হ্যালো গাইস,
আসসালামু আলাইকুম, হ্যালো serey বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে আমিও ভালো আছি।
আসলে প্রতিদিন যে হারে করোনা রোগী বাড়ছে মালয়েশিয়াতে তাতে মনের মধ্যে সবসময় আশঙ্কা কাজ করছে কারণ মালয়েশিয়াতে আবারও 14 দিনের লকডাউন এর সময়সীমা বর্ধিত করছে এতে করে মালয়েশিয়ান প্রবাসীরা মানবেতর জীবনযাপন করছে।
কারণ আপনারা অনুধাবন করতে পারবেন যে অন্যের দেশে ঘরের মধ্যে বন্দি থাকা যে কতটা কষ্টের তা কাউকে ভাষায় প্রকাশ করে বোঝানো সম্ভব না। কারণ বিদেশে একটি দিন বসে থাকলে তার খরচ বসে থাকে না কারণ প্রত্যেক বছর এ দেশের সরকারকে ভিসা বাবদ প্রত্যেক প্রবাসীকে 3500rm দেওয়া লাগে।
আসলে নিজের দেশে থাকতে তো কোন টাকা দেওয়া লাগে না সরকারকে কিন্তু অন্য দেশে থাকতে গেলেও আমাদেরকে ভাড়া দিয়ে থাকতে হয়। হায়রে জীবন করোনার মধ্যে আমাদের জীবনযাত্রা থমকে গেলেও আমাদের খরচ কিন্তু থমকে যায়নি।
তাইতো প্রত্যেকটা প্রবাসী নিজের জীবনের মায়া কে তুচ্ছ করে সরকারের আদেশ অমান্য করে কাজের সন্ধানে বাহির হয়ে পড়ছে এবং প্রতিদিন নিউজ এ দেখতেছি নানারকম হয়রানির শিকার হচ্ছে এদেশের পুলিশের কাছে। কি করবে রুমে বসে থাকলে তো আর মুখে ভাত উঠবে না এবং নিজের পরিবারের ও না খেয়ে থাকতে হবে কারণ একজন প্রবাসী মুখের দিকে তার পুরো পরিবার চেয়ে থাকে হয়তো তার একার ইনকামে পুরো পরিবার চলে তাই করোনা মহামারীতে একজন প্রবাসীর মত এত বড় অসহায় আর কেউ নাই। আর এদের দুঃখ বোঝার মত মানুষ হও নাই এই সমাজে।
কারণ একজন প্রবাসী তার নিজের পরিবারের পাশাপাশি দেশের ও উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে কিন্তু এদের বিপদের সময় সরকারের কাছ থেকে সামান্য পরিমাণ সহযোগিতা আশা করা যায় না। প্রতিবছর মালয়েশিয়াতে মারা যায় বাংলাদেশি সংখ্যা হাজারের অধিক কিন্তু এই প্রবাসীদের লাশ দেশে পাঠানো টাকাও সরকার বহন করে না। এদের মত হতভাগা আর কে আছে।
প্রত্যেকটা প্রবাসী জীবনের শেষ বিন্দু দিয়ে দেশের উন্নয়ন এবং পরিবারের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাই কিন্তু এদের দুঃখ কেউ বোঝেনা।
তা বন্ধুরা সকলে ভাল থাকুন আর আমাদের প্রবাসীদের জন্য শহরের দোয়া করুন এই কামনা করি। আরে করোনা মহামারীতে প্রত্যেকটা প্রবাসী ভাই ভালো থাকুক বেশি বেশি ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করুক আল্লাহ এই কামনা করি ।আল্লাহ হাফেজ।


ভাই জান তোমার লেখা টা অনেক ভালো হয়ছে