিক আল্লাহ আমাকে দেয়।
আমি যে ছবিগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। সেগুলো আমার মাতৃভূমি ছেড়ে আসার সময় অটো ভ্যানে যখন আমি উঠি তখন এই ছবিগুলো ক্যামেরাবন্দি করি। এই জায়গাটা নাটুয়ার পাড়া বাধ সংলগ্ন ছবি। বাঁধের দুই পাশ দিয়ে কৃষ্ণচূড়ার গাছ আরো রয়েছে বাহারি রকমের ফুল। হয়তোবা ছোট হতে পারে কিন্তু রাস্তা দেখতে অনেক সুন্দর এবং মনোমুগ্ধকর হয়ে উঠেছে। দুই পাশ দিয়ে যখন কৃষ্ণচূড়ার গাছের ফুলের গন্ধে মম করে আর যখন আমি আপনি সেই রাস্তা দিয়ে হেঁটে হেঁটে যাই! তখন কতইনা ভালো লাগে! আর সেই মাতৃভূমি ফিরে আসতে মন চায় না আমার তবুও ছেড়ে আসতে হয় বারেবার। কিছুক্ষণ পর আমি নৌকায় উঠলাম গায়ে উঠার পরে ভাড়া দেওয়া হয়ে গেলে নৌকা ছেড়ে দিল তার গন্তব্যস্থলে পৌঁছার জন্য। পৌঁছে গেলাম মেঘাই ঘাটে। মেঘাই ঘাটের কয়েকটি ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
আমার মাতৃভূমি কতই না সুন্দর। প্রত্যেকের কাছে তার নিজ নিজ মাতৃভূমি অনেক সুন্দর এবং ভালোবাসায় মায়ায় জড়ানো থাকে। জড়ানো থাকি তাদের হাজারো স্মৃতি। ছোটবেলার কতই না খেলাধুলা আর দৌড়াদৌড়ি মজা মাস্তি হতো। সেই মাতৃভূমিকে কেমনে ভুলে থাকতে পারি।



অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
Thank you for your attention.