হোস্টেলের রুম পরিস্কার করা নিয়ে কাহিনী।

jakaria

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। আমরা যে, যে অবস্থা তেই থাকি না কেন আমাদেরকে অবশ্যই পরিষ্কার পরিছন্নতায় থাকতে হবে। আমি এখন আমাদের হোস্টেলে রুম পরিষ্কার করার কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করব।

 

রুম পরিস্কার:

আপনারা উপরের এই ছবি থেকে দেখতে পাচ্ছেন যে এখানে আমরা সবাই মিলে রুম পরিষ্কার করতেছি। ঝাড়ু দিয়ে নয়, একদম পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিচ্ছি। কারণ আমাদের রুমে অনেক ময়লা হয়ে গেছে এজন্য আমরা আজকে ভাবলাম যে রুটি যদি পানি দিয়ে ধুই তাহলে মনে হয় বেশি পরিষ্কার হবে। যেমন কথা তেমন ই কাজ। বাস আর দেরি না করে চিন্তা করার সাথে সাথেই কাজ শুরু করে দিয়েছি।

 

কেন আমরা পরিস্কার থাকবো:

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। পরিষ্কার থাকলে আল্লাহ তাআলা তাকে পছন্দ করেন। কারণ পরিষ্কার পরিছন্নতা কারীকে পছন্দ করেন সকলেই। পরিষ্কার থাকলে আমাদের সকলেরই ভালো লাগবে। পরিষ্কার থাকলে নিজের ভিতরে একটা ভালোলাগা কাজ করবে।

 

আমরা যখন রুম রিস্কার করি:

রুম পরিস্কার করার সময় খুবই আনন্দ লাগল। একজন পানি নিয়ে এসে ঢেলে দেয়, আরেকজন পরিষ্কার করে। পানি দিয়ে ভিজিয়ে দেয় একে অপরকে। বন্ধুরা একজনকে পানি দিয়ে ভিজিয়ে দেয় আবার আরেকজন একই অবস্থা। সবমিলিয়ে কি যে এক অবস্থা। কাজ করলাম তারপরও কেন জানি ভালো লাগলো।

 

তায়লা দিয়ে পানি শোষণ করা:

রুম যখন পানি দিয়ে ধুয়ে দেওয়া হল তখন সবাই মিলে আনন্দ উল্লাসে কাজ করেছে। এরপরে রুমটাকে তয়লা দিয়ে অথবা নেকড়া দিয়ে পরিষ্কার করে পানি গুলো শোষণ করানো হলো। এতে করে তাড়াতাড়ি পানি শুকিয়ে যাবে। এরপরে উপরে ফ্যান দিলাম ছেড়ে আরও দ্রুত পানি শুকিয়ে যাবে।

 

রুম পরিস্কার করার আসল রহস্য:

আপনাদের সাথে এক দিন শেয়ার করেছিলাম আমাদের রুমে খরগোশ নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু খরগোশ যখন প্রস্রাব করে বা টয়লেট করে, একদিন দুইদিন এইরকমভাবে যখন তানা 4, 5 দিন চলে যায় তখন এগুলো গন্ধ সৃষ্টি করে বা ভাইরাস সৃষ্টি করে। এই খরগোশের পশমগুলো নিচে মেঝেতে দিয়ে দেখতে পাওয়া যায়। এরকম ভাবে বেশ কয়েকদিন যাওয়ার পরে নিজেদের ভিতর একটা বিরক্ত লাগে যে অনেক গন্ধ। আর রুম অনেক অপরিষ্কার হয়ে গেছে। রুমের ভিতর আসলেই কেমন যেন একটা দুর্গন্ধ আসে। তাই সবাই মিলে পরামর্শ করে আপনার রুম পরিস্কার করার সিদ্ধান্ত নিলাম।

 

শিক্ষনীয় বিষয়:

আমাদেরকে অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় বজায় রাখতে হবে। রুমের ভিতরে কোন প্রকার জীবজন্তু রাখা যাবে না, যেগুলো দ্বারা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়। প্রত্যেকদিন রুম ঝাড়ু দিতে হবে। সপ্তাহে একদিন অথবা মাসে দুই দিন ধৌত করতে হবে।

Comments