চাকচিক্যময় স্কুলের বিল্ডিং
আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা! আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভাল আছি। আজকে আপনাদের সামনে নতুন একটি বিষয় নিয়ে উপস্থিত হলাম। আর তা হল "চাকচিক্যময় স্কুলের বিল্ডিং"। চলুন আমরা আমাদের বিষয় নিয়ে একটু কথা বলি।
পড়ালেখা হোক যথা তথা বিল্ডিং হোক ভালো
যেন স্কুলেতে গেলেই আমার মন হয়ে যায় ভালো।
আমরা যে স্কুলগুলোতে পড়ালেখা করেছি সেই স্কুলের বিল্ডিং গুলো ছিল একদম লো-কোয়ালিটির। কিন্তু বর্তমানে শেখ হাসিনার সরকার যেসকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান বিল্ডিং করে দিচ্ছে সেগুলো চোখধাঁধানো বিল্ডিং। এবং খুবই চাকচিক্যময় বিল্ডিং বিল্ডিং। দেখে মন ভরে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে আবার যেন শৈশবে ফিরে যাই। আবার যেন সে প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হয়ে পড়ালেখা করি।
কিন্তু না এখন তো আমাদের আর শৈশবে ফিরে যাওয়ার বয়স নেই। এখন আবার নতুন করে পড়ালেখার বয়স নেই। এখন ছাত্রদেরকে শিক্ষা দেওয়ার বয়স। এখন শিক্ষকতা করতে মন চায়। চাকচিক্যময় বিল্ডিং গুলো যেভাবে চাকচিক্যময় হয়ে গেছে ছাত্রদেরকে ঠিক শ্রম দিয়ে তমনি সোনার মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ইচ্ছে করছে। মনে হচ্ছে যেন তাদেরকে এভাবে চাকচিক্যময় করে গরে তুলি। এবং সবার সামনেই তাদেরকে উপস্থাপন করি। তাদেরকে দেখে যেন সবার মন ভরে যায়।
প্রায় প্রতিটি সরকারি স্কুলে বেসরকারি স্কুলে বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে। ঘরগুলো হচ্ছে বিশাল বিশাল দৈর্ঘ্য প্রস্থ। এবং বিদ্যুৎ না থাকলেও সেই ঘরগুলোতে বাতাস আসা যাওয়া করতে পারবে এতে করে ছাত্রদের তেমন কষ্ট হবে না।
আজকে এখানেই শেষ করছি। আমার লেখায় আজকে তেমন কিছু দিতে পারলাম না। শুধু শুধু আপনাদের সময় নষ্ট করলাম। যাই হোক কষ্ট করে পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। পরবর্তীতে আবার কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। আল্লাহ হাফেজ।


