আমবাগান প্রথম পর্ব
হাই বন্ধুরা! তোমরা সবাই কেমন আছো? তোমাদের দোয়ায় আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আজকে তোমাদের সামনে একটি নতুন টপিক নিয়ে আলোচনা করব আর তাহলো আমবাগান। আশা করি সবাই মনোযোগ সহকারে আমার এই পোস্টটি পড়বে এবং আমার পাশে থাকবে। চলো তাহলে শুরু করা যাক আজকের আলোচনা।
আজকের আলোচ্য বিষয় "আমবাগান"।
আজকের আলোচনা তেমন হয়তো মধুর হবেনা কিন্তু আম বাগানের মাঝে বসবাস করি আর আম্রকানন নিয়ে আলোচনা করবো না তা কি হয়। আমার চারিদিক ঘিরে শুধু আমের গাছ অর্থাৎ আমবাগান। এই বাগানে খেলাধুলা করে আমরা বড় হয়েছি। আসলে দিনের বেলায় আমবাগানে থাকতে ভালো লাগে আর চাঁদনিরাত হলেতো আর কোন কথাই নাই। ভালো লাগার কারণ হলো বাতাস। আমবাগানে যখন থাকি গরমের দিনে মনে হয় যেন আমরা এসির মধ্যে অবস্থান করছি। আমাদের শরীর ঠান্ডা হয়ে থাকে। বাড়িতে কারেন্ট বা বিদ্যুৎ না থাকলে, গরম একটু বেশি পড়লে আমরা এই বাগানে অবস্থান করি। বাগানের ফুরফুরে বাতাস খুব মজা লাগে। গাছের নিচে রোদের প্রখরতা থাকে না, তাপ থাকে না শুধু ঠাণ্ডা আর ঠাণ্ডা এ কারণে আমবাগানে আমরা থাকতে খুব ভালোবাসি। আর আমের সময় তো কোন কথাই নাই দিনের বেলায় যেরকম রাতের বেলায় সেই রকম। সব সময় মানুষ বাগানে অবস্থান করে। বাগানে যখন আম থাকে দিনের বেলা বাগানে চলাফেরা করতে কোন রকম ভয় করে না কিন্তু যখন আম না থাকে তখন বাগান দিয়ে চলাফেরা করতে কেমন জানি করে শরীরটা, গা শিরশির করে শিহরিয়ে উঠে কিন্তু যখন বাগানে আম থাকে তখন একদম শরীর হালকা মনে হয়। বাগানে থাকতেই কোনরকম ভয় করে না। এমনি সময় মনে হয় যেন আমার পিছনে কেউ আসছে। শরীরটা ভারি ভারি মনে হয়। একা হাঁটতে বা চলাফেরা করতেন ভয় লাগে তবে হ্যাঁ সাথে যদি কেউ একজন থাকে তখন আর একা একা চলতে বাগানের মধ্য দিয়ে কোন রকম ভয় লাগে না। আম্রকানন সম্পর্কে আরও অনেক কথাবার্তা বলব। আমরা যেখানে বসবাস করি বিভিন্ন ধরনের সেখানে আম পাওয়া যায়। আমের বিভিন্ন প্রজাতি আছে।
আজকে এখান থেকে বন্ধুরা। এই আলোচনাটা কয়েকটি পর্বে শেষ করব আপনারা পাশে থাকবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ হাফেজ।


